Category: অন্যান্য

  • ঝালকাঠিতে নদী ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির নলছিটিতে খয়রাবাদ নদীর ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন, উপজেলার  ভুক্তভোগী জনগন।

    রবিবার (৭ জুন) নলছিটি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন নলছিটি দপদপিয়া সড়কের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাসদ নেত্রী বরিশাল জেলা সমন্বয়ক ডা: মনিষা চক্রবর্তীসহ ভুক্তভোগী জনগন। মানববন্ধন শেষে বাসদ নেত্রী ডা: মনিষা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষন করে।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, খয়রাবাদ নদীর ভাঙনে নদী তীরের মানুষ সবকিছু হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের ঘরবাড়ি, কৃষি জমি সবকিছু নদী কেড়ে নিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। অতিদ্রুত ভাঙন রোধে পদক্ষেপ না নিলে আরও শতশত মানুষ গৃহহীন হবে।

    বাসায় নেত্রী ডা: মনিষা চক্রবর্তী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হওয়ার পর আমরা দেখতে পেয়েছি গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন সরকারই নদীর তীরবর্তী মানুষদের রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান সরকার যদি খয়রাবাদ নদীসহ অন্যান্য নদীর তীরবর্তী মানুষদের রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহন না করে তাহলে আমরা বুঝে নিবো দেশে কোন পরিবর্তন আসেনি।

    আরও বক্তব্য রাখেন, দপদপিয়া ইউনিয়ন নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব মো. রমজান আকন হৃদয়, আহবায়ক ফরিদ আহমদ, স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার ক্রিড়া সম্পাদক গাজী বেলাল হোসেন, বাসদ বরিশাল জেলার দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক খেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট বাকেরগঞ্জ উপজেলার উপদেষ্টা আমিনুর রহমান, স্থানীয় ভুক্তভোগী রহিমা বেগম, রানী বেগম, হৃদয়, হেনারা বেগম প্রমূখ।

    এসময় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের খয়রাবাদ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার দুই শতাধিক নারী পুরুষ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন ও মিছিলে অংশ নেন।

     

  • বিতর্কিত পুলিশ সদস্য জুয়েলকে বরখাস্ত ও আইনজীবী মিন্টুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    শার্শা যশোর প্রতিনিধি   যশোরের শার্শা উপজেলার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসী।

     

    শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টার সময় শার্শা উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দুপাশে শার্শা উপজেলা বিএনপির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি এবং তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং জনসমর্থন থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা হিসেবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

     

    বক্তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

     

    মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারসহ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, শার্শা উপজেলার আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মশিয়ার রহমানের ছেলে কনস্টেবল মামুন হাসান জুয়েলকে পুলিশ বাহিনী থেকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

     

    তার পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিবারের সদস্যকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

     

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বার্থে বিতর্কিত নিয়োগগুলো পুনঃমূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কনস্টেবলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

     

    মানববন্ধন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণাও দেওয়া হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনদাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

     

    এর আগে গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার বিকালে শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল মামুন হাসান জুয়েল অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জনরোষে গ্রেফতারে ব্যর্থ হয় পুলিশ সদস্যরা।

  • ঝালকাঠির প্রতিবন্ধী বিএনপি কর্মী এমরাজকে অটোরিকশা উপহার দিলেন এ্যাড. শাহাদাৎ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি

    ঝালকাঠিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিএনপি কর্মী মো. এমরাজ হাওলাদারের কর্মসংস্থানের জন্য একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উপহার দিয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন।

     

    শনিবার (৬ জুন) রাত ৮টায় শহরের মহিলা কলেজ রোড এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি নিজ হাতে এমরাজের কাছে অটোরিকশাটি হস্তান্তর করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ত্যাগী এ তৃণমূল কর্মীর জন্য স্থায়ী আয়ের একটি সুযোগ সৃষ্টি হলো।

     

    অটোরিকশা হস্তান্তরকালে অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় ত্যাগী ও সংগ্রামী কর্মীদের মূল্যায়ন করে। দলের প্রতিটি কর্মীর সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও তৃণমূলের কর্মীদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা পাশে থাকব।”

     

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) ও ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিক হাওলাদার, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. বাচ্চু হাসান খানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

     

    উপহার হিসেবে অটোরিকশা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মো. এমরাজ হাওলাদার। তিনি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

     

    স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, দলের একজন অসচ্ছল ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার এ উদ্যোগ মানবিক রাজনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

     

  • কলমে সমাজভাবনা, হৃদয়ে দায়বদ্ধতা: বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়াচ্ছেন কথাসাহিত্যিক তুলতুল

    কলমে সমাজভাবনা, হৃদয়ে দায়বদ্ধতা: বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়াচ্ছেন কথাসাহিত্যিক তুলতুল

