Category: জাতীয়

  • ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক

    ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক

    নিউজ ডেস্ক:  থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে আলোচনায় বসেন এই দুই নেতা।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে খুবই ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্তে হত্যা, তিস্তা চুক্তি।

    তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। ভারতে বসে তিনি বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন সে বিষয়েও কথা হয়েছে।

    গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ প্রথমবারের মতো ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি আলোচনায় বসলেন।

    এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে ড. ইউনূসের ও নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎ হয়। নৈশভোজে একই টেবিলে তারা পাশাপাশি বসেন।;

  • জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন

    জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।

    গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে আনন্দ ও প্রীতিভোজের আয়োজন করে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা। সেখান থেকে ১২ জনকে আটক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    এরপর দীর্ঘ ৮ মাস কারাগারে বন্দিদশার পর ১০ জন দেশে ফিরলেন। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়াসহ কাগজপত্রে কিছু জটিলতা থাকায় পরবর্তীতে ফিরবেন বাকি দু’জন।

    দেশে ফেরত প্রবাসীরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং সবার সহযোগিতায় অনিশ্চিত পরিস্থিতি থেকে তারা মুক্ত হয়েছেন। সৌদি দূতাবাস থেকে যোগাযোগের ঘাটতি ছিলো বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।;

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে :প্রধান উপদেষ্টা

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে :প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ড. ইউনূসের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) এ কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, শুল্কারোপের বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করছি। এটি যেহেতু আলোচনাযোগ্য, তাই আমরা আলোচনা করব। এই ইস্যুতে সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

    বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, পুরো বিষয়টি এখনও আলোচনা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। আমরা পর্যালোচনা ও যেসকল পদক্ষেপ নিচ্ছি তাতে সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আমরা আশাবাদী। আমরা এমন একটা সমাধানের দিকে যেতে পারব, যাতে উভয়পক্ষের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয়।

    বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের কয়েক ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম একটি ফেসবুক পোস্ট দেন। তাতে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক রিভিউ করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্রুত শুল্কহার যুক্তিসংগত করার বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখছে। যা বিষয়টি সমাধানের জন্য জরুরি।

    তিনি আরও লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছি। মার্কিন সরকারের সাথে চলমান কাজ শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বছরে প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়। এর বড় অংশই তৈরি পোশাক। নতুন শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশি পোশাক রফতানি ব্যাহত হতে পারে। যা অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

    যুক্তরাষ্ট্র শুধু বাংলাদেশের ওপরই নয়, বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপরও শুল্ক বৃদ্ধি করেছে। এর মধ্যে, ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৬%, পাকিস্তানের ২৯%, চীনের ৩৪% এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।;

  • সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    নিউজ ডেস্ক:  জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ দেন তিন ছাত্রপ্রতিনিধি। রাজনীতিতে ছাত্রদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হচ্ছিল, তখন পুরনো দলগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল। ছাত্রদের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের আগে পদত্যাগ করে দলটির দায়িত্ব নেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এখনও সরকারে আছে দুই ছাত্রপ্রতিনিধি।

    এমন অবস্থায় সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা আশা করি সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন কোয়ার্টারে। আমি আশা করি, সরকার সেখানে নিবিড় দৃষ্টি রাখবে। এটা দুর্ভাগ্যজনক হবে। আবার এটা হলে অন্য ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে।

    নতুন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই কি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করছে না সরকার, এমন প্রশ্নও করছেন নেতারা।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নতুন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদেরকে সময় দিতে চান, এমন প্রশ্ন উঠছে। আমরা প্রশ্ন করছি না, জনগণের পক্ষ থেকে এ রকম কিছু কিছু প্রশ্ন উঠেছে। তা না হলে উনি রোডম্যাপ দিতে বিলম্ব করছে কেন? উনার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা হচ্ছে না।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের কথা বললে তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা-সংশয় কাজ করে, তাহলে তারাই তো দেশে অনৈক্য সৃষ্টির কাজ করছে। তারাই কিন্তু ফ্যাসিস্টের জন্য পথ উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। যে প্রশ্নগুলো উঠছে, সেগুলো যাতে না উঠে। বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন হয়েছে, যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের সকলকে ধারণ করতে হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দেয়ার কথা বলছেন রাজনৈতিক নেতারা। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের অংশ থেকে যারা একটি রাজনৈতিক দলকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন তা দৃশ্যমান। মানুষ এগুলো বুঝে তো। এই জায়গা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে, তাদেরকে যেন জনগণ মনে করে, এই সরকার সত্যিকার একটি নিরপেক্ষ সরকার। কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম করছে না অন্তর্বর্তী সরকার, তা পরিষ্কার করতে হবে।

    বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) ছাত্রদের পক্ষ নিলে এ দেশের সমস্ত রাজনৈতিক শক্তি এটাকে ভিন্নভাবে দেখবে। যা ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ্য করেছি। ছাত্ররা যদি ক্ষমতায় থাকে, তাহলে তারাই যদি রাজনৈতিক দল করে, সেই দলটি আলাদা একটি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে এবং পাবে এটাই বাস্তবতা। আমি মনে করি, ছাত্রদেরই উচিত নিজেদের থেকে সরে যাওয়া।

    নিরপেক্ষতা রক্ষায় বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছাত্র প্রতিনিধিদেরও অপসারণ করা উচিত বলে মনে করে দলগুলো।;

  • দেশ বদলাতে পরিচালনা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    দেশ বদলাতে পরিচালনা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, একই নিয়মে সবসময় চলা যায় না। দেশকে বদলাতে চাইলে পরিচালনার পদ্ধতি পাল্টাতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণরা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক ইয়াং জেন ফোরামে এ কথা বলেন তিনি।

    বক্তব্যের শুরুতে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শুধু মুনাফার জন্য ব্যবসা করলে হবে না। সমাজকে বদলানোর জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। সম্পদের ভারসাম্য আনতে হবে। একইসাথে পরিবেশের কথাও ভাবতে হবে। বাংলাদেশ অনেক বড় জায়গা, সেই তুলনায় নিজের পরিধি ছোট। ছোট পরিসরেই কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ব্যবসায় মুনাফা পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু উদ্যোক্তার মনে লোভ চলে আসলে সেই ব্যবসা ধ্বংস হতে বাধ্য। তরুণরাই আগামী দিনের ভবিষ‍্যৎ, তাদের মাঝেই অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি। বক্তব্যের পর তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে যান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ১২টার দিকে তিনি দেশটিতে পৌঁছান।

    এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে। সম্মেলনের শেষদিন আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।;

  • এনসিপি অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই

    এনসিপি অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই

    নিউজ ডেস্ক:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই। এ অবস্থা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলাটে ও অস্থির করে তুলছে।

    বুধবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটি এ অভিযোগ করে। স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত আন্তঃসংঘর্ষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করা হয় বিবৃতিতে।

    এতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্থানীয় ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে হামলার শিকার হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুব আলম মাহিরের বাবা আজিজুর রহমান বাচ্চু মোল্লা। এতে তার হাত ভেঙে যায় এবং তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

    ২৪ মার্চ নোয়াখালীর হাতিয়ায় পথসভা ও জনসংযোগের সময়ে স্থানীয় বিএনপির কতিপয় নেতাকর্মী এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদের ওপর হামলা চালান। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মী-সংগঠকদের নিয়মিত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা রাজনৈতিক কারণে হামলার বিরুদ্ধে কথা বললেও এবং অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করা হলেও এ ধরনের হিংস্র কার্যকলাপ থেমে নেই।

    সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।;

  • বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর: প্রেস উইং

    বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর: প্রেস উইং

    নিউজ ডেস্ক:  সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি ‘উদ্বেগজনক ও একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি’ তুলে ধরা হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় দেশটি ‘ধর্মীয় চরমপন্থার কবলে পড়ার দ্বারপ্রান্তে’ রয়েছে। এই চিত্র কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতিসরলীকরণই করে নয় বরং ১৮ কোটি মানুষের পুরো জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে বলে মনে করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রেস উইং জানায়, ভুল চিত্র তুলে ধরে এমন বাছাই করা উসকানিমূলক উদাহরণের ওপর নির্ভর না করে গত এক বছরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং পরিস্থিতির জটিলতা স্বীকার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও প্রতিবেদনে ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরলেও এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করে বলে মনে করছে সরকার।

    বলা হয়, বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রতিবেদনের ফোকাস বাস্তব চিত্রের বিপরীতে দাঁড়িয়েছে, যা হতাশাজনক।

