Category: অন্যান্য

  • ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কাঁচামরিচের কেজি ছাড়ালো ৩০০ টাকা


    ‎
    ‎
    ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
    ‎টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় শাক-সবজির পাশাপাশি হু হু করে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম।

    ‎বেশ কিছুদিন ধরে ২০০ টাকার ওপরে থাকলেও তা এখন ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে।
    ‎নাসিরনগরের বিভিন্ন বাজারে কোথাও ৩২০ টাকা, কোথাও ৩১০ কিংবা ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টির কারণে মরিচ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া অন্যান্য সবজির সরবরাহ ও অনেক কম। এতে করে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
    ‎
    ‎আজ রবিবার (২৬ জুলাই) নাসিরনগরের বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।  
    ‎
    ‎বিক্রেতাদের মতে, বাজারে নতুন কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি, আর পুরোনো কাঁচামরিচের দাম উঠেছে ৩২০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে।
    ‎
    ‎তারা বলেন, এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচের দাম ছিল ১২০-১৩০ টাকা। টানা বৃষ্টিতে মরিচের দাম বেড়ে গেছে বলে তারা দাবি করেন। 
    ‎
    ‎নাসিরনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা মিন্টু মিয়া জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে শুধু সবজি না অনেক কিছুর দাম ই ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতাদের সঙ্গে দাম দিয়ে মাঝেমধ্যে ই বিবাদে জড়াতে হচ্ছে আমাদেরকে।
    ‎
    ‎তিনি বলেন, আমাদের কিনে আনতে হচ্ছে বেশি দামে, কমে কিভাবে বিক্রি করবো। বৃষ্টি কমলে হয়তো দামও কমে যেতে পারে।
    ‎বাজার করতে যাওয়া একজন গৃহিণী আঁখী আক্তার বলেন, দাম আসলে আমাদের নাগালের বাইরে। কাঁচামরিচের দাম ক্রমাগত বাড়ছে, এখন রান্নাতে তো প্রয়োজনীয় জিনিস এটা। কাঁচামরিচ ছাড়া রান্না করবো কিভাবে। অন্যান্য সবজির দামও বেশি। দুই-তিন রকমের সবজি অল্প করে কিনতে গিয়েও দুই তিনশো টাকার মতো চলে যাচ্ছে।
    ‎

  • বর্জ্য থেকে প্লাষ্টিক, লোহা, কাগজ ইত্যাদি কুড়িয়েই চলে সীমান্তের সংসার

    শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
    যে ময়লার ভাগাড়ের পাশ দিয়ে সাধারণ মানুষ দুর্গন্ধে নাক চেপে দ্রুত চলে যান, সেখান থেকে প্লাস্টিক, লোহা, কাঁচ, কাগজসহ বিক্রিযোগ্য বিভিন্ন বর্জ্য সংগ্রহ ও বিক্রি করে চলে সীমান্তের পাঁচ সদস্যের সংসার। গাজীপুরের শ্রীপুর অংশে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে মানুষের ফেলে দেওয়া বর্জ্য স্তূপে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটে সীমান্ত (৩০) ও তার ১২ বছর বয়সী ছেলে সুমনের। বর্জ কুড়িয়ে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনমতে চলে তাদের পাঁচ সদস্যের সংসার।

    শুধু সীমান্তের পরিবারই নয়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পরিবার একই পেশার ওপর নির্ভরশীল। দুর্গন্ধ, বিষাক্ত বর্জ্য, সংক্রমণ এবং ধারালো বস্তু থেকে আহত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে নামতে হয় তাদের।

    শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সামিট পাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রসংলগ্ন একটি ময়লার ভাগাড়ে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে একটি অটোভ্যান রেখে বাবা-ছেলে বর্জ্যের স্তূপে বিক্রিযোগ্য সামগ্রী খুঁজছেন। হাতে গ্লাভস নেই, পায়ে নিরাপত্তা জুতা নেই, মুখেও নেই কোনো মাস্ক। দুর্গন্ধ উপেক্ষা করে তারা প্লাস্টিক, লোহা, কাঁচ, কাগজসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। সংগ্রহ করা সামগ্রী বস্তায় ভরে আবারও নতুন করে খোঁজাখুঁজিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

