পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জশনে জুলুস, নাতে রাসুল ও ওয়াজে নূরানী হয়ে উঠলো দুরছড়ি জামে মসজিদ

জসিম চৌধুরী, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি।
২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নবী প্রেমের বহিঃপ্রকাশে মুখরিত হয়ে উঠলো বাঘাইছড়ির দুরছড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ। দুরছড়ি জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে দিনব্যাপী জশনে জুলুস, ওয়াজ মাহফিল ও তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে পালিত হয় মহানবী (সা.)’র শুভাগমনের এই বরকতময় দিন।

সকাল থেকেই নবী প্রেমে সিক্ত সুন্নী জনতার পদচারণায় প্রাণ ফিরে পায় দুরছড়ি এলাকা। স্বেচ্ছাসেবকরা মসজিদকে বর্ণিল পতাকা ও ব্যানারে সজ্জিত করেন। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে মারহাবা ইয়া মোস্তফা ধ্বনি।

বিকাল ৩ টায় দুরছড়ি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ নুরুল আলম আনছারী’র নেতৃত্বে শুরু হয় জশনে জুলুছে আনন্দ র‍্যালি ।

নারায়ে তাকবির – আল্লাহু আকবার।
নারায়ে রিসালাত – ইয়া রাসুলাল্লাহ।
এই স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয় দুরছড়ি বাজার ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। বিভিন্ন বয়সের ধর্মপ্রাণ আশেকে রাসূলগণ র‍্যালিতে অংশ নেন। র‍্যালিটি পুরো এলাকা প্রদক্ষিণ করে মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

বাদ আসর থেকে শুরু হয় নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন। হৃদয় ছোঁয়া নাতের সুরে পুরো এলাকা এক নূরানী পরিবেশে পরিণত হয়।

বাদ এশা শুরু হওয়া ওয়াজ মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে তাফসির পেশ করেন কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ সাদ্দাম রেজা চিশতি। তিনি হুজুর পাক (সা.)’র জীবনাদর্শ, চরিত্র এবং ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে আলোচনা করেন।

ওয়াজ শেষে পবিত্র মিলাদ ও কিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাত শেষে আগত রাসূল প্রেমীদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দুরছড়ি জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উপস্থিত সুন্নী জনতারা বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে এলাকায় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও মজবুত হয়েছে। বিশ্ব নবীর জীবনাদর্শই পারে পৃথিবীতে শান্তি বয়ে আনতে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.