Category: অপরাধ

  • মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও অবৈধ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সেরাটন’ নামের এই হোটেলটি আসলে মাদক ব্যবসা এবং ব্ল্যাকমেইলিং-এর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হোটেলটির মালিক হাসান ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যকলাপে লিপ্ত।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটিতে আসছে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগে তাদের চাঁদা আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হোটেলটিতে নিয়মিত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবন করা হচ্ছে। এ কারণে আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহল চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই হোটেলে নীরবভাবে মাদক বিক্রি ও ব্ল্যাকমেইলিং হচ্ছে। বহু পরিবার এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

    অপরদিকে, মিরপুর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছি, হোটেলটি বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে।”

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী হোটেলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, “যদি প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশেপাশের এলাকা অনিরাপদ হয়ে যাবে। হোটেলটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।”

    এ ঘটনা রাজধানীর মিরপুরের শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এই ধরনের অপরাধের শিকার না হন।

  • ‎নবীনগরে উপজেলা বিএনপির নেতা মকুল গুলিবিদ্ধ।

    ‎নবীনগরে উপজেলা বিএনপির নেতা মকুল গুলিবিদ্ধ।

    শাহ পরান: (উপজেলা প্রতিনিধি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার পদ্মপাড়ায় আজ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত বিএনপি নেতা ও যুবদলের সাবেক আহবায়ক মফিজুর রহমান মকুলকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা- কর্মীরা।

    ‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে নিজ এলাকায় অবস্থানকালে একদল অজ্ঞাত দূর্বৃত্ত মুকুলের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।
    ‎
    ‎ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “গুলিবিদ্ধের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে।”
    ‎

  • রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে”—হত্যার অভিযোগে বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে মামলা

    রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে”—হত্যার অভিযোগে বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে মামলা

    শেখ মামুনুর রশীদ মামুনঃ ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের বুকে নেমে এসেছে এক বেদনাময় অন্ধকার—ভাইয়ের হাতে ভাই খুন! জমিজমার ছোট্ট টুকরো নিয়ে শুরু হওয়া দ্বন্দ্ব শেষ হলো মৃত্যুতে। আর এখন,নিহতের তরুণ স্ত্রী তানজিলা আক্তার বুকফাটা কান্নায় একটাই দাবি করছেন—“আমার স্বামীকে তারা পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে মেরেছে। আমি ন্যায়বিচার চাই—যে করেই হোক!” নিহতের নাম আজহারুল ইসলাম চুন্নু (৩২)। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে,গত ১৬ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে,শম্ভুগঞ্জে নিজ বাড়িতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাই মাজহারুল ইসলাম সুমন (৩৫) ও ভাবি জান্নাত আক্তার (৩০) লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই বিকট সংঘর্ষে শুধু রক্ত নয়—ভ্রাতৃত্বের বন্ধনটাও ছিন্ন হয়ে যায়!
    চুন্নুর ছোট ভাই আব্দুল করিম রনি (২৫) মাথায় রডের আঘাতে গুরুতর আহত হয়।
    চুন্নু এগিয়ে এলে—“তুই আর বেঁচে থাকতে পারবি না!” চিৎকার করে বলে রডের আঘাতে তার মাথার পেছনে সজোরে আঘাত করে সুমন!
    মুহূর্তেই রক্তে ভেসে যায় উঠান। চুন্নুর হাত-পা-কোমর ভেঙে দেয় পাষণ্ডরা।

    স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়, রেখে যায় রক্তাক্ত ভাইটিকে মাটিতে লুটিয়ে।
    প্রথমে তাকে চরপাড়া রাজধানী ক্লিনিকে,পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    সেখানে ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টায়, চিকিৎসকরা ঘোষণা দেন—“তিনি আর নেই…”

    এক ভাইয়ের হাতে আরেক ভাইয়ের মৃত্যু!
    এ কেমন নির্মম পরিণতি? ভ্রাতৃঘাতী এই ঘটনার পর শম্ভুগঞ্জে এখন নেমেছে শোক আর ক্ষোভের ছায়া।
    স্থানীয় এক প্রবীণ নাগরিকের কণ্ঠে ক্ষোভ—
    “যেখানে ভাইয়ের হাতে ভাই মরতে হয়,সেখানে সমাজে মানুষ বাঁচবে কীভাবে? প্রশাসন যদি এখনই ব্যবস্থা না নেয়,এরা আবারও হত্যা করবে!”
    নিহতের স্ত্রী তানজিলা আক্তার বলেন,“আমার স্বামীকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। দিন দুপুরে মারতে মারতে রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে। এখন তারা পলাতক—আমি আমার স্বামীর হত্যার ন্যায়বিচার চাই।”

    এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে কোতোয়ালী মডেল থানায় তিনি একটি এজাহার দায়ের করেন। থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন,“এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—কেন এখনো অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে?
    –কবে তাদের গ্রেপ্তার হবে?
    –আর কত পরিবার এভাবে ভাইয়ের হাতে ভাইকে হারাবে? স্থানীয়দের দাবি—
    “এই হত্যার বিচার না হলে শম্ভুগঞ্জে আর কোনো ভাই নিরাপদ থাকবে না!”

    চুন্নুর লাশ এখন শীতল মাটি,কিন্তু তার স্ত্রীর চোখের আগুন নিভে যায়নি—সেই আগুনই এখন শম্ভুগঞ্জবাসীর বুকেও জ্বলছে! তারা একটাই স্লোগান তুলেছে— “ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের বিচার চাই—বিচার চাই, বিচার চাই!”

  • আশুলিয়ায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন :
    ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবৈধ দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গানসহ রাকিব (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তার সহযোগী সহিদ (৪০) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম।

    গ্রেপ্তারের ঘটনা

    পুলিশ জানায়, বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে বাইপাইল কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনীর একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়।

    অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দু’জন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। তাদের মধ্যে রাকিবকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়, তবে সহিদ দৌড়ে পালিয়ে যায়।

    উদ্ধারকৃত অস্ত্র

    গ্রেপ্তার রাকিবের কাঁধে ঝোলানো একটি কালো স্কুলব্যাগ তল্লাশি করে দেশীয় তৈরি একটি পুরাতন ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার রাকিব নরসিংদীর রায়পুরা থানার মধ্যনগর এলাকার আবু সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। অপরদিকে পলাতক সহিদ নরসিংদীর বালুরচর এলাকার বাসিন্দা।

    পুলিশের বক্তব্য

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আমরা অবৈধ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগ

    পুলিশ জানায়, এলাকায় অস্ত্রবাজ ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। অপরাধী সহিদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    ;

  • ধামরাইয়ে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

    ধামরাইয়ে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন :
    ঢাকার ধামরাইয়ে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার ব্যবহৃত প্রতারণার কাজে লাগানো মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

    রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধামরাইয়ের ছোট চন্দ্রাইল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতের নাম উজ্জল মিয়া ওরফে জাহিদ (৩৫)। তিনি ধামরাইয়ের ছোট চন্দ্রাইল গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে।

    ডিবি পুলিশ জানায়, উজ্জল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রত্যাশীদের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকার বিনিময়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন।

    ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত উজ্জল মিয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করছিল। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।”

    ;

  • আশুলিয়ায় ১২ মামলার আসামিসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ১২ মামলার আসামিসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

     

    আলমাস হোসাইন :

    ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ১২ মামলার আসামিসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:

    মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৫), পিতা মৃত আব্দুল মজিদ, বাড়ি ঘোষবাগ পশ্চিমপাড়া, আশুলিয়া।

    মো. সবুজ (৪১), পিতা মৃত আব্দুল বারেক, বাড়ি কেদারপুর, বাবুগঞ্জ, বরিশাল। তিনি আশুলিয়ার নবীনগর কুরগাঁও এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

    ঘটনার বিস্তারিত:

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় রিয়াজ ও সবুজকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

    রিয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১২ মামলা:

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে মো. রিয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় কমপক্ষে ১২টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৯টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা।

    আইনি ব্যবস্থা:

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    1. ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    ;

  • কুড়িল লেক ভিউ আবাসিক হোটেলে মাদক, জুয়া ও নারী দেহ ব্যবসা

    কুড়িল লেক ভিউ আবাসিক হোটেলে মাদক, জুয়া ও নারী দেহ ব্যবসা

    স্টাফ রিপোর্টার  :

    ঢাকার ভাটারা থানার কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কুড়িল লেক ভিউ আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে। হোটেলের মালিক মোলহোতা হৃদয় গঙ্গরা। হোটেলের তিনতলায় মাদক ও জুয়া খেলা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রশাসন থাকলেও দেখেও না দেখার ভান করছে।

    হোটেলে চলমান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে নারী দেহ ব্যবসাও। হোটেলের কক্ষের ছবি ও কয়েকটি মোবাইল নম্বর কার্ডে উল্লেখ থাকে, তবে ঠিকানা থাকে না। শুধুমাত্র এলাকার নাম থাকে, এবং “আসার আগে ফোন দিন” লেখা থাকে।