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ‘চরমপন্থি শক্তির বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোরভাবে পদক্ষেপ নেননি’ বলে আরেকটি দাবি শুধু মিথ্যাই নয়, এটি নারীর ক্ষমতায়নে তার আজীবন অঙ্গীকারকেও উপেক্ষা করে। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রফেসর ইউনূস নারী অধিকারের পক্ষে তার ওকালতিতে অবিচল ছিলেন। দুই কন্যার বাবা প্রফেসর ইউনূস তার পুরো কর্মজীবন এবং গ্রামীণ ব্যাংককে গড়ে তুলেছেন নারীর ক্ষমতায়নের গভীর বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে, যা তাকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। নারীর অধিকারকে এগিয়ে নেওয়া এবং তাদের স্বাধীনতা রক্ষায় তার আত্মোৎসর্গ তার কাজ ও খ্যাতির মূল ভিত্তি। ধর্মীয় সহিংসতা সম্পর্কেও ‘ভুল ধারণা’ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানায় প্রেস উইং।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদায়ের পর বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের অনেকগুলোই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যদিও বাস্তবে সেগুলো ছিল মূলত রাজনৈতিক। রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়শই সমর্থন জোরদার করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলার ঝুঁকি তৈরি করে।

    পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে দাঁড় করানো বিভ্রান্তিকর। কারণ এতে প্রকৃত রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক কারণগুলোকে উপেক্ষা করা হয়।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেয়। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে ভুল তথ্য ছড়ানোর মাধ্যমে চাপা দেওয়া উচিত নয়।

    প্রেস উইং জানায়, বাংলাদেশ নীরবে এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক পাওয়ার হাউজে রূপান্তরিত হচ্ছে প্রবৃদ্ধির গতিপথ নিয়ে, যা বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রচুর সুযোগের প্রতিশ্রুতি দেয়। সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়েছে, অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে। গত সাত মাসে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। রাজনৈতিক উত্থানের পরেও ব্যাংকিং খাত অপরিবর্তিত রয়েছে এবং স্থানীয় মুদ্রা বিনিময় হার মার্কিন ডলারের প্রায় ১২৩ টাকায় স্থির রয়েছে। ভবিষ্যতের দিকে তাকালে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গত আট মাসে ৮৪ বছর বয়সী মুহাম্মদ ইউনূস যে অবিশ্বাস্য কাজ করেছেন তার স্বীকৃতি কোথায়? বাংলাদেশের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। গত সপ্তাহে তার চীন সফরের সময় চীন সরকার ও ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশকে ২১০ কোটি ডলার ঋণ, বিনিয়োগ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে ঢাকায় বিনিয়োগকারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মেটা, উবার এবং স্যামসাংয়ের মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ৫০টি দেশের ২ হাজার ৩০০ অংশগ্রহণকারী অংশ নেবেন। বাংলাদেশকে উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিশ্ববাসী ক্রমেই স্বীকৃতি দিচ্ছে। এটি আশা, শক্তি এবং অভূতপূর্ব সুযোগের একটি গল্প – এটি এমন একটি ঘটনা যা সম্মানের সঙ্গে বলার যোগ্য।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে মুষ্টিমেয় কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, যেমন একজন নারীকে হেনস্থা করা একজন পুরুষ অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে উগ্রবাদ ছড়িয়ে পড়া একটি দেশের চিত্র আঁকার জন্য। এটি শুধু বিভ্রান্তিকরই নয়, ক্ষতিকরও। ১৮ কোটি মানুষের দেশে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে গোটা দেশকে সংজ্ঞায়িত করা অযৌক্তিক। বাংলাদেশ স্থিতিস্থাপকতা, সংস্কৃতি এবং প্রগতিশীল চিন্তার সমৃদ্ধ ইতিহাস সহ একটি বৈচিত্র্যময় এবং গতিশীল সমাজ আছে।

    ধর্মীয় উগ্রবাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ একা নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা যা অনেক দেশ বিভিন্ন রূপে মোকাবিলা করে। তবে, বাংলাদেশ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সামাজিক সংস্কার এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী উদ্যোগের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় অব্যাহতভাবে কাজ করেছে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা অন্য যে কোনো সম্প্রদায় তার বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করার জন্য দেশটির প্রতিশ্রুতি অবিচল রয়েছে। মিছিলে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘৃণা ছড়ানো কট্টরপন্থীরা সবসময়ই থাকবে, তবে তাদের ক্ষোভের মধ্যে আগুন দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।