    ​বিশেষ প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ মাটি থেকে উঠে এসে নিজের মেধা ও মননের আলোয় দুই বাংলার সাহিত্যাঙ্গন আলোকিত করেছেন যিনি, তিনি শাম্মী তুলতুল। সমকালীন বাংলা সাহিত্যে যাঁরা বহুমাত্রিক প্রতিভা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন, তাঁদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে এক আলোচিত ও জনপ্রিয় নাম। কেবল দেশের গণ্ডিতেই নয়, তাঁর কলমের জাদু আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের গৌরব।

     

    ​ঐতিহ্যের শিকড় ও আলোকিত শৈশব

    একটি সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম শাম্মী তুলতুলের। ফলে সাহিত্যচর্চার বীজটি যেন তাঁর রক্তেই মিশে ছিল। তাঁর দাদা আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, লেখক এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যবন্ধু। অন্যদিকে, তাঁর নানী কাজী লতিফা হকও ছিলেন তৎকালীন সংবাদপত্রের একজন সুপরিচিত লেখক। এমন এক চিন্তা, চেতনা ও সংস্কৃতির আলোকিত পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠাই তুলতুলকে করে তুলেছে অনন্য। শৈশবে ডানপিটে ও প্রাণবন্ত এই মানুষটির নাচ, গান, আবৃত্তি ও খেলাধুলাসহ সব কিছুতেই ছিল সমান পারদর্শিতা।

     

    ​সংবাদপত্র থেকে বিশ্বমঞ্চে পদচারণা

    শৈশব থেকেই দেশের প্রথম সারির দৈনিকগুলোতে নিয়মিত লিখছেন শাম্মী তুলতুল। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, সমকাল, যুগান্তর, মানবকণ্ঠ, প্রতিদিনের সংবাদ, আমাদের সময়, খোলা কাগজ, আজাদী, পূর্বকোণ এবং শিশু নবারুণসহ বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে তাঁর শক্তিশালী লেখনী স্থান করে নিয়েছে প্যারিস, কানাডা, নিউ ইয়র্ক, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানির বাংলা পত্র-পত্রিকাতেও। এমনকি আমেরিকার মূলধারার গণমাধ্যমেও তাঁর দীর্ঘ ও প্রভাবশালী সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ বহন করে।

     

    ​সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক রূপ

    সময়ের আবর্তে লেখালেখিই হয়ে উঠেছে শাম্মী তুলতুলের মূল পরিচয়। তবে তিনি কেবল একজন ঔপন্যাসিক বা গল্পকারই নন; একাধারে শিশুসাহিত্যিক, নজরুল-অনুরাগী, বেতার অনুষ্ঠান পরিচালক, সংবাদ পাঠক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, সাংবাদিক, ভয়েস প্রেজেন্টার, দাবাড়ু ও মডেল।

     

    ​বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৭টি। ২০২২ সালের কলকাতা বইমেলায় তাঁর গল্পগ্রন্থ ‘নরকে আলিঙ্গন’ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে, যা বর্তমানে ভারতের জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম Flipkart-এ পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর অন্যান্য বেস্টসেলার উপন্যাস ও বইগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘চোরাবালির বাসিন্দা’, ‘পদ্মবু’, ‘মনজুয়াড়ি’, ‘একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল’, ‘পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ’, ‘নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য’, ‘গণিত মামার চামচ রহস্য’ এবং ‘ভূত যখন বিজ্ঞানী’। প্রতিটি বইয়ে বিনোদনের পাশাপাশি তিনি একটি শিক্ষণীয় সামাজিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

     

    ​দৃশ্যমাধ্যম ও গবেষণায় সাহিত্যকর্ম

    শিশু-কিশোর সাহিত্যে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর জনপ্রিয় গল্প ‘পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ’ দীপ্ত টিভি-তে নাট্যরূপে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া তাঁর রচনায় নির্মিত নাটক ‘লাল শরবত’ প্রচারিত হয়েছে সিটি এফএম-এ।

     

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রভাব এতটাই যে, সম্প্রতি ভারতের একটি গবেষণামূলক কাজে তাঁর গল্প ব্যবহৃত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা “রুম টু রিড বাংলাদেশ”-এর এনলিস্টেড লেখিকা হিসেবেও তিনি সম্মানিত হয়েছেন।

    ​অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রকমারি, প্রথমা, দারাজসহ সব প্রধান মাধ্যমে তাঁর বই পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি রবি বইঘর, বাংলালিংক ও এয়ারটেল অ্যাপসের মাধ্যমে পাঠকরা ই-বুক হিসেবেও তাঁর বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

     

    ​পুরস্কার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

    সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ শাম্মী তুলতুল দেশী-বিদেশী অসংখ্য মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

    ​কবি রোকেয়া সুফিয়া কামাল সম্মাননা (দুবার),​মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড,