    প্রতিবেদনকারীর অনুসন্ধান অনুসারে, কার্ডে থাকা নম্বরে ফোন করলে বিস্তারিত ডিরেকশন দেওয়া হয়। হোটেলে পৌঁছালে আগে থেকে প্রস্তুত থাকা কয়েকজন পিছু নেয়। উপরের তলায় গেলে ‘ভাই’ নামে এক ব্যক্তি বিভিন্ন বয়সের মেয়েদের সরাসরি প্রস্তাব দেয়। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় সারারাত থাকতে পারার অফারও দেওয়া হয়।

    প্রশ্ন করলে তারা জানান, সব কার্যক্রম ম্যানেজ করা হয়, কেউ বাধা দেয় না। কার্ডে থাকা নামগুলো মূলত দালালের। দালালরা যৌনকর্মীদের কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেয় বা বাসায় সরাসরি সাপ্লাই করে। ঠিকানা দেওয়া হয় না, কারণ দালালরা নিজেই কাস্টমার নিয়ে আসে।

    যুবকদের কথায়, এই কাজে যারা যুক্ত তারা দিনে ৪–৫শ টাকা পান। প্রয়োজনে বড় ‘ভাই’দের শেল্টারও দেওয়া হয়। কার্ডগুলো হোটেলের দেয়ালে সাজানো হয়, যেখানে শিশু কিশোররাও যুক্ত থাকে। দালালদের নিয়ন্ত্রণকারী বা বড় ‘ভাই’দের নাম কেউ প্রকাশ করে না।

    ;

  • বনানীতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ: এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ

    বনানীতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ: এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ

    ঢাকা প্রতিবেদক:

    রাজধানীর বনানী এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত রবিন ও মোশারফ গঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে বনানীর রাজিয়া ভবনের নিচতলায় এসব কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বনানীর বাড়ি নং-৮২, রোড নং-১৭, ব্লক-ই, জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের বিপরীতে অবস্থিত রাজিয়া ভবনের নিচতলা বহুদিন ধরেই অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, এখানে রাতের পর রাত বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চলে, যা স্থানীয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে নষ্ট করছে।

    এলাকাবাসী জানান, এই কার্যক্রমের কারণে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারাচ্ছে। পরিবারের নারী-পুরুষরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং শিশু-কিশোররাও খারাপ পরিবেশের প্রভাবের মুখে পড়ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, রবিন ও মোশারফ গঙ্গা তাদের রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে এসব কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এ আশ্রয়ে মাদক ব্যবসা, দেহ ব্যবসা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে থাকায় পুরো এলাকা ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    এলাকাবাসী জানিয়েছেন, “আমরা প্রতিদিন ভোগান্তিতে আছি। রাতের বেলা শব্দদূষণ, ঝগড়া-বিবাদ, অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা—এসব কারণে আমাদের পরিবার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।”

    তারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এবং বলেছেন, অবিলম্বে এই অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ না করলে বনানীর সামাজিক পরিবেশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ইতিমধ্যেই বিভিন্নভাবে উচ্চ পর্যায়ে অবহিত হয়েছেন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    এলাকাবাসী মনে করছেন, দ্রুত ও কড়াকড়ি ব্যবস্থা নিলে বনানীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।

    ;

  • রাজধানীর ওএমএস ডি-১ জোনে সরকারি চাল ও আটার ট্রাক সেলে অনিয়মের অভিযোগ

    রাজধানীর ওএমএস ডি-১ জোনে সরকারি চাল ও আটার ট্রাক সেলে অনিয়মের অভিযোগ

    কাউসার আহমেদ পনির:

    রাজধানীর ওএমএস ডি-১ জোনে সরকারি চাল ও আটার ট্রাক সেলে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ধোলাইপাড় কবরস্থান এলাকায় ডিলার করিম উদ্দিন ভাড়া চালায় হাবিব। জানা যায়, গত রবিবার সরকারি চাল ও আটার ট্রাকের সম্পূর্ণ মাল বিক্রি হওয়ার আগেই ট্রাক নিয়ে চলে যায়, ফলে স্থানীয় দরিদ্র জনগণ সময়মতো পণ্য গ্রহণে ব্যর্থ হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিলার করিম উদ্দিন নিয়মিতভাবে সরকারি চাল ও আটার ট্রাক নিয়ন্ত্রণ করে নিজ স্বার্থে মাল বিক্রি করছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং প্রশাসনের কার্যক্রমের স্বচ্ছতার প্রতি প্রশ্ন তুলেছে।

