ফরিদপুরের সদরপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর কাশবন থেকে ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চর নাছিরপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের তিনদিন পর শাহাদাত বেপারী (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন ২০২৬) দুপুরে উপজেলার চর নাছিরপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ মুন্সী ডাঙ্গী গ্রামের আব্দুল জলিল শিকদারের জমির কাশবনের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাহাদাত বেপারী চর নাছিরপুর ইউনিয়নের মফিজউদ্দিন হাজীর ডাঙ্গী গ্রামের মো. আব্দুর রশিদ বেপারী ও নারগিস বেগমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৬ জুন) জুমার নামাজের পর প্রতিবেশী জালাল শেখের ছেলে জুনায়েদ (১০)-এর সঙ্গে চন্দ্রপাড়া ঘাটে বসা একটি অস্থায়ী মেলায় যায় শাহাদাত। সেখানে মেলার এক কর্মচারী ইয়াসিন (১৯) শিশুটিকে ডেকে নিয়ে পাশের একটি দোকান থেকে শরবত কিনে দেন। পরে ইয়াসিনের সঙ্গেই শিশুটিকে দেখা যায়।
সন্ধ্যার পর শাহাদাত বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন শনিবার সদরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
পরিবারের দাবি, সোমবার সকাল প্রায় ১১টা ১০ মিনিটে ইয়াসিন তার ইমো নম্বর থেকে শাহাদাতের বড় বোন রওশন আরাকে ফোন করে জানায়, তার ভাইয়ের মরদেহ ইউসুফ মুন্সী ডাঙ্গীর একটি কাশবনের মধ্যে পড়ে আছে। খবর পেয়ে চন্দ্রপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান দীপু এবং সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
সদরপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.