Category: সারাদেশ

  • বিভিন্ন মামলায় আশুলিয়ায় আ.লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক

    বিভিন্ন মামলায় আশুলিয়ায় আ.লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

    ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে নাশকতা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সাতজন সক্রিয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গঙ্গা প্রসাদ ঘোষের ছেলে শক্তি প্রসাদ ঘোষ (৪৮), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য, আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার আঃ সাত্তার দেওয়ানের ছেলে মোঃ মামুন দেওয়ান (৩৬), তিনি ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ৬নং ওয়ার্ডের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক, আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গঙ্গা প্রসাদ ঘোষের ছেলে অন্নদাস প্রসাদ ঘোষ (৬৫), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩নং ওয়ার্ডের দপ্তর সম্পাদক, আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গোপাল সুত্রধরের ছেলে ভুলানাথ সুত্রধর (৫৮), শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য, আশুলিয়ার কুরগাঁও টাট্টিবাড়ি এলাকার মৃত মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম নজরুল (৩৯), তিনি পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ৫নং ওয়ার্ডের প্রচার সম্পাদক, আশুলিয়ার পাড়াগ্রাম এলাকার মৃত দিদার আলীর ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম গফুঁর (৬০), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য, আশুলিয়ার রনস্থল গাজীরটেক এলাকার মৃত মঙ্গল ব্যাপারীর ছেলে মোঃ হারুন অর রশিদ (৩৭), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

    গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি ইউনিয়নে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয় বলে রবিবার সকালে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান।

    গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক থেকে শুরু করে যুবলীগের ওয়ার্ড-স্তরের একাধিক নেতা রয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছিল। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • আশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে যুবলীগের দুই সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে যুবলীগের দুই সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন : ( ঢাকা) প্রতিনিধি

    সাভারের আশুলিয়ায় পৃথকস্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের সাবেক দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান।

    এর আগে রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকা এবং রাত ৯টার দিকে শিমুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—

    আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকার মৃত ওসমান আলীর ছেলে মো. আলী আজগর ওরফে জামাল হোসেন, যিনি আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।

    শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন (৪০), যিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ইউনিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলী আজগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শিমুলিয়া কোনাপাড়ায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।

    আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। শনিবার সকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।

  • আশুলিয়ায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    আশুলিয়ায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    আলমাস হোসাইন  (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ার বেসরকারি আবুল হোসেন হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
    এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নবজাতকের পরিবারে, এলাকায় নেমেছে তীব্র ক্ষোভ।

    পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসকরা জানান— দ্রুত সিজার করতে হবে। পরে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি করে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু সিজারের পর থেকেই নবজাতকের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। শিশুটির মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং শ্বাসকষ্ট থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা বিষয়টিকে অবহেলা করেন বলে অভিযোগ পরিবারের।

    পরিবার জানায়, গত ১১ নভেম্বর প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সিজারের মাধ্যমে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই নবজাতকের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। অভিযোগ, কর্তব্যরত চিকিৎসকরা যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা বিশেষায়িত সেবার ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিশুটি ১২ নভেম্বর রাতে মারা যায়।

    শিশুটির বাবা শাহীন ইমতিয়াজ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,

    ছেলের জন্মের পর থেকেই তার মাথায় আঘাতের দাগ ছিল। বুকের ভেতর অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। আমি ডাক্তারদের অনুরোধ করেও কোনো সাড়া পাইনি। পরে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতেই আমার ছেলেটা মারা যায়। আমি আবুল হোসেন হাসপাতালের অবহেলার বিচার চাই।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হোসেন হাসপাতালের উপ-মহাব্যবস্থাপক সুমন দাস বলেন,

    আমাদের হাসপাতালে কোনো গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসা হয়নি। শিশুটি জন্মের এক দিন পর অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল। আমাদের এখানে তার মৃত্যু হয়নি।

    এদিকে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন— হাসপাতালটিতে প্রায়ই চিকিৎসা অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগ ওঠে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন

    লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, স্থানীয় এক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন,

    নবজাতকের জন্মের সময় আঘাত বা শ্বাসজনিত সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক নিবিড় পরিচর্যা (NICU) প্রয়োজন হয়। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে এমন মৃত্যু ঘটতে পারে। সঠিক তদন্ত হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

    নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবার। তারা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

  • আশুলিয়ায় আলিফ পরিবহনের পার্কিং বাসে আগুন, চালক আহত

    আশুলিয়ায় আলিফ পরিবহনের পার্কিং বাসে আগুন, চালক আহত

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ায় সড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা আলিফ পরিবহনের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাসের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চালক সাত্তার আহত হয়েছেন।

    ঘটনাস্থল ও সময়

    বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকার নারী ও শিশু হাসপাতালের সামনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

