Category: অপরাধ

  • সরকারি বীজ খোলা বাজারে অবৈধভাবে বিক্রির দায়ে ৭দিনের কারাদণ্ড


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চৌধুরী বাজারে সরকারি ট্যাগযুক্ত ২৪ বস্তা বীজ খোলা বাজারে অবৈধভাবে বিক্রির সময় অভিযান পরিচালনা করে একজনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৯শে জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় বিশ্বাস-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিক্রেতা জামাল মিয়া (৪০), পিতা: মৃত ঈমান আলী, কুলাউড়া পৌরসভার বাসিন্দাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রের বরাতে জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সরকারি ট্যাগযুক্ত বীজ খোলা বাজারে বিক্রি করার দায়ে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় জামাল মিয়াকে ৭ (সাত) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    অভিযানকালে সরকারি ট্যাগযুক্ত ২৪ বস্তা বীজ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বীজ বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আটক বিক্রেতা স্থানীয় বীজ ডিলার মো. নিজাম মিয়া পরিচালিত নিজাম ট্রেডার্স থেকে এসব বীজ সংগ্রহ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ডিলারের গুদাম পরিদর্শন এবং সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় বিশ্বাস বলেন,
    “সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত কৃষকের বা সরকারি ট্যাগযুক্ত কৃষি উপকরণ কোনোভাবেই অবৈধভাবে খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।”

  • ‎নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক ‎


    ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
    ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের ফুলপুর গ্রামে কৃষি কর্মকর্তার (ভূয়া) পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে স্থানীয় জনতা এক যুবককে আটক করে। পরে তাকে নাসিরনগর উপজেলা কৃষি অফিসে নিয়ে আসা হয়।

    জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কৃষকদেরকে সার, বীজসহ কৃষি পণ্য সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে।
    ‎আজ বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কৃষি কর্মকর্তা সেজে নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের ফুলপুর গ্রামে গেলে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হয় স্থানীয়দের কাছে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রামবাসী তাকে আটক করে।
    ‎আটককৃত  যুবকের নাম মোঃ রাব্বি (২৪) তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের মেড্ডা এলাকায়।

    ‎স্থানীয়রা জানান, রাব্বি নিজেকে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কৃষকদের ধান, বীজ, সার, বিভিন্ন কৃষি পণ্য দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। গ্রামের সহজ-সরল পুরুষ – মহিলাদের নিকট থেকে  তিনি অফিস ফি বাবদ ৩০০ টাকা এবং কৃষি যন্ত্র (মটর) বাবদ ১০ হাজার টাকা দাবি করতেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
    ‎এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং কৃষকদেরকে এ ধরনের প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নাসিরনগর উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃপক্ষ।

  • ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযান: ১৫ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছসহ মাদক কারবারি আটক, যুবকদের সাহসিকতা প্রশংসিত

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্থানীয় যুবসমাজের সাহসিকতা এবং পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ১৫ ফুট উচ্চতার একটি পরিপক্ক গাঁজা গাছ ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মনজু আলম (৫৫) নামের এক কুখ্যাত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চর খলিশাকুড়ি গ্রামে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। আটক মনজু আলম ওই গ্রামের মৃত নজির উদ্দিনের ছেলে।

    যুবসমাজ ও শিক্ষকদের প্রশংসনীয় মাদকবিরোধী মিশন
    সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে সম্প্রতি বলদিয়া ইউনিয়নের যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে মাঠে নেমেছে। যুবকদের এই মহৎ মিশনে স্থানীয় শিক্ষক ও সচেতন মহল স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

    এলাকার যুবসমাজের এমন সুসংগঠিত ও সাহসী ভূমিকা পুরো ভূরুঙ্গামারী জুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
    যেভাবে আটক হন মাদক সম্রাট মনজু
    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে চর খলিশাকুড়ি এলাকায় মনজু আলমের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় টের পেয়ে মাদক কারবারি মনজু পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় সাহসী যুবকরা তাকে বাধা দেন।

    এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে মনজু ওই যুবকদের হাতে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। পরবর্তীতে যুবকদের সহযোগিতায় উপস্থিত পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাকে সাহসিকতার সাথে কাবু করে আটক করেন। এ সময় তার বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ ফুট উচ্চতার একটি বিশাল সতেজ গাঁজা গাছ ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
    মাদকবিরোধী এই যৌথ অভিযানে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন এবং সোনাহাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ফরিদুল ইসলাম খান।

    সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুন জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের এমন সচেতন ও সাহসী ভূমিকা সত্যিই অনুকরণীয়। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • রাঙ্গুনিয়া আলোচিত মাসুদ হ,ত্যা মামলায় শুটার ‘ধামা ইলিয়াছ’ আটক

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এবং চট্টগ্রামে ‘শুটার’ হিসেবে পরিচিত মো. ইলিয়াস ওরফে ‘ধামা ইলিয়াস’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ঢাকার একটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন শুনানি শেষে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন।

    চট্টগ্রাম জেলা আদালতের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ইলিয়াসকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মো. ইলিয়াস সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি হত্যাসহ মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে। ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী রাউজান থানায় মামলা করেন।

    মামলায় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের সহযোগী মোহাম্মদ রায়হান, মো. ইলিয়াস, মো. মোবারক, দিদারুল আলম, মো. ইউসুফসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও আটজনকে আসামি করা হয়।

    পুলিশের ধারণা, কর্ণফুলী নদীর বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

  • ডিবি ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মাদ মাহবুবুল হক ও কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শিবিরুল ইসলামের নির্দেশনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আকুয়া, বালুর মাঠ ও ভাবখালী এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানে গ্রেফতাররা হলেন— মো. আবিজুর রহমান রাজন (৩০), মো. আমির হোসেন জয় (২৮), জুয়েল (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (২২), মো. নাঈম (২৫) এবং মো. রাব্বি (২৬)।

    পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    জেলা পুলিশের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ৩২ জন ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিবি ও থানা পুলিশের এই যৌথ অভিযানের ফলে নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। তবে জনমনে আস্থা বৃদ্ধির বিষয়টি পুলিশের মূল্যায়ন; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

  • ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী হামের নেতৃত্বে কেওয়াটখালী এলাকা সয়লাব সোর্সের সহযোগিতায় ধরাছোঁয়ার বাইরে


    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর যৌথ মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকায় ইতিমধ্যেই রেকর্ড পরিমান পুরুষ মহিলা মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার সহ মাদক উদ্ধার হলেও কেওয়াটখালী এলাকায় পুলিশের সাড়াশি অভিযান না হওয়ায় ঐ এলাকার বাতাশ এখন মাদকের আগ্রাসনে আক্রান্ত হয়ে পরেছে । স্থানীয় সর্ব মহলে চিহ্নিত আদালতে বিচারাধীন বহু মাদক মামলার অভিযুক্ত আসামি শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী হামের নেতৃত্বে অভিনব কায়দায় চলছে রমরমা মাদক ব্যাবসা।

    জানাগেছে হামের মেয়ে ময়না, হাপ্পি ও সীমা সহ একটি সংঘবদ্ধ দল কেওয়াটখালী বাজার এলাকা , হাক্কানী মোড় ও কেওয়াটখালী রেল ব্রীজ সংলগ্ন আম গাছের নীচে মোস্তুর দোকানের সামনে সর্ব সময়ই ইয়াবা কেনা বেচা করছে । হামের নিজস্ব সোর্স রয়েছে তারা কোন প্রকার পুলিশি উপস্থিতি বা আনাগোনা টের পেলেই আস্তে করে মোবাইলে সতর্ক করে দেয় যার ফলে চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী হামে সহ অন্যান্য সহযোগী মাদক বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে ।

    উল্লেখ্য প্রায় এক বছর পূর্বে কোতোয়ালী মডেল থানার স্বনামধন্য দায়িত্ব পালনে সফল সাহসী ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম নিজে সরাসরি অভিযান চালিয়ে হামেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলেও বেশকিছু হাজত বাস করার পর আইনের ফাঁকে জামিনে বেড়িয়ে আসে এবং বেশ কিছু দিন ঘাপটি মেরে থাকার পর আবার সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রমরমা মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে ।

