Category: প্রচ্ছদ

  • আহত সাংবাদিক জামালকে দেখতে হাসপাতালে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

    টেকনাফ,কক্সবাজার প্রতিনিধি:
    টেকনাফে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত সাংবাদিক জামালকে দেখতে কক্সবাজারের আল ফুয়াদ হাসপাতালে গেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

    বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন আবুল হোসেন, টিম লিডার শফিকুল ইসলাম ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদসহ নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে আহত সাংবাদিকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

    এ সময় তারা সাংবাদিক জামালের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

  • সুনিবিড় হাউজিং রেড়িবাঁধ এলাকায় ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি না করে ট্রাক নিয়ে পালানোর অভিযোগ

    সুনিবিড় হাউজিং রেড়িবাঁধ এলাকায় ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি না করে ট্রাক নিয়ে পালানোর অভিযোগ

    আশরাফুল আলম: রাজধানীর সুনিবিড় হাউজিং রেড়িবাঁধ এলাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির চাল ও আটা নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি না করে ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডিলার ফারুক আলমের বিরুদ্ধে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত স্থানে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রির জন্য ট্রাক নিয়ে আসার কথা ছিল ডিলারের। কিন্তু রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যেই ডিলার ফারুক আলম ট্রাকটি নিয়ে ওই স্থান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সরকারি মূল্যে চাল ও আটা কিনতে আসা নিম্নআয়ের মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি না করে তা কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ডিলার ফারুক আলমের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    ঘটনার বিষয়ে জানতে ফারুক আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদারককারী তাহমিনা আবেদীন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি দেখছি।’ বলে ফোনটি কেটে দেন।

    ওএমএস কর্মসূচির আওতায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হয়। ফলে নির্ধারিত স্থানে পণ্য সরবরাহ ও সঠিকভাবে বিক্রি না হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত করে দেখা হোক। সরকারি খাদ্যপণ্য নির্ধারিত নিয়মে বিক্রি না করে অনিয়ম বা কালোবাজারির কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • বিআরটিএ মিরপুর সার্কেল-১-এ দালালচক্রের দাপট, অতিরিক্ত টাকা না দিলে হয়রানির অভিযোগ

    বিআরটিএ মিরপুর সার্কেল-১-এ দালালচক্রের দাপট, অতিরিক্ত টাকা না দিলে হয়রানির অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয় ঘিরে ঘুষ, অনিয়ম, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে আসা একাধিক গ্রাহকের অভিযোগ, মোটরযান পরিদর্শক খলিল হাসানের সহযোগী হিসেবে পরিচিত নাজমুলের নেতৃত্বে একটি চক্র বিভিন্ন সেবা নিতে আসা মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, বিআরটিএর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করার পরও অনেক ক্ষেত্রে সেবা পেতে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাইল আটকে রাখা, গাড়ির পরীক্ষায় অযথা ত্রুটি দেখানো এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাপ্রার্থী।

    সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মিরপুর মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়ে দালালদের একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক রয়েছে। তাদের মাধ্যমে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়। ফলে সরকারি নিয়মে সরাসরি সেবা নিতে গিয়ে অনেকেই নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে কোনো কোনো গাড়িকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ত্রুটি দেখিয়ে ব্যর্থ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ফাইল আটকে রেখে গ্রাহকদের দালালদের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে।

    এদিকে, এসব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদেরও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে বিষয়টি জানতে গেলে নাজমুল ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দালালচক্রের প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাদের দাবি, বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    অন্যদিকে, নাজমুলের বিরুদ্ধে অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ছিল বলেও স্থানীয় কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    অভিযোগের বিষয়ে মোটরযান পরিদর্শক খলিল হাসান ও নাজমুলের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

    সেবাপ্রার্থীদের দাবি, বিআরটিএর মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘুষ, অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

    এখন প্রশ্ন—সাধারণ গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করতে মিরপুর মেট্রো সার্কেল-১-এর কথিত দালালচক্রের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কবে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে?