    ময়মনসিংহের নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা সীমান্ত বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ এমসি বাজারের মাজম আলী মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ছয় থেকে সাত ঘণ্টা বর্জ্য সংগ্রহ করেন। এরপর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ঝালমুড়ি বিক্রি করেন। কুড়িয়ে পাওয়া বর্জ্য এমসি বাজারের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০০ /৭৫০ টাকার মালামাল বিক্রি হয়। মাসে আয় হয় প্রায় ২২থেকে ২৩ হাজার টাকা। এই আয় দিয়েই সংসারের ব্যয় ও ছোট মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হয়।

    সীমান্ত বলেন, “তিন বছর আগে বিষাক্ত বর্জ্যের সংস্পর্শে এসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলাম। কিন্তু বিকল্প কোনো আয়ের উৎস না থাকায় সুস্থ হওয়ার পর আবারও এই কাজেই ফিরতে হয়েছে।”

    একই পেশায় প্রায় ১২ বছর ধরে কাজ করা আরিফ (৩১) জানান, শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়ির ফেলে দেওয়া বর্জ্যের মধ্যে অনেক সময় মূল্যবান সামগ্রীও পাওয়া যায়। তবে দুর্গন্ধ, বিষাক্ত গ্যাস, ধারালো কাঁচ ও লোহার কারণে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়।

    তিনি বলেন, ধারালো কাঁচ বা লোহার আঘাতে প্রায়ই হাত-পা কেটে যায়। গ্লাভস, নিরাপত্তা জুতা ও মাস্ক থাকলে অন্তত কিছুটা নিরাপদে কাজ করা যেত।”

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বর্জ্য ভাগাড়ে প্রতিদিন আরও বহু মানুষ জীবিকার তাগিদে বর্জ্য সংগ্রহ করেন। কিন্তু তাদের জন্য নেই কোনো ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম, নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা কিংবা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা।

    মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামীম মৃধা বলেন, “অনেক অসহায় পরিবার জীবিকার জন্য বর্জ্য সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল। তাদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।”

    জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, খোলা জায়গায় অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলে রাখার ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বর্জ্য সংগ্রহকারীরা সংক্রমণ, চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট, বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। তাই তাদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা, নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

    স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জীবিকার তাগিদে ঝুঁকিপূর্ণ এই পেশায় নিয়োজিত মানুষদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

  • ‌চাঁপাইনবাবগঞ্জে এলজিইডির নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঠিকাদার সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হারুন-অর-রশিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ঠিকাদার সমিতি। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা ঠিকাদার সমিতির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নিয়ামুল হক, সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ১ম শ্রেণির ঠিকাদার মো. আব্দুল মান্নান, মো. জিয়াউর রহমান জীবন, সামিউল ইসলাম পলাশ, মো. বাদল আলীসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের পর নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হারুন-অর-রশিদ বলেন, এলজিইডির উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সকল ঠিকাদারের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, “আগামী দিনে এলজিইডির সব কাজ সঠিক নিয়ম ও নীতিমালা অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। আমার প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। কোনো ধরনের অন্যায় বা অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”
    এ সময় উপস্থিত ঠিকাদাররা নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলীর সফলতা কামনা করেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

  • ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের পরীক্ষায় মা শিশুর দায়িত্বে ইউএনও

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
    ​রাজশাহীর দুর্গাপুরে পরীক্ষা কেন্দ্রে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বাসায় দেখাশোনার মতো কেউ না থাকায় নিজের কয়েক বছরের শিশু সন্তানকে সাথে নিয়েই ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিলেন এক নারী। তবে পরীক্ষা শুরুর ঠিক মুহূর্তে সন্তানকে কোথায় রাখবেন, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও হতাশায় পড়েন তিনি।

    ​বিষয়টি নজরে আসতেই তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে যান দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। মানবিক দিক বিবেচনা করে তিনি নিজ থেকেই শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। পরীক্ষা চলাকালীন পুরোটা সময় পরম আদরে শিশুটিকে আগলে রাখেন তিনি, যাতে ওই পরীক্ষার্থী মা কোনো মানসিক চাপ ছাড়াই নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

    ​রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা কেন্দ্রে ইউএনওর এমন ব্যতিক্রমী ও স্পর্শকাতর উদ্যোগ দেখে সেখানে উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন মানবিকতাই একজন আদর্শ কর্মকর্তার প্রকৃত পরিচয়।

    ​ঘটনার বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা ফারজানা বলেন, “পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার কারণে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একজন মা যদি কেবল সন্তানের পরিচর্যার অভাবে পরীক্ষা দিতে না পারেন, তবে সেটা আমাদের সবার জন্যই অত্যন্ত কষ্টের। সেই চিন্তা থেকেই এই ক্ষুদ্র চেষ্টা করা।”