    এলাকা বাসী অভিযোগে জানিয়েছে হামের রয়েছে নিজস্ব সোর্স ও মাস্তান বাহিনী যার ফলে ইচ্ছে থাকা সত্বেও কেউ কোন প্রকার প্রতিবাদ বা মুখ খুলতে সাহস পায়না। বিষয় টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী সচেতন মহলে নানান ধরনের মন্তব্য বয়ে বেড়াচ্ছে ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ১০ মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেলসহ আটক ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ১০টি মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুইজনকে আটক করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের মনাকষা গ্রামের মাস্তানমোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
    আটক ব্যক্তিরা হলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে মো. শাহিন আলম (২০) এবং একই গ্রামের মো. বেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. মাহফুজ (১৭)।

    বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় আটক দুইজনের কোমরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৮টি ভারতীয় মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত আরও ২টি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩,২৪,৪৮৯ টাকা।
    আটক দুইজন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, পুশ-ইন প্রতিরোধ, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, চলতি জুলাই মাসে ৫৩ বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে মোট ৬৬টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ এবং তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫টি মোবাইল চাঁপাইনবাবগঞ্জ কাস্টমস অফিসে এবং ১১টি সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার,১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা উদ্ধার


    মোঃ নাজিম উদ্দিন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের শ্রীপুরের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলমকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তার ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে ১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩’শ টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হবে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের নান্নু মিয়া ওরফে লাল মিয়ার ছেলে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল পৌণে ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড (প্রশিকা মোড়ের) ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    স্থানীয়রা জানান, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও কারাভোগ শেষে জামিনে বের হয়ে এস আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। জাহাঙ্গীর এলাকায় মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, বিশ্বস্ত সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে কেওয়া পশ্চিম খন্ড (প্রশিকা মোড়ের) দক্ষিণ পাশে সাইজুদ্দিনের মালিকানাধীন পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের উত্তর পূর্ব কোনার বেডরুম থেকে তাকে আটক করে। পরে তার ঘর তল্লাশী করে কালো রঙের ব্যাগে রাখা ১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩’শ টাকা উদ্ধার করা হয়। সে এলাকায় চিহ্নিত মাদক সম্রাট। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

    তিনি আরো জানান, গেলো (২০২৫ সালের) বছরের ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কেওয়া পশ্চিম খন্ড (পিয়ার আলী কলেজ) এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান যান পুলিশ। পরে মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ও তার সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা করলে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। ওই সময় হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। সম্প্রতি সে কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় এসে আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। পরে বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    অপরদিকে, শ্রীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পুলিশ আরো চারজন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে। পরে একই দিন তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: নাহিদ নিহাদ নিয়াজ শিশির তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।

    সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তিরা হলেন উপজেলার মাওনা উত্তর পাড়া গ্রামের লাল মিয়াে ছেলে হানিফা (৩০)। তাকে এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ধলাদিয়া এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে লিখনকে (৩৩) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, বরমী গ্রামের আফসার মৃধার ছেলে মিজানুর রহমান শিহাবকে (২৬) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মাওনা ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে আকরামকে (৩২) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ গ্রাম হেরোইন ও ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১০ গ্রাম হেরোইন ও ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সদর থানাধীন লাহারপুর এলাকার আলহাজ্ব ড্রিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    পুলিশ জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মো. আজাহার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালান। এ সময় মো. মনিরুল ইসলাম মনি (৩৫), পিতা- এনারুল ইসলাম, সাং- বারঘরিয়া কাজিপাড়া, থানা ও জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জকে আটক করা হয়।

    পরে তার কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন ও ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি 

    গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

    তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

    ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভার রেলওয়ে স্টেশন রোড এলাকার ঢাকা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, ওই যুবক দিগন্ত ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরিচিত হয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেন। কয়েকজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন, সম্পর্কের সময় ধারণ করা কিছু ভিডিও ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে তারা উদ্বেগে রয়েছেন। তবে এসব কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলে জানা যায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগকারী জানান, তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে মনে করছেন এবং বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, ঘটনার কারণে তারা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট যুবক দিগন্ত ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, “মেয়েরা আমাকে পছন্দ করে বলেই আমার কাছে আসে।” তবে অভিযোগে উত্থাপিত অন্যান্য বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।

    এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো মামলা বা জিডি হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।