  • বন্যা কবলিত মানুষের পাশে পাবনা ও চট্টগ্রাম সৎসঙ্গের উপহার সামগ্রী বিতরণ


    রাঙ্গুনিয়া (রাঙ্গুনিয়া) প্রতিনিধি
    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বন্যা কবলিত বানবাসি মানুষের পাশে দাড়িয়েছে শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ, হিমাইতপুর পাবনা, বাংলাদেশ প্রধান কার্যালয়। চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গ শাখার ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মতো রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন মঠ মন্দিরের বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় গরীব ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

    গত ২৫ জুলাই শনিবার বিকেল ৩ টায় পুর্ব কদমতলী জ্বালা কুমারী মাতৃ মন্দির থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়। পরে উত্তর রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন মঠ মন্দিরে উপহার সামগ্রী পৌছে দেন। সৎসঙ্গের এ উপহার সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম মাসব্যাপী চলমান থাকবে টিমের সদস্যরা জানায়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ হিমাইতপুর, পাবনা শাখার সাধারন সম্পাদক তাপস চন্দ্র বর্মন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজীব সিংহ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক লায়র অনিমেষ রায় চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গের সাধারণ সম্পাদক সুমন বোস বাদশা, সহ সাধারন সম্পাদক দোলন কুমার দে, কদমতলী শাখার সভাপতি ডাঃ নারায়ন চন্দ্র দাশ সহ আরো অনেক ইস্টপ্রান ভক্তবৃন্দ দাদারা প্রমুখ।

  • ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
    যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ-বাংলাদেশী কাউন্সিলর(সাবেক) বিশ্বনাথের ইছমাইল হোসেন সিরাজী উদ্দিন লিডস ইউনিভার্সিটি থেকে ‘পলিটিক্স’ বিষয়ে সর্বোচ্চ সম্মানসহ ব্যাচেলর অফ আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ২৪ জুলাই শুক্রবার বাবা – মায়ের উপস্থিতিতে বার্ষিক সমাবর্তনে ইউনিভার্সিটির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই ডিগ্রী অর্জন করেন।

    ইছমাইল উদ্দিন ২০০৪ সালে ১৪ জুলাই ব্রিটেনের ব্রাডফোর্ড সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বনাথের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার কারিকোনা গ্রামের অধিবাসী যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ড সিটির বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা মোঃ জমির উদ্দিন ও গৃহিণী আছমা খাতুনের জ্যৈষ্ঠ পুত্র। ৬ ভাই বোনের মধ্যে ইছমাইল উদ্দিন বাবা-মায়ের ৩য় সন্তান ।

    ছেলেবেলা থেকে প্রখর মেধার অধিকারী ইছমাইলের মধ্যে তার সহপাঠীরা ও স্কুলের শিক্ষকরা নেতৃত্বের গুণাবলী দেখতে পাওয়ায় তাকে হ্যানসন একাডেমীর ডেপুটি হেড বয় নির্বাচিত করা হয়। এরপর প্রতিভা ও নেতৃত্বের অসাধারণ গুণাবলীর কারণে তাকে ডিক্সনস সিক্সথ ফর্ম’-এর ১ম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া সে লিডস ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের স়ংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ইছমাইল ছাত্র থাকা অবস্থায় ব্রাডফোর্ড সিটীসহ যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন টাউনে ফিলিস্তিনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কথা বলতে থাকেন। মানবতার পক্ষে একজন উদীয়মান তরুণ ইছমাইলের জ্বালাময়ী বক্তব্য ব্রাডফোর্ড সহ পার্শ্ববর্তী সিটির সকল শ্রেণীর মানুষকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হন।

    ইছমাইলের বয়স যখন মাত্র ১৯ অর্থাৎ ২০২৪ সালে তখন ব্রিটেনের মেইন ষ্ট্রিম পলিটিক্সের সাথে জড়িত বড় বড় দলগুলি তাকে সিটি অফ ব্রাডফোর্ড মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলে কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন দিতে চায়। কিন্তু ইছমাইল কোন দলের পক্ষে নমিনেশন না নিয়ে ব্রাডফোর্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রুপ থেকে বোলিং অ্যান্ড বার্কারেন্ড এলাকা থেকে বিপুল ভোটে ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়। মাত্র ১৯ বছর বয়সে সারা যুক্তরাজ্যে ১ম ব্রিটিশ-বাংলাদেশী ও সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর হয়ে ইতিহাস গড়ার গৌরব অর্জন করেন ।

    তিনি ২০২৪-২০২৫ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ইছমাইলের নির্বাচনী এলাকার মানুষের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও ব্রিটিশ সরকারের সিভিলে সার্ভিসে পলিসি ডিপ্লোম্যাটিক পদের মত মর্যাদাপূর্ণ চাকুরীর সুযোগ পাওয়ায় আর নির্বাচনে প্রার্থী হননি।
    ইছমাইল উদ্দিনের মত তার ভাই বোনরাও বেশ মেধাবী। তার বড় বোন একজন ইমিগ্রেশন লয়ার, অপর দুই বোন মেডিক্যালের ছাত্রী।

