নেত্রকোনায় আলোচিত মাদক কারবারিকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় সমালোচনা

নেত্রকোনা প্রতিনিধ : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে। তাদের ভয়ে আশপাশের ব্যবসায়ীরা মাদক নিয়ে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না বলেও জাতীয় দৈনিকের প্রতিদবেদনে জানা গেছে। তুলাপট্টি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এসব মাদক বিক্রির সময় তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু সুমন মাহমুদ শেখ তাদের জিহবা কেটে ফেলার হুমকি দেন। পরে ভয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকেন।

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বকুল বলেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে।

 

 

১৮/০৬/২০২৬ ইং

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.