    ​মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড,

    ​সাউথ এশিয়া গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড,

    ​নজরুল অগ্নিবীণা সাহিত্য পুরস্কার,

    ​উইমেন পাওয়ার লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫,​ময়ূরপঙ্খী স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫,

    ​রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘রবীন্দ্র রত্ন পুরস্কার ২০২৬।

     

    ​খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক সম্মাননা (সেখানকার পাঠকসমাজ ভালোবেসে তাঁকে ‘রাজকন্যা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে)। ​গণমাধ্যমেও তাঁর উপস্থিতি সরব। রেডিওতে খবর পড়ার পাশাপাশি টেলিভিশনে আবৃত্তি পরিবেশন করেন তিনি। সম্প্রতি একটি ম্যাগাজিনের কভারে ‘বেগম রোকেয়া’র রূপে তাঁর মডেলিং দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।

     

    ​সংগ্রাম, আত্মবিশ্বাস ও জীবনদর্শন

    সামাজিক ও পারিবারিক নানাবিধ বাধা-বিপত্তি ডিঙিয়ে আজকের এই অবস্থান তৈরি করাটাই শাম্মী তুলতুলের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে বড় শক্তি। নারী হিসেবে পথচলার প্রতিকূলতাকে তিনি অকপটে স্বীকার করেন, তবে বিশ্বাস করেন—প্রতিবন্ধকতাই মানুষকে শক্তিশালী করে তোলে।

     

    ​নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে এই কথাসাহিত্যিক বলেন,

    ​”লেখালেখি আমার কাছে শুধু একটা নেশা বা পেশা নয়—এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। মানুষের হৃদয়ে আলোর মশাল পৌঁছে দেওয়ার এক অবিরাম প্রয়াস। সাহিত্য মানুষের ভেতরের অন্ধকার দূর করতে পারে। পাঠকের মনস্তত্ত্বে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।”

     

    ​পিছুটান নয়, সমুখে এগিয়ে যাওয়াই যাঁর জীবনের মূলমন্ত্র—সেই শাম্মী তুলতুল আজ শুধু একজন ব্যক্তি নন; তিনি সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। সমাজ-বাস্তবতা ও মানবিকতার বার্তা হাতে তাঁর কলম দুই বাংলার সীমানা ছাড়িয়ে প্র (more…)

  • মৎস্যজীবীদের হামলা-বঞ্চিত করে বিল ভাতিয়া দখলের অভিযোগ অবৈধ বাঁধের কারনে শঙ্কায় হাজারো কৃষক


    মৎস্যজীবীদের হামলা-বঞ্চিত করে বিল ভাতিয়া দখলের অভিযোগ অবৈধ বাঁধের কারনে শঙ্কায় হাজারো কৃষক

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

     

     

    হামলা ও মামলা করে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিল ভাতিয়া জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। চাষ করা মাছ আহরণ করতে না পেরে ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন বিল ইজারা পাওয়া মৎস্যজীবীরা। এনিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিকার চেয়ে শিবগঞ্জ উপজেলার কর্নখালী ব্রীজ চত্বরে শনিবার (০৬ জুন) বেলা ১১টায় মানবন্ধন করেন ভুক্তভোগী মৎস্যজীবীরা।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিলের ইাজারা পায় দুর্গাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি। কিন্তু সমিতির সদস্যের উপর হামলা ও বঞ্চিত করে বিল দখল করেছেন একটি অসাধু চক্র। এরপর থেকেই মাছ আহরণ করতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা। এমনকি দখলকারীরা কলমুগাড়া এলাকায় খালে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানির অবাধ চলাচল বাধাগ্রস্ত করেছে। এতে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ২ হাজার একর ফসলী জমি। বর্তমানে স্থানীয় কয়েক হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

     

    জামবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিম মেম্বার ও ওয়ার্ড আ.লীগের সদস্য আব্দুল কালামের নেতৃত্বে এই দখল ও হামলার অভিযোগ করেন কৃষক ও মৎস্যজীবীরা। তারা আরও বলেন, যুগ যুগ ধরে জেলে সম্প্রদায় জীবিকা নির্বাহ করে বিল থেকে মাছ আহরণের মাধ্যমে। কিন্তু দখলদারদের কারনে নিয়ে তা করতে পারছে না। অস্ত্র নিয়ে জেলেদের উপর হামলা ও মারধর করা হয়েছে। এখনও নানারকম হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এখন অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে জেলেরা।

     

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দুর্গাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম কালু, সদস্য জিন্নুর আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক আলী, দাইপুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আকতারুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মালেকসহ অন্যান্যরা। এসময় দুর্গাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কবে মাংস খেয়েছেন মনে করতে পারেন না ক্যান্সার আক্রান্ত জাহানারা বেগম


    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
    বৈঠাকাটা গ্রামের জাহানারা বেগম কবে মাংস খেয়েছেন, মনে করতে পারেন না। ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতেই সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন স্বামী জামাল হাওলাদার।

    পেশায় জেলে জামাল হাওলাদার মাছ ধরে কোনোমতে পাঁচ সদস্যের সংসার চালাতেন। কিন্তু স্ত্রীর ক্যান্সার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে বিক্রি করতে হয়েছে সহায়-সম্বল। এখন খাবার জোটানোই যেখানে কঠিন, সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়।

    অভাবের সংসারে অনেক সময় দুপুরের খাবার ছাড়াই থাকতে হয়। নিজেরা মাছ ধরলেও সংসারের খরচ আর ওষুধের চিন্তায় মাছও করতে হয়, খেতে পারেন না, আর মাংস?