    ইছমাইল উদ্দিন তার এই সাফল্যের জন্য বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। আর তার পিতা বিশ্বনাথের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার কারিকোনা গ্রামের অধিবাসী যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ড সিটির বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা জমির উদ্দিন বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা তিনি আমাকে নেক সন্তান দান করেছেন। ইছমাইল যেন ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বাংলাদেশের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে এই জন্য তিনি সবার দোয়া কামনা করেছেন।

  • মাওনা চৌরাস্তা অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডের দখলে, যানজট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দুর্ভোগে যাত্রীগণ


    গাজীপুর প্রতিনিধি:
    মাওনা চৌরাস্তায় শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রকাশ্যে মহাসড়কের ওপর ও পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করছে

    গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাওনা চৌরাস্তা এখন অবৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশার দখলে।

    মহাসড়কের দুই পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা সিএনজির অবৈধ স্ট্যান্ড, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে প্রতিদিনই সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছেন হাজারো মানুষ।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সমস্যাটি দীর্ঘদিনের হলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। এতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

    সোমবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও মাওনা চৌরাস্তায় শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রকাশ্যে মহাসড়কের ওপর ও পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করছে। নির্ধারিত কোনো স্ট্যান্ড না থাকলেও একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় এসব যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়ক দখল করে রাখছে। ফলে সড়কের একটি বড় অংশ সংকুচিত হয়ে বাস, ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি ও দূরপাল্লার পরিবহনের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক এবং দূরপাল্লার যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কয়েকশ মিটার পথ অতিক্রম করতেই অনেক সময় ২০ থেকে ৩০ মিনিট লেগে যায়। দীর্ঘ যানজটে আটকে থেকে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, বাড়ছে জ্বালানি অপচয় ও জনদুর্ভোগ।

    যাত্রীদের অভিযোগ, যানজটের পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ও এখন নিত্যদিনের ঘটনা। নির্ধারিত ভাড়ার কোনো তোয়াক্কা না করে চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি করেন। অল্প দূরত্বেও বেশি ভাড়া না দিলে অনেক সময় যাত্রী নিতে অস্বীকৃতি জানান। প্রতিবাদ করলে বাকবিতণ্ডা এমনকি দুর্ব্যবহারের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয় বাদল মিয়া বলেন, মাওনা চৌরাস্তা এখন সিএনজির দখলে চলে গেছে। রাস্তার ওপরই তারা স্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে। প্রতিদিন যানজটে মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, আবার অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হচ্ছে। আগে নয়নপুর থেকে মাওনা চৌরাস্তার ভাড় ছিল ২০ টাকা এখন নিচ্ছে ৪০ টাকা। এত অভিযোগের পরও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    পোশাক কর্মী রাশেদুল বলেন, প্রতিদিন কাজে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আগে যে ভাড়া লাগত, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি দিতে হচ্ছে। বেশি ভাড়া না দিলে চালকরা যেতে চান না।তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ব্যাটারি চালিত ভ্যান গাড়িতে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ জন নিয়ে যাতায়াত করেন। অটোরিক্সাতো আছেই। প্রতিদিন ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ২ নং সিএন্ড বি বাজার থেকে এ সব আন্তরিক জান যত নিয়ে যাতায়াত করে।২ নং সি এন্ড বি বাজারে আজও পর্যন্ত কোনদিন কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখিনি।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খাইরুল আলম বলেন, যানজটের কারণে অনেক ক্রেতাই দোকানে আসতে পারেন না। ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই সব আগের অবস্থায় ফিরে আসে। এতে বোঝা যায়, অভিযানগুলো স্থায়ী কোনো ফল দিচ্ছে না।

    স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের ওপর হঠাৎ সিএনজি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানোর কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দ্রুতগতির যানবাহনের মাঝখানে এমন অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম যে কোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির কারণ হতে পারে।

    তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও তা নিয়মিত নয়। ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই অবৈধ স্ট্যান্ড ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পুরোনো চিত্র ফিরে আসে। দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রশাসনের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    এ বিষয়ে মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, মাওনা চৌরাস্তায় যানজট নিরসনে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। অবৈধভাবে মহাসড়ক দখল করে যানবাহন দাঁড় করানো কিংবা যাত্রী ওঠানামা করানোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভুঁইয়া বলেন, অননুমোদিত স্ট্যান্ড পরিচালনা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তার নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