  • অবিশ্বাস্য হলেও সত্য মৌলভীবাজারে এক দিনে এক মসজিদে দুই বার জুম্মার নামাজ


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    একই দিনে,একই মসজিদে পর পর দুই বার পবিত্র জুম্মার নামাজ! শুনতে অবিশ্বাস্য ও অবাক করার মতো হলেও মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পৃথিমপাশা নবাব বাড়ির জামে মসজিদে যুগের পর যুগ ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে এই ব্যতিক্রমী ও অনন্য সংস্কৃতি। মূলত শিয়া ও সুন্নী—উভয় মতাবলম্বী মুসল্লিদের ধর্মীয় রীতিনীতি, খুতবা ও সময়ের ভিন্নতার কারণে এই একই মসজিদে পৃথক দুটি জুম্মার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    জমিদার আমল থেকে শুরু হওয়া শতাব্দীর প্রাচীন এই রেওয়াজ আজও কোনো প্রকার মতভেদে না জড়িয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে।

    সাধারণত বিভিন্ন মতাবলম্বীদের মধ্যে ধর্মীয় চর্চা নিয়ে নানা টানাফোড়ন দেখা গেলেও, পৃথিমপাশা নবাব বাড়ির চিত্র একেবারেই ভিন্ন। স্থানীয়দের মতে:- এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি কোনো বিভেদের প্রতীক নয়, বরং দুটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিয়া ও সুন্নী সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিবেশ রক্ষা করে আসছেন।

    ঐতিহাসিক এই নবাব বাড়ির জামে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী এবং দুই রীতিতে জুম্মা আদায়ের এই প্রাচীন ঐতিহ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ও বিশেষ করে শুক্রবার বহু দর্শনার্থী ভিড় জমান। ধর্মীয় উদারতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানটি এখন মৌলভীবাজারের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক স্মৃতি চিহ্নের আকর্ষণ।

    কোনো প্রকার সংঘাত ছাড়াই দুই ভিন্ন ধারায় ধর্মীয় আচার একই ছাদের নিচে একই দিনে উদযাপিত হওয়া-কুলাউড়ার পৃথিমপাশার নবাব বাড়িকে দেশের বুকে সম্প্রীতির এক অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছে।

  • জুলাই বিপ্লব স্মরণে ‘জ্বলজ্বলে জুলাই’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত


    ঢাকা প্রতিনিধি:
    ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি ও আহতদের ত্যাগ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘জ্বলজ্বলে জুলাই’।

    বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’-এর আয়োজনে আজ ২৪ জুলাই, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠানটি হয়।
    ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজীবন’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারগুলোর সদস্যরা উপস্থিত থেকে তাঁদের স্বজনদের স্মৃতিচারণ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনে গ আহত ব্যক্তিরা জুলাইয়ের রক্তঝরা দিনগুলোর সাহসী ও নির্মম অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা তাঁদের বক্তব্য শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

    স্মৃতিচারণের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পরিবেশন করা হয়। দেশের বরেণ্য ও জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে অংশ নেন। পরিবেশনার মধ্যে ছিল বিপ্লবী ও দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রতিবাদী নাচ, মাইম (মূকাভিনয়), জাদু প্রদর্শনী এবং কাওয়ালি ইত্যাদি।

    বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগ্রত রাখতেই এই আয়োজন। অনুষ্ঠানটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ সবান্ধব উপস্থিত থেকে আয়োজনটি উপভোগ করেন

  • সদরপুরে সাংবাদিক সাব্বির হাসানের প্রবাস গমন উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা


    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৫টায় সদরপুর শিল্পকলা একাডেমিতে সদরপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক, উপজেলা প্রেসক্লাব সদরপুর, ফরিদপুরের সভাপতি এবং দৈনিক সমকালের সদরপুর প্রতিনিধি সাব্বির হাসান-এর প্রবাস গমন উপলক্ষে সদরপুর সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে এক আন্তরিক বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদরপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আবুল বাসার মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন দৈনিক আমার দেশ-এর সদরপুর প্রতিনিধি মো. শেখ সোবাহান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন সদরপুর সংবাদ-এর সম্পাদক মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে সাব্বির হাসানের দীর্ঘদিনের পেশাগত অবদান, সততা, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সদরপুরের গণমাধ্যম অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর পেশাগত দক্ষতা, সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মো. মোশাররফ হোসেন, মো. সাইদুর রহমান লাবলু, মো. ইমারত হোসেন বাচ্চু, এস.এম. আলমগীর হোসেন, মো. মামুনুর রশীদ, মিজানুর রহমান, মো. ওয়াজেদ আলী, জাহিদ হোসেন সজল, সরোয়ার হোসেন, ফরিদুল ইসলাম, মার্জিয়া আক্তার, হাওলাদার লতিফুল হক, কবির হোসাইন, রোকনুজ্জামান ও ফকির আল মামুন, আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

