Category: অপরাধ

  • গৌরনদী প্রকল্প কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দোসর সালাউদ্দিন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

    গৌরনদী প্রকল্প কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দোসর সালাউদ্দিন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

    বরিশাল ব্যুরো চীফ : 

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে ওই উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যোগদানের পর থেকেই নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠজন দাবি করে অফিসে প্রভাব বিস্তার করতেন। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকে সাবেক হুইপ আসম ফিরোজ বা সাবেক দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা কাজে সুবিধা আদায় করতেন।

    ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক চেয়ারম্যান ও সদস্য অভিযোগ করেন, টিআর, কাবিখা, কাবিটা ও ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ থেকে দোসর মো. সালাউদ্দিন প্রায় ১০ শতাংশ কমিশন নিতেন। স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তিনি কখনো নিজেকে জামায়াতের, আবার কখনো বিএনপির লোক হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেছেন।

    টিআর-কাবিখা প্রকল্পের কয়েকজন সভাপতি ও ইউপি সদস্য (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) জানিয়েছেন, আগের সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে প্রকল্প থেকে কমিশন আদায় করতেন। বর্তমানেও তিনি একইভাবে কমিশন নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার এই কার্যক্রম এখন আশরাফুল নামের এক বহিরাগতকে দিয়ে পরিচালনা করানো হচ্ছে।

    খোঁজে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার বাউফলের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিন ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর গৌরনদী উপজেলায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর এবং পিরোজপুর সদরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জৈন্তাপুরে দায়িত্ব পালনের সময়ও তিনি ব্যাপক অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জনরোষের মুখে তাকে রাতের আঁধারে সেখান থেকে চলে যেতে হয়েছিল। পিরোজপুর সদরে যোগ দিলেও সেখানে অনিয়মের কারণে ছয় মাসের বেশি স্থায়ী হতে পারেননি।

    সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের বেশির ভাগ টাকা তার স্ত্রী, শ্যালক ও শ্যালিকাদের নামে রয়েছে। বরিশালসহ রাজধানীর ঢাকাতেও রয়েছে তার স্ত্রীর নামে পস্নট ও ফ্ল্যাট। এ বিষয়ে জনসার্থে একটি মানবাধিকার সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি দমন সংস্থা (দুদক)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয় অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিন বলেন, “আমিকেন এদেশের অনেকেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন অনেকে ভোল পালটিয়ে অন্য কথা বলছে। তাছাড়া রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি, কাজের জায়গায় কাজ আর চাকরির জায়গায় চাকরি। আপনাদের সাংবাদিকদের আমি ভালো করেই চিনি। দিতে পারলে ভালো, না দিতে পারলে খারাপ। এরপর তিনি সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, সত্যি করে বলেন তো, আপনি যে অফিসে চাকরি করেন সেখানে কি আপনার কোন বেতনভাতা আছে? নাই, তারপরও তো আপনারা ভালোই চলেন। তাই আসেন, নিজেদের ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলি।”

    এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বরিশালের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ;

  • মিরপুর বিআরটিএ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সহকারী পরিচালক ইমরানের বিরুদ্ধে

    মিরপুর বিআরটিএ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সহকারী পরিচালক ইমরানের বিরুদ্ধে

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর-১৩ এ অবস্থিত বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-০১ অফিস দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সেখানে বর্তমানে কর্মরত শেখ মোঃ ইমরান, সহকারী পরিচালক—তার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    দালালচক্রের স্বর্গরাজ্য:
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপুর বিআরটিএ অফিস কার্যত দালালদের দখলে। সাধারণ মানুষ সরাসরি সেবা পেতে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানির শিকার হন। অথচ দালালের মাধ্যমে গেলে অল্প সময়েই কাঙ্ক্ষিত কাজ হয়ে যায়—তবে বিনিময়ে গুনতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। এই দালালচক্রের পেছনে শক্তিশালী মদদদাতা হিসেবে উঠে এসেছে সহকারী পরিচালক শেখ মোঃ ইমরানের নাম।

    ঘুষ-অনিয়মের অঘোষিত নিয়ম:
    অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস নবায়নসহ যেকোনো কাজে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘুষের বড় অংশ নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট মহলে পৌঁছে যায়। ফলে অনিয়ম যেন অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে।