    শেষ কবে মাংস খেয়েছেন, শুনেই জাহানারা বেগমের চোখ ছল ছল করে ওঠে। মনে করতে পারেন না।

    ইসলামিক রিলিফের পক্ষ থেকে দেওয়া ২ কেজি কোরবানির মাংস পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত। মাংস হাতে পেয়েই দ্রুত রান্নার আয়োজন শুরু করেন। রান্না শেষ হয়েছে কি না,ছোট ছেলেটি বারবার মায়ের কাছে ছুটে আসে। ভাত তখনও রান্না হয়নি, ছেলের আগ্রহ দেখে মুড়ি দিয়েই কিছু মাংস খেতে দেন।

    পাশে বসে ছেলের তৃপ্তি নিয়ে মাংস খাওয়া দেখছিলেন জাহানারা। তার চোখে ছিল অপার মমতা, মুখে প্রশান্তির ছাপ। সন্তানের মুখে এমন আনন্দ দেখে কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন নিজের কষ্ট, অসুস্থতা আর অভাবের কথা।

  • কটিয়াদীতে রক্তদান সমিতির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: গাছে গাছে পাখির বাসা ও মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    প্রকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছে।

    দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে কটিয়াদীর জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রক্তদান সমিতি’ মাসব্যাপী দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচির সূচনা করেছে।

    ​আজ বিকেলে কটিয়াদী সরকারি কলেজ চত্বরে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সংগঠনের এই বিশেষ ‘সবুজায়ন’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক বদরুল আলম নাঈম।

    ​আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে পর্যায়ক্রমে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও পাখির নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গাছে মাটির কলস (পাখির কৃত্রিম বাসা) স্থাপন এবং জনসচেতনতা তৈরিতে লিফলেট বিতরণ করা হবে।

    ​কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বদরুল আলম নাঈম বলেন, “বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব আজ জলবায়ু ঝুঁকিতে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।”

    ​সংগঠনের কার্যকরী সমন্বয়ক ও চলচ্চিত্রকর্মী জিসান আজাদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান পরিবেশগত সংকটের সিংহভাগই মানবসৃষ্ট। নির্বিচারে বন উজাড় করার কারণে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। পরিবেশকে বাঁচাতে এখনই আমাদের ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।”

    ​অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, পরিবেশের বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) টিকিয়ে রাখতে পাখিসহ বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলাতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তারা।

    ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সক্রিয় সদস্য কাওসার আহমেদ, ইমরান হোসেন, ইয়াসিন আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, হাসিব আল মাহমুদ রাস্কি, সাব্বির হোসেন রিয়াদ, আরিফুল ইসলাম আকাশসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সুধীজন।

  • নেত্রকোণায় ডেঙ্গু সচেতনতায় শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণায় ডেঙ্গু সচেতনতায় শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে নেত্রকোণা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকালে ১০টায় এক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে এ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়।

    এতে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, নেত্রকোণা পৌরসভার প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আরিফুল ইসলাম সরদার, নেত্রকোণা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ একরামুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুখময় সরকার, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাজহারুল আমিনসহ হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। ব্যানার নিয়ে তাঁরা শহরের বিভিন্ন সড়ক ও হাসপাতালের বিভিন্ন প্রান্ত প্রদক্ষিণ করেন।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডেঙ্গু সচেতনতায় হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথম কয়েক দিন হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ পরিষ্কার করা হবে। শেষের দিকে হাসপাতালের বাইরে আশপাশের পরিবেশও পরিষ্কার করা হবে। এ ছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে হাসপাতালে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণাও থাকবে।

    হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ একরামুল হাসান বলেন, “হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু বর্জ্য তৈরি হয়। এ বর্জ্যগুলো সরিয়ে যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়, হাসপাতালের নির্দিষ্ট স্থানে যাতে বর্জ্য ফেলা হয়—এ বিষয়ে সচেতনতার লক্ষ্যে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করছি। এতে যেমন সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হবে, তেমনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অভ্যাসও গড়ে উঠবে। এতে সারা বছর হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন থাকবে। এ ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ অভিযান কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

    ০৬/০৬/২০২৬ ইং