    এছাড়া, চরমপন্থার উত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণের একটি অনিবার্য পরিণতি এই ধারণা অনেক বেশি নির্ধারক। দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা এবং প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজ এমন শক্তিশালী শক্তি যা চরমপন্থি মতাদর্শের পূর্ণ উত্থানকে প্রতিহত করে চলেছে। চ্যালেঞ্জ রয়ে গেলেও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অভিমুখ শুধু চরমপন্থিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করবে না। বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে এর যুব ও নারীরা একটি ন্যায়সঙ্গত, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

    পরিশেষে, বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস, গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার এবং নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রমাণ করে যে চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশ এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখবে। কয়েকটি নেতিবাচক উদাহরণের দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে, আমাদের অগ্রগতি, স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়তার বৃহত্তর চিত্রটি স্বীকার করা উচিত যা আজকের বাংলাদেশকে সংজ্ঞায়িত করে।;

  • ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুর রেল স্টেশনে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ

    ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুর রেল স্টেশনে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ

    র্নিউজ ডেস্ক: ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুর রেল স্টেশনে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ভোর থেকেই ট্রেনে করে বাড়ির ফেরার জন্য হাজির হয়েছেন অনেকে।

    আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যাত্রীর চাপ মোটামুটি থাকলেও কমিউটার ট্রেনের টিকিটের জন্য রয়েছে উপচেপড়া ভিড়। যাত্রীরা টিকিটের অতিরিক্ত দাম এবং টিকিট না ছাড়ার অভিযোগ করছেন।

    রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব যাত্রীকে সুযোগ করে দিতে পাঁচটি টিকিটের চাহিদার বিপরীতে একটি সিটের টিকিট দেয়া হচ্ছে। সাথে দেয়া হচ্ছে চারটি স্ট্যান্ডিং টিকিট।;

  • রুশ প্রেসিডেন্টের ওপর রাগান্বিত ডোনাল্ড ট্রাম্প

    রুশ প্রেসিডেন্টের ওপর রাগান্বিত ডোনাল্ড ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর রাগান্বিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার (৩০ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই এমন মন্তব্য করেন।

    শিগগিরই ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি বন্ধ না করলে রাশিয়ার তেল রফতানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করা হবে বলে এ সময় ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, রুশ প্রতিনিধিদের ওপর তিনি বিরক্ত। চলতি সপ্তাহেই ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন।

    এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভোলদেমির জেলেনস্কির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কয়েকদিন আগেই জেলেনস্কিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন প্রশাসনের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান ভ্লাদিমির পুতিন।;

  • ঢাকায় এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে আন্দন্দের সাথে যোগ হয়েছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া

    ঢাকায় এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে আন্দন্দের সাথে যোগ হয়েছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া

    নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে আন্দন্দের সাথে যোগ হয়েছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মুঘল আমলের কায়দায় রাজধানীতে ঈদ আনন্দ মিছিল হয়েছে। কেবল আজ নয়, গতকাল সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার পরও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মিছিল হয়।

    রাজধানীবাসী আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ নগরীর বিভিন্ন মসজিদে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

     

    নামাজের পর ঈদ আনন্দ মিছিল ঢাকায় এবারের উদযাপনে মূল আকর্ষণ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ফিরিয়ে আনা হয় ঢাকার ৪০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্য। পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত শেষে সকাল ৯টায় সেখান থেকেই শুরু হয় বর্ণাঢ্য ঈদ আনন্দ মিছিল, যা শেষ হয় সংসদ ভবনের সামনে এসে।

    বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিছিলটি বর্ণিল হয়ে ওঠে। মিছিলে সুসজ্জিত পাঁচটি শাহী ঘোড়া, ১৫টি ঘোড়ার গাড়ি, ব্যান্ড পার্টি ও বাদ্যযন্ত্র ছিল।

    এছাড়া, সেখানে সংক্ষিপ্ত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে শিল্পীরা ঈদের গান পরিবেশন করছেন। যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীদের সেমাই ও মিষ্টি খাওয়ানো হয়।

    এর পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটির ঈদ আনন্দ উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ দুই দিনব্যাপী ঈদ আনন্দমেলা। আজ ও আগামীকাল বাণিজ্য মেলার পুরাতন মাঠে হচ্ছে এই মেলা। যা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা থাকছে।

     ;