    স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ভোরে দুই মোটরসাইকেলে করে দুইজন হেলমেট পরা ব্যক্তি এসে বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    চালকের বক্তব্য

    আহত চালক সাত্তার বলেন,

    আমি বাসের ভেতরে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ আগুন দেখে জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামি। নিচে নেমে দেখি চারজন লোক দুইটি মোটরসাইকেলে দাঁড়িয়ে আছে। আমি চিৎকার করলে তারা ফাঁকা মাঠে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। এতে আমার হাঁটুতে আঘাত পাই।

     

    ফায়ার সার্ভিসের তথ্য

    ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী জানান,

    খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বাসের ভেতরের সবকিছু পুড়ে যায়। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

     

    বাসমালিকের আবেদন

    বাসের মালিক মো. সোহেল বলেন,

    এই বাসটাই ছিল আমার একমাত্র উপার্জনের উৎস। কে বা কারা আমার এই ক্ষতি করল জানি না। আমি তাদের বিচার চাই। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ, যেন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়।

    পুলিশের বক্তব্য

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন,

    ঘটনার তদন্ত চলছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নিজ গ্রামের উন্নয়নে অনুপ্রেরণা: সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন

    নিজ গ্রামের উন্নয়নে অনুপ্রেরণা: সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

    দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে হলে রাজনীতিক পরিচয় থাকা জরুরি নয়—তার জীবন্ত উদাহরণ যেন আশুলিয়ার ভাদাইল গ্রামের তরুণ সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন।

    এক সময় ভাদাইলের রাস্তাটি ছিল জনদুর্ভোগের প্রতীক। ইপিজেড থেকে ভাদাইল পর্যন্ত মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে লাগত পুরো এক ঘণ্টা। ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছিল দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা; প্রতিদিনের সঙ্গী ছিল যানজট, ধুলোবালি আর পথচারীদের দুর্ভোগ।

    এই পরিস্থিতি সহ্য করতে পারেননি ইসরাফিল হোসেন। নিজের গ্রামের মানুষের কষ্ট দেখেই তিনি এগিয়ে আসেন হাতে হাত মেলান ভাদাইল ফ্রেন্ডস ক্লাবের তরুণদের সঙ্গে। তাঁদের নিরলস পরিশ্রমে একসময় রাস্তাটি হয় হকারমুক্ত, ফুটপাত ফিরে পায় পথচারীরা, আর সেই দীর্ঘদিনের যানজট আজ ইতিহাসের পাতায় স্থান নিয়েছে।

    তবে এই পরিবর্তনের পথ ছিল না সহজ। প্রতিটি ধাপে ছিল বাধা, বিরোধিতা ও নানা প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু দৃঢ় সংকল্প আর গ্রামবাসীর ভালোবাসাকে শক্তি করে এগিয়ে গেছেন ইসরাফিল হোসেন। তাঁর নেতৃত্বে মানবিকতার জয় হয়েছে উদাসীনতার উপর।

    দেশের প্রতিটি গ্রামে যদি এমন একজন ইসরাফিল হোসেন থাকেন—তবে পরিবর্তনের গল্প লেখা যাবে প্রতিটি রাস্তায়, প্রতিটি হৃদয়ে।

    দেশ বদলায়, যখন মানুষ নিজেই এগিয়ে আসে।
    হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন—এক আলোকিত নাম, এক প্রেরণার প্রতীক।

  • ফিক্সিং তদন্ত চলছে, প্রমাণ না মিললে খেলায় অংশ নিতে পারবে খেলোয়াড়রা: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

    ফিক্সিং তদন্ত চলছে, প্রমাণ না মিললে খেলায় অংশ নিতে পারবে খেলোয়াড়রা: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

    বিপিএল ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, তাদের খেলায় অংশগ্রহণে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপদেষ্টা।

    শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে সাভারের বিকেএসপিতে ‘যুবদের আত্মরক্ষামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রকল্প’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    উপদেষ্টা বলেন, ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িত যে-ই হোক না কেন, খেলোয়াড়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে। বিসিবিও চায় না, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে তারা খেলায় অংশ নিক। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি, তাদের অপরাধী বলা যাবে না।

    নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলমসহ অন্যান্য নারী খেলোয়াড়দের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি আরও জানান, নারী খেলোয়াড়দের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ প্রকল্প সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই বছর ছয় মাস মেয়াদি এই প্রকল্পের আওতায় বিকেএসপির সাতটি আঞ্চলিক শাখার মাধ্যমে ৮ হাজার ৮৫০ জন যুবক-যুবতীকে আত্মরক্ষামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

  • আশুলিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান: ছয় ভাটার কার্যক্রম বন্ধ, একটিতে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

    আশুলিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান: ছয় ভাটার কার্যক্রম বন্ধ, একটিতে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

    আরাফাত রহমান( শুভ) : আশুলিয়া প্রতিনিধি
    বায়ু দূষণ রোধে সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণার পর পরিবেশ অধিদপ্তর আশুলিয়া এলাকায় শুরু করেছে অবৈধ ইটভাটাবিরোধী কঠোর অভিযান। বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একটি ইটভাটাকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ছয়টি ইটভাটার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম। এ সময় ইটভাটাগুলোর কাঁচা ইট ও চিমনি ধ্বংস করে দেওয়া হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এই অঞ্চলে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ও পরিবেশ দূষণকারী সব ধরনের শিল্প ও কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তারই অংশ হিসেবে আজ শিমুলিয়া এলাকার ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনুমোদনবিহীন এবং নির্ধারিত দূরত্বের বাইরে ইটভাটা পরিচালনা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এমন অভিযান নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় চলবে।

    অভিযান চলাকালীন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    স্থানীয়রা জানান, শিমুলিয়া ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি ইটভাটা অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এসব ভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ধূলাবালিতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছিল। অভিযানের ফলে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

  • আশুলিয়ায় বাসচাপায় পোশাককর্মীর মৃত্যু, চালক-হেলপার পলাতক

    আশুলিয়ায় বাসচাপায় পোশাককর্মীর মৃত্যু, চালক-হেলপার পলাতক

    আলমাস হোসাইন :
    আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাভার ও আশুলিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়া রাজত্ব সার্কেল ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোনো প্রকার প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চুরির মামলা গ্রহণ করেছেন। এ কাজে সহযোগিতা করেছেন আওয়ামী লীগের ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক গাজী নাছরীন আক্তার।

    আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি লাইজু আহম্মেদ চৌধুরী বলেন,

    সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চুরির মতো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আমরা এই হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

    তিনি আরও জানান, এর আগেও একই ওসির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

    আশুলিয়া প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি তুহিন আহমেদ বলেন,

    আমরা শুধুমাত্র জনস্বার্থে তথ্য জানতে চাই, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। তাই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। তবে এতে আমরা ভয় পাব না, আমাদের সাংবাদিকতা থামানো যাবে না।

    এ সময় আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিক, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক মো. শফিউল্লাহসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।

    বক্তারা একযোগে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    মানববন্ধনে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেসক্লাব, প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই অঞ্চলে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

  • আশুলিয়ায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    আশুলিয়ায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    আলমাস হোসাইন :
    আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাভার ও আশুলিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়া রাজত্ব সার্কেল ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোনো প্রকার প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চুরির মামলা গ্রহণ করেছেন। এ কাজে সহযোগিতা করেছেন আওয়ামী লীগের ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক গাজী নাছরীন আক্তার।

    আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি লাইজু আহম্মেদ চৌধুরী বলেন,

    সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চুরির মতো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আমরা এই হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

    তিনি আরও জানান, এর আগেও একই ওসির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

    আশুলিয়া প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি তুহিন আহমেদ বলেন,

    আমরা শুধুমাত্র জনস্বার্থে তথ্য জানতে চাই, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। তাই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। তবে এতে আমরা ভয় পাব না, আমাদের সাংবাদিকতা থামানো যাবে না।

    এ সময় আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিক, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক মো. শফিউল্লাহসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।

    বক্তারা একযোগে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    মানববন্ধনে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেসক্লাব, প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই অঞ্চলে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

  • কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    মোঃআনজার শাহ

    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কক্সবাজারের কৃতি সন্তান মোঃ শাহাদাত হোসেন। তিনি দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চিফ এবং কলাতলীর হানিমুন রিসোর্টের মালিক।
    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল গফুর। উষ্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
    সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশ বলেন, “গণমাধ্যমের শক্তি যখন মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তখন সমাজ সত্যিকার অর্থে আলোকিত হয়। তরুণ সাংবাদিকদের অবশ্যই সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে।”
    শাহাদাত হোসেন বলেন, “দৈনিক স্বাধীন সংবাদ জাতীয়ভাবে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের যে আস্থা তৈরি করেছে, তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা বিশ্বাস করি, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।”
    এদিকে কক্সবাজারে অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ‘হেলপ ইথুথ ক্লাব কক্সবাজার’। সংগঠনটি নিয়মিত মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহিম বাবু বলেন, “মানবসেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মানুষ মানুষের জন্য— এই মহান বিশ্বাস থেকেই আমরা প্রতিদিন মাঠে কাজ করছি। দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
    স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের এই মুহূর্ত শুধুমাত্র সাংবাদিকতার পেশাগত বন্ধন নয়, বরং সমাজে মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের এমন সহযোগিতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।