    ট্রাক সেল ঘিরে অনিয়ম
    সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ট্রাক সেল চালু থাকার কথা থাকলেও এসব ডিলারদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ট্রাক দুপুর  হতেই বিক্রয় স্থান ত্যাগ করে। অথচ ট্রাকেই থেকে যায় বিপুল পরিমাণ চাল ও আটা। ফলে প্রকৃত দরিদ্র জনগণ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য পাচ্ছেন না। অন্যদিকে সেই চাল পরে বাজারে উচ্চ দামে বিক্রি হতে দেখা যায়।

    ডি-১ এর এআরওর মন্তব্য
    ডি-১ এর এআরওকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, “আমি এ বিষয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।” তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, এই ধরনের অনিয়ম পুনরায় ঘটতে পারে যদি কঠোর নজরদারি ও তদন্ত করা না হয়।

    প্রশাসনের করণীয়
    বিশ্লেষকরা মনে করেন, ওএমএস কার্যক্রমে যদি স্বচ্ছতা ও তদারকি নিশ্চিত না করা যায়, তবে তা সরাসরি গরিব মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারী করার হাতিয়ার হয়ে উঠবে। স্থানীয়রা চাইছেন, একমাত্র দাবি হলো একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সকল ডিলার ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীদের হুমকি
    এই দুর্নীতি অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে ফোন করলে ডিলাররা সরাসরি হুমকি দিয়েছেন। একজন ডিলার বলেন, “আরেকবার ফোন দিলে চাঁদাবাজির মামলায় জেলে ঢুকিয়ে দেব।” অভিযোগে বলা হয়েছে, এনামুল হক, মামুন খান ও ফজলুল হক সবচেয়ে বেশি হুমকিদাতা হিসেবে পরিচিত।

    ভুক্তভোগীদের অভিমত
    প্রতিদিন সরকারি চাল-আটার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে থাকা মানুষ বলছেন, তারা চায় না ওএমএস কর্মসূচি বন্ধ হোক—তারা চান শুধু দুর্নীতি বন্ধ হোক। তাদের দাবি, সরকারি ত্রাণ যেন প্রকৃত দরিদ্রদের হাতে পৌঁছায়, সে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    ;

  • ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করায় অধ্যক্ষের পক্ষ হতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সংবাদ সম্মেলন।

    ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করায় অধ্যক্ষের পক্ষ হতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সংবাদ সম্মেলন।

    স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আবুল হায়াত

    ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও অসত্য তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মরিয়ম বেগম।

    রবিবার (৮ই সেপ্টেম্বর ) বিকালে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এডহক কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকগন।

    অধ্যক্ষ জনাব মরিয়ম বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি দীর্ঘদিন সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে আসছি । গত প্রায় ১০ বছর এই স্কুলে চাকুরীকালীন আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিলনা।

    হঠাৎ একটি চক্র ও আমার স্কুলের প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক জনাব সৈয়দা আরিফুন নাহার, সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো: মনিরুজ্জামান হাওলাদার, সহকারী শিক্ষক জনাব হোসেন আফরোজ আরা শিল্পী, সহকারী শিক্ষক হাসনা খানমসহ কতিপয় বিপথগামী শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছক আকতে থাকেন। তারা 5 আগস্টের পর মব সৃষ্টি করে অধ্যক্ষের কক্ষে থাকা আলমারি ভেঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন নথি, 03টি ল্যাপটপ, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় যার ভিডিও সংরক্ষন করা আছে।
    ভিডিওটি দেখে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক সৈয়দা আরিফুন নাহারকে দু দুবার শোকজ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে এসব মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমাকে হয়রানি ও মিডিয়াকে অসত্য তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমার প্রতিষ্ঠান ও আমাকে হেও করার চেষ্টা করেছে ফলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। অপরদিকে সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো: মনিরুজ্জামান হাওলাদারের অনিয়ম ও দূনীতির কারনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর(মাউশি) কর্তৃক তাকে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদান করার পর তিনি রাগের বশবর্তি হয়ে তার অনুগত শিক্ষকদের মাধ্যমে এখনো প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। ডিআইএ কর্তৃক তদন্ত রিপোর্টে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মসহ তিনকোটি উনিশ লক্ষ টাকা আত্নস্যাৎতের বিষয়ে রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন।
    তিনি এসব ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তেরও দাবি জানান সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে।;