    ভুয়া কাগজে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন:
    আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইমরানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এসব বেআইনি কার্যক্রম সম্ভব নয়। এর ফলে রাষ্ট্র বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, আর সড়কে বেআইনি যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, শেখ মোঃ ইমরান এই অবৈধ ব্যবসা করে গাড়ি-বাড়ি করেছেন। শুধু তাই নয়, টাকার শহরে কয়েকটি বাড়ি এবং ফ্ল্যাটও রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, তার মিরপুরে দুইটি বাড়ি আছে, মোহাম্মদপুর ও বসিলা ব্রিজের আবাসিক এলাকায় কয়েকটি কারখানাও গড়ে তুলেছেন। শুধু তাই নয়, তার স্ত্রী এবং সন্তানদের অনেকেরই ব্যাংক ব্যালেন্স আছে বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

    ভুক্তভোগীদের আর্তনাদ:
    একজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিয়েও আমরা সেবা পাই না। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। দালালের কাছে গেলে সব সহজ, কিন্তু নিজেরা গেলে হয়রানি ছাড়া কিছুই নেই।

    জনমনে ক্ষোভ:
    সচেতন মহল মনে করছে, একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন দুর্নীতি চলতে থাকলে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে পড়বে। তাই অবিলম্বে শেখ মোঃ ইমরানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে জনমনে।

    গণমাধ্যম কর্মী তার কাছে জানতে চাইলে, “আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে, এগুলো কি সত্য না মিথ্যা?”
    সে উত্তরে বলেন, “আমি যদি কারো পক্ষে যাই তাহলে ভালো, আর যদি কোন বিপক্ষে যাই তাহলে আমি খারাপ; অভিযোগের শেষ নেই। কে শুনে কার কথা, তার যে কথা সেই কাজ।” হঠাৎ করে একটি মুঠোফোনে আসলো, “আমার একটি কাজ করে দিতে হবে।” তার চোখের এবং হাতের ইশারায় সে কথাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। মেসেজের মাধ্যমে দুই দালালকে ডেকে তার ফাইলগুলো অন্য রুমে নিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেন।

    ;

  • যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় আবাসিক হোটেল আয়শা মনিতে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

    যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় আবাসিক হোটেল আয়শা মনিতে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার ৩৩৯/এ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ইলিশ কাউন্টার সংলগ্ন একটি ভবনের হোটেল আয়শা মনি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে চলছে দেদারসে অবৈধ কার্যকলাপ।

    ম্যানেজার তোফাজ্জেল ও মালিক সাগর দীর্ঘদিন যাবৎ যাত্রাবাড়ীতে আবাসিক হোটেলের নাম দিয়ে দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে যাতায়াত করে হাজার হাজার মানুষ। দক্ষিণ অঞ্চল থেকে ঢাকায় আসা মানুষজন রাতে থাকার জন্য আবাসিক হোটেলগুলোয় যায়। কিন্তু এসব হোটেলে থাকতে গিয়ে অনেকেই পড়ে বিপাকে, শিকার হয় ব্ল্যাকমেইলের।

    জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় এই অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে হোটেলের মালিক ও ম্যানেজাররা।

    এ বিষয়ে ম্যানেজার তোফাজ্জেল বলেন, “যা করি দেখতেই তো পারছেন। আশেপাশের সবকিছুই ম্যানেজ করেই চলতে হয়। তাছাড়া প্রশাসনের লোকজনও এখানে আসা-যাওয়া করে।”

    মালিক সাগর বলেন, “আমার ঢাকা শহরে আরো অনেক ব্যবসা আছে। দেশের মানুষের সমস্যা হয় না, সমস্যা একমাত্র আপনাদের মতো সাংবাদিকদের। একসময় এসে চা খেয়ে যাবেন।”

    বরিশাল থেকে আসা এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাত বেশি হওয়ার কারণে হোটেল আয়শা মনিতে গিয়ে রুম ভাড়া নেই। কিছুক্ষণ পরেই রুমের বাইরে থেকে দরজায় কিছু মহিলা নক করে। অবস্থা বেগতিক দেখে রাতে না থেকেই চলে আসি।”

    আবাসিক হোটেল আয়শা মনি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    ;

  • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ এর সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

    বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ এর সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন শাখার সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গোপন সূত্রে পাওয়া অভিযোগ ও অনুসন্ধানে প্রতিসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে, যা সাধারণ মানুষ ও লাইসেন্সপ্রার্থী ভুক্তভোগীদের জন্য বড় ধরণের সমস্যা তৈরি করেছে।

    সূত্র জানায়, জিয়াউর রহমান শাখার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় দালালদের প্রাধান্য দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ যিনি সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন, তারা বারবার অফিস থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীরা বাধ্য হয়ে দালালদের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই প্রক্রিয়ায় জিয়াউর রহমান সরাসরি দালালদের সুবিধা দিয়েছেন এবং ঘুষ নেওয়ার মাধ্যমে সরকারি সেবা দখল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এক ভুক্তভোগী বলেন,
    “আমরা সকল প্রক্রিয়া ঠিকঠাক মেনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয়নি। যারা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, তারা সহজেই লাইসেন্স পান, অন্যদের শুধু ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।”

    অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউর রহমান:

    • লাইসেন্স ইস্যু প্রক্রিয়ায় দালালদের নিয়ন্ত্রণ দিয়েছেন।

    • সাধারণ আবেদনকারীদের লম্বা সময় ধরে অপেক্ষায় রাখা হয়েছে।

    • সরকারি ফি ও প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করে দালালদের মাধ্যমে লাইসেন্স বিক্রি বা ইস্যু করানো হয়েছে।

    • ভুক্তভোগীদের ওপর প্রশাসনিক বাধা সৃষ্টি করেছেন।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, জিয়াউর রহমান সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে শাখার অন্যান্য কর্মকর্তা বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছেন।

    প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান,
    “যদি সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে এতদিন কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা জনগণের জন্য উদ্বেগজনক।”

    ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, জিয়াউর রহমানের কারণে সরকারি লাইসেন্স প্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। দালালদের মাধ্যমে লাইসেন্স ইস্যু প্রক্রিয়া চালু থাকায়, সাধারণ মানুষ প্রশাসনিক অবহেলা ও দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন।

    ;

  • ঘুষ বাণিজ্যে অব্যাহত চট্টগ্রাম বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রায়হানা আক্তার উর্থী

    ঘুষ বাণিজ্যে অব্যাহত চট্টগ্রাম বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রায়হানা আক্তার উর্থী

    স্টাফ রিপোর্টারঃ


    ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি হলেও এখনো চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) রায়হানা আক্তার উর্থী।

    ২০২৫ সালের ৭ মে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ অভিযান চালায়। এ সময় রায়হানা আক্তার উর্থীর অফিসেও তল্লাশি করা হয়। সেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিটসহ বিভিন্ন সেবায় ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ মেলে।

    সূত্র জানায়, রায়হানা আক্তার উর্থী এর আগে চট্টগ্রাম মেট্রো সার্কেল-১ ও ২ এবং জেলা সার্কেল মিলিয়ে প্রায় ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আবারো চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে কর্মরত।

    অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি সবসময় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময় চাকরিতে যোগদানকারী এই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ মহলে পরিচিত। চাকরিজীবনের পুরোটা সময় মূলত চট্টগ্রাম ও ঢাকা হেড অফিস ছাড়া অন্য কোথাও বদলি হননি।

    সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণেই তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ সার্কেলে টিকে থাকতে পেরেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সরকার পরিবর্তনের পরও রায়হানা আক্তার উর্থী ঘুষের মাধ্যমে সেবা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসের মতো সেবা ঘুষ ছাড়া কোনোভাবে অনুমোদন করা হয় না। তার অফিস কক্ষ সবসময় বন্ধ থাকে এবং দালাল ছাড়া সেখানে প্রবেশ করা যায় না।

    ঘুষের বিনিময়ে মালিক বা যানবাহন উপস্থিত না থাকলেও কাগজপত্রে রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এসব সেবার সময় মালিক ও যানবাহনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

    একজন ভুক্তভোগী জানান, দালাল ছাড়া ফাইল জমা দিলে নানা অজুহাতে তা ফেরত দেওয়া হয়। অথচ দালালের মাধ্যমে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিলে ত্রুটিপূর্ণ কাগজও অনুমোদন হয়ে যায়।

    এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। ভুয়া ফিটনেস সনদ, নকল রেজিস্ট্রেশন ছাড়পত্র, সরকারি সিল জালিয়াতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের একাধিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

    সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভারদের রানার কার্ডে কিছু না লিখেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে। পরে দালালরা যাদের নাম রাত্রে লিখে রাখে, তারাই পাশ করছে।

    একজন ভুক্তভোগী বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য ড্রাইভার কেঁদে ফিরে যায় এখান থেকে। টাকা না দিলে দক্ষ চালকরাও ফেল হয়ে যায়, আর টাকা দিলে নামমাত্র পরীক্ষা দিয়েই পাশ।”

    দালালরা প্রতিজন চালকের কাছ থেকে ৩,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নেয়।

    এভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন রায়হানা আক্তার উর্থী ও তার দালাল চক্র।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তার নামে-বেনামে ঢাকায় রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি, এছাড়াও ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকার অপ্রদর্শিত অর্থ মজুদ রয়েছে।

    চট্টগ্রামের সৎ কর্মকর্তা ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত এই কর্মকর্তাকে দুর্নীতির অভিযোগে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    ;

  • চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির শাসন চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন

    চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির শাসন চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চট্টগ্রাম মেট্রো-২ অফিসের মালিকানা বদল শাখায় অব্যাহত রয়েছে দাপট ও দুর্নীতির রাজত্ব। এখানে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল মতিন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন পূর্বে যশোর ও পিরোজপুর বিআরটিএ অফিসেও একই কৌশলে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম করেছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এখন চট্টগ্রাম অফিসে একই প্যাটার্নে সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এবং দৌরাত্ম্য চালাচ্ছেন। চট্টগ্রামে মোটরযান পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমও মূলত তার নিয়ন্ত্রণাধীন বলে জানা গেছে।

    ভুক্তভোগীরা জানান, যশোর ও পিরোজপুরে মোটরযান পরিদর্শকের পদ শূন্য থাকায় তিনি নিজেই সকল কাজ দেখাশোনা করতেন, আর কারো মাথায় হাত তোলা হত না। এই সব সুযোগ-সুবিধা তাকে দিয়েছে তার ক্ষমতাধর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তথা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এডি হবিগঞ্জ আব্দুর রশিদের নাম তার পেছনে জড়িয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, এডি হবিগঞ্জই তার ‘ক্লোজ রিলেটিভ’ এবং সেই সম্পর্কের জোরে আব্দুল মতিন এ অবস্থানে রয়েছে।

    সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানায়, এখানে নিয়ম কানুন না মেনেই তাদের বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হয়। কেউ যদি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন, তাদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের জন্য গড়ে তুলেছেন বহুমূল্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ। চাকরি ও বদলির নামে তদবির ব্যবসাও চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন, যেখানে ঘুষের বিনিময়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ইচ্ছেমতো বদলি করিয়ে দেন।

    অভিযোগের সত্যতা জানতে চেয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মতিন বেশ কিছু অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।

    চট্টগ্রাম থেকে আমাদের প্রতিবেদক এই বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী সংখ্যায় আরও বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের। কারণ, দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সেবা নিতে গিয়ে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

    চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ;

  • টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজনকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজনকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: 

    টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজন মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চর পাকুল্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    এ ঘটনায় রাতে আহত সুজন মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চর পাকুল্যা গ্রামে হাডুডু খেলা খেলা চলছিলো। এসময় সুজন মিয়া খেলার নিউজ কাভার করছিলেন। এক পর্যায়ে খেলার রেফারীর ছেলে রোমান সুজনকে অশ্লীল গালিগালাজ করে।
    সুজন এর প্রতিবাদ করলে রোমান প্রথমে মুখে এলোপাথারী ভাবে কিল ও ঘুষি মারে। পরে আরো কয়েকজন মিলে সুজনকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারীভাবে শরীরের বিভিন্নস্থানে পিটাতে থাকে। এসময় সুজনের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় সুজন।
    এ ব্যাপারে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজন মিয়া বলেন, খেলার নিউজ কাভারের এক পর্যায়ে হঠাৎ করেই আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত মনে হয়েছে আমার।
    এক পর্যায়ে আমাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয় তারা। আমি এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। আমি দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি করছি। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ;

  • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে নতুন দানবের আগমন, নিয়োগ বাণিজ্য সম্পন্ন করার জন্য (ডিএডি জলিল)

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে নতুন দানবের আগমন, নিয়োগ বাণিজ্য সম্পন্ন করার জন্য (ডিএডি জলিল)

    ওয়াহিদ হোসেন: 

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের রিফর্ম সেলে উন্নয়নের কথা বলে (মূল পোস্টিং বগুড়া) বগুড়া জেলা খালি রেখে উপসহকারী পরিচালক আ. জলিলকে ঢাকা নিয়ে এসেছেন অধিদপ্তরের গুটিকয়েক অফিসার তাদের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য। কে এই জলিল? তিনি একাধারে দীর্ঘদিন সিনিয়র স্টেশন অফিসার হিসাবে সিদ্দিকবাজারে কর্মরত ছিলেন এবং সাবেক ডিজি আলী আহমদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। তার কথা ছাড়া সাবেক ডিজি চলতেন না। সেই সুযোগে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য—এমন কিছু নাই যা সে করেনি।

    সে অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখায় ডিএডি হিসাবে কর্মরত থাকার সময় ৫০ কোটি টাকার হিসাব দিতে না পারায় তাকে বগুড়া বদলি করা হয়। পুরো টাকা তিনি একাই আত্মসাৎ করেন, কোটি কোটি টাকা আয় করে ডলার বানিয়ে তার আমেরিকা প্রবাসী ভাইয়ের নিকট পাঠান, ভাই আবার দেশে পাঠায়। এ ছাড়া সে নিজেকে ব্যাপক বুদ্ধিজীবী মনে করে ফায়ার সার্ভিসকে ধ্বংসের পায়তারা করছে।

    ইতিমধ্যে মহাপরিচালক মহোদয়—যিনি একজন ভদ্রলোক—তাকে কুবুদ্ধি দিয়ে ৪২ কোটি টাকা ফেরত প্রদান করেছেন কোনো কেনাকাটা না করে। ফলে গামবুট, হেলমেট, ডেলিভারি হোজ, ব্রাঞ্চ পাইপের অভাবে ভুগছে স্টেশনগুলো। তিনি কৌশলে বদলি ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন। তা ছাড়া সমস্ত দলবাজীর অন্যতম হোতা এই জলিল। দ্রুত গতিতে তাকে অধিদপ্তর থেকে না সরালে যেকোনো মুহূর্তে বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

    সমস্ত অফিসার হতবাক—এই দালাল কিভাবে আবার অধিদপ্তরে এল? এ বিষয়ে তাকে ফোন করলে বলেন, “সুযোগ ছিল, টাকা কামাইছি, আপনার সমস্যা কি?”

    পরবর্তীতে থাকবে বিস্তারিত… চলবে।

    ;

  • চানখাঁরপুলের গণহত্যা: ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিল

    চানখাঁরপুলের গণহত্যা: ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিল

    অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন বিভাগ।

    রোববার ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করার মধ্য দিয়ে এ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচারপতি গোলাম মোর্তোজা মজুমদারের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের বেঞ্চে এটি দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন বিভাগ।

    অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম ও মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে শেষের চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল এই মামলায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।;

  • অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা

    অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা

    স্টাফ রিপোর্ট :  খাগড়াছড়িতে বিজু উৎসব থেকে ফেরার পথে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিবেক চাকমা।

    মুক্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- পিসিপি চবি শাখার সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিশন চাকমা, চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অলড্রিন ত্রিপুরা, একই বিভাগ ও একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মৈত্রীময় চাকমা, নাট্যকলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দিব্যি চাকমা এবং প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লংঙি ম্রো।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপহৃত পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল ব্যক্তি ও ছাত্রসংগঠন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তোলেন। অবশেষে ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়ে অপহরণকারীরা কয়েক দফায় মুক্তি দিয়েছে।

    বিবৃতিতে পিসিপি শিক্ষার্থীদের মুক্তির আন্দোলনে সোচ্চার থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

    পাঁচ পাহাড়ি শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় শুরু থেকে ইউপিডিএফকে দায়ী করে আসছে জেএসএস–সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি নিপুন ত্রিপুরা। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ইউপিডিএফের অন্যতম জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা।;