    তবে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের প্রশ্ন,অভিযোগ, আশ্বাস ও সাময়িক অভিযানের মধ্যেই যদি সব সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে মাওনা চৌরাস্তার এই দীর্ঘদিনের সংকটের স্থায়ী সমাধান কবে হবে? তাদের দাবি, অবিলম্বে মহাসড়ক থেকে অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ড উচ্ছেদ, নির্ধারিত স্থানে স্ট্যান্ড স্থানান্তর, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর নজরদারিই পারে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে।

  • এসএসসির রেজাল্ট প্রকাশের তারিখ আগামী ১০ আগস্ট

    বিশেষ প্রতিনিধি:
    এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশ করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন অনেকের মনেই। অবশেষে চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করলো বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল।

    এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। মবার (২৭ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সারা দেশে একই দিনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফলাফল কীভাবে সংগ্রহ করা যাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা পরে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

  • জাতীয় সংসদ হবে বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রী


    স্টাফ রিপোর্টার:
    জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার পথে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর আদলে জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা। বিএনপি চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং সংসদের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম সংযোজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়ন বিষয়ে এ উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    সভায় জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেমকে বিশ্বমানের প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। গণপূর্ত অধিদপ্তর বিশ্বের উন্নত বিভিন্ন সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, কারিগরি সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা উপস্থাপন করে।

    উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের কার্যকারিতা, শব্দের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করার সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের সঙ্গে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্য বজায় রাখার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য আরও স্পষ্ট ও কার্যকরভাবে সম্প্রচার নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সভায় উপস্থিত অতিথিরা প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন এবং প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম সংযোজনের মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম আরও কার্যকর, গতিশীল ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, জাতীয় সংসদের অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় প্রযুক্তির আরও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় সংসদের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।ষ্টন

  • শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অভিযোগের পর উধাও সাব-রেজিস্ট্রার শাহিন আলম

    যশোর প্রতিনিধি:
    যশোরের শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেজিস্ট্রি, রাজস্ব ফাঁকি এবং দলিল নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাব-রেজিস্ট্রার মো. শাহিন আলমকে গত ২১ জুন ২০২৬-এর পর থেকে জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এতে তার বর্তমান অবস্থান, চলমান তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

    এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেজিস্ট্রি, রাজস্ব ফাঁকি এবং দলিল নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের পর নিবন্ধন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় মো. শাহিন আলমকে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির পর থেকে শাহিন আলমকে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আর দেখা যায়নি। তিনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত, ছুটিতে রয়েছেন কি না অথবা অন্য কোনো প্রশাসনিক দায়িত্বে যোগ দিয়েছেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
    এদিকে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতিও জনসমক্ষে প্রকাশ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এসব আলোচনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়, নিবন্ধন অধিদপ্তর এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা জানার চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এ ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি, অভিযুক্ত কর্মকর্তার প্রশাসনিক অবস্থান এবং অভিযোগের বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান দ্রুত প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে গুজবের অবসানের পাশাপাশি প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

    তবে শাহিন আলমের অনুপস্থিতির কারণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত, নাকি এটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ—এ বিষয়ে কোনো প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

    তথ্যসূত্র: রূপালী বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রতিবেদন, স্থানীয় সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য।

    দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা হুবহু ও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

  • গাজীপুর জেলা পরিষদ নিয়ে অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, দাবি মানববন্ধনকারীদের

    গাজীপুর জেলা পরিষদ নিয়ে অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, দাবি মানববন্ধনকারীদের

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    গাজীপুর জেলা পরিষদকে ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও কথিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা দাবি করেন, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে।

    বক্তাদের দাবি, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে সরকারি বিধি-বিধান ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৩৪ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) সোনালী ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে জেলা পরিষদের মোট ১১৫ কোটি টাকার এফডিআর গঠন করা হয়েছে।

    তাদের অভিযোগ, এফডিআর স্থানান্তরের বিষয়টি উপেক্ষা করে ৬২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম (উপসচিব)-এর বিরুদ্ধেও মানহানিকর বক্তব্য ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

    মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, টেন্ডারে সুবিধাবঞ্চিত একটি স্বার্থান্বেষী চক্র জেলা পরিষদকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা গত ৩০ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদেরও প্রতিবাদ জানান।

    বক্তারা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধ করে জনস্বার্থ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দেওয়ারও আহ্বান জানান তারা।