    বিদায়ী বক্তব্যে সাব্বির হাসান সদরপুর সাংবাদিক ফোরাম ও উপস্থিত সকল সাংবাদিকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসে অবস্থান করলেও সদরপুরের মানুষের ভালোবাসা এবং সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে।

    অনুষ্ঠানের শেষে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। উপস্থিত সবাই তাঁর সুস্বাস্থ্য, নিরাপদ প্রবাস জীবন এবং নতুন কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, দেশের বাইরে অবস্থান করেও তিনি সাংবাদিকতার আদর্শ ও পেশাগত মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।

  • বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের নতুন এমডি উজিরপুরের কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু

    বরিশাল (উজিরপুর) প্রতিনিধিঃ
    বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের (বিসিসিটি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রজ্ঞাপন(নম্বর:০৫.০০.০০০০.১৪৬.০০.০১১.১৬-৩৭৫) -এ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষর করেন।
    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০’-এর ১৯(২) ধারা অনুযায়ী তাঁকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর তিনি চুক্তিভিত্তিকভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন।

    এতে আরও উল্লেখ করা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাঁকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের সঙ্গে বিদ্যমান কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। চুক্তির অন্যান্য শর্ত উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব (বা সংশ্লিষ্ট প্রধান নির্বাহী), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রজ্ঞাপনটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডুপাশা গ্রামের প্রয়াত কাজী আবুল হাশেমের পুত্র।

    তাঁর এ নিয়োগকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু ট্রাস্টের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট মহলে দেখা হচ্ছে। তার এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগে উজিরপুরবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

  • ‎নাসিরনগরে উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব ‎

    ‎ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি
    ‎উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা।

    ‎সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগত অর্থ বিশ্ব আর নাথ অর্থ ঈশ্বর—অর্থাৎ জগন্নাথ হলেন জগতের ঈশ্বর। তাঁর কৃপা লাভ করলে মানুষের মুক্তি ঘটে এবং জীবরূপে পুনর্জন্ম নিতে হয় না—এমন বিশ্বাস থেকেই রথে জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।
    ‎উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    ‎শুক্রবার ২৪ জুলাই  সকাল থেকে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎এ উপলক্ষ্যে নাসিরনগর সদর পশ্চিম পাড়া জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় গৌর মন্দির প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতিবছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব, বলরাম ও সুভদ্রার রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎রথযাত্রার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো রথের দড়ি টানা। ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি-নির্বিশেষে হাজারো মানুষ এই মহোৎসবে অংশ নেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, আন্তরিক ভক্তিভরে রথের দড়ি টানলে ঈশ্বরের কৃপা ও আশীর্বাদ লাভ হয়।

    ‎রথযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়; এটি ভক্তি, সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ঐক্যের এক অনন্য উৎসব। যুগ যুগ ধরে এই মহোৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তুলছে। তাই রথযাত্রা ও উল্টো রথ শুধু ধর্মীয় নয়, বরং উপমহাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও এক উজ্জ্বল প্রতীক।

    ‎উৎসব নির্বিঘ্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
    ‎সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা শুরু হয়। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরকে কেন্দ্র করে এ উৎসবের ব্যাপক প্রচলন থাকলেও বাংলাদেশেও এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
    ‎

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষকদলের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীত কৃষকদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় মহারাজপুর ইউনিয়নের কারবালা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষকদলের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. তসিকুল ইসলাম (তসি)। কর্মসূচিতে জেলা কৃষকদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং পরিবেশপ্রেমীরা অংশ নেন। এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে উপস্থিত সবার মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি কারবালা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

    সভাপতির বক্তব্যে মো. তসিকুল ইসলাম (তসি) বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।” তিনি কৃষকদলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে এ উদ্যোগকে সফল করার আহ্বান জানান।

    বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।