যশোরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর জমি ও ৩ কন্যাসন্তান কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র শাশা থানায় লিখিত অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা থানায় সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে জমি জোরপূর্বক লিখে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাকিলা খাতুন (৩০) নামের এক অসহায় নারী।গতকাল ১১ই জুন শার্শা থানায় হাজির হয়ে তিনি এই লিখিত অভিযোগ পেশ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতোয়ালী থানার বড় বাজার এলাকার জমির হোসেনের কন্যা সাকিলা খাতুনের সাথে শার্শা থানার শ্যামলাগাছী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলামের (৪৫) বিয়ে হয়েছিল।প্রায় ১৫ বছর সংসার জীবনে তাদের তিনটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে সাকিলা খাতুনকে তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে (তালাক) প্রদান করেন।
ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন জানান, সংসার করাকালীন সময়ে তার স্বামী তাকে ৩১ শতক জমি লিখে দিয়েছিলেন।

ডিভোর্সের পর ৩ কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি ওই ৩১ শতক জমির মধ্য থেকে ২১ শতক জমি অন্যত্র বিক্রয় করতে বাধ্য হন। কিন্তু জমি বিক্রির পর থেকেই বিবাদী নাজমুল ইসলাম, তার মা ফরিদা খাতুন (৫৫) এবং পিতা নজরুল ইসলাম (৬৬) বিভিন্নভাবে সাকিলাকে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করে।

অভিযোগে সাকিলা খাতুন আরও উল্লেখ করেন যে, বিবাদীরা এলাকায় প্রভাবশালী ও মাদক ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে স্থানীয় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না। বর্তমানে বাকি থাকা ১০ শতক জমিও বিবাদীরা যোগসাজশ করে জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।এমতাবস্থায় নিজের নিরাপত্তা এবং ৩ কন্যাসন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিরুপায় হয়ে শার্শা থানায় এই আইনি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।

অভিযোগপত্রে উল্লিখিত জমির বিবরণ অনুযায়ী, শ্যামলাগাছী মৌজার ২০০২ নং আর.এস দাগে ০৫ শতক এবং ২০১৪ নং দাগে ০৫ শতকসহ সর্বমোট ১০ শতক জমি অবশিষ্ট রয়েছে, যা দখল বা লিখে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন প্রশাসনের নিকট এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.