Category: সারাদেশ

  • কালীগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিয়ে ঠেকালো ভ্রাম্যমাণ আদালত, বাবার ৬ মাসের কারাদণ্ড

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :

    গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে আয়োজনের অভিযোগে কনের বাবাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ রায় দেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. রাকিব (৩৪) কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মিয়ার ছেলে। তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন। পরে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

    তদন্তে দেখা যায়, মেয়েটি মসলিন কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তার জন্ম নিবন্ধন যাচাই করে জন্মতারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ পাওয়া যায়। বয়স আইনি সীমার অনেক নিচে হওয়ায় বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

    এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। আদালত অভিযুক্ত মো. রাকিবকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতে বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।

    এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা বলেন, “বাল্যবিবাহ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি শুধু একটি শিশুর শিক্ষা ও স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করে না, বরং তার স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে। প্রশাসন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।”

  • নওগাঁয় ছাত্রাবাস থেকে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁ প্রতিনিধি :
    নওগাঁ সদর উপজেলার ডিগ্রি কলেজ এলাকার জননী ছাত্রাবাস থেকে ইমন হোসেন (২৫) নামে এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১ টায় সদর মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত ইমন হোসেন মান্দা উপজেলার মাগুরা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি নওগাঁ সরকারী ডিগ্রি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

    নওগাঁ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুনিরাজ্জামান জানান, শুক্রবার গ্রামের বাড়ি থেকে ছাত্রাবাসে ফেরেন ইমন। রাতে খাবার খেয়ে তিনি নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। শনিবার সকাল ১১টার দিকে দীর্ঘ সময়েও কক্ষের দরজা না খোলায় সহপাঠীরা তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন তারা।
    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে ইমন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    নওগাঁ সদর মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহা. আসাদুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

  • অবিশ্বাস্য হলেও সত্য মৌলভীবাজারে এক দিনে এক মসজিদে দুই বার জুম্মার নামাজ


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    একই দিনে,একই মসজিদে পর পর দুই বার পবিত্র জুম্মার নামাজ! শুনতে অবিশ্বাস্য ও অবাক করার মতো হলেও মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পৃথিমপাশা নবাব বাড়ির জামে মসজিদে যুগের পর যুগ ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে এই ব্যতিক্রমী ও অনন্য সংস্কৃতি। মূলত শিয়া ও সুন্নী—উভয় মতাবলম্বী মুসল্লিদের ধর্মীয় রীতিনীতি, খুতবা ও সময়ের ভিন্নতার কারণে এই একই মসজিদে পৃথক দুটি জুম্মার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    জমিদার আমল থেকে শুরু হওয়া শতাব্দীর প্রাচীন এই রেওয়াজ আজও কোনো প্রকার মতভেদে না জড়িয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে।

    সাধারণত বিভিন্ন মতাবলম্বীদের মধ্যে ধর্মীয় চর্চা নিয়ে নানা টানাফোড়ন দেখা গেলেও, পৃথিমপাশা নবাব বাড়ির চিত্র একেবারেই ভিন্ন। স্থানীয়দের মতে:- এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি কোনো বিভেদের প্রতীক নয়, বরং দুটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিয়া ও সুন্নী সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিবেশ রক্ষা করে আসছেন।

    ঐতিহাসিক এই নবাব বাড়ির জামে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী এবং দুই রীতিতে জুম্মা আদায়ের এই প্রাচীন ঐতিহ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ও বিশেষ করে শুক্রবার বহু দর্শনার্থী ভিড় জমান। ধর্মীয় উদারতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানটি এখন মৌলভীবাজারের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক স্মৃতি চিহ্নের আকর্ষণ।

    কোনো প্রকার সংঘাত ছাড়াই দুই ভিন্ন ধারায় ধর্মীয় আচার একই ছাদের নিচে একই দিনে উদযাপিত হওয়া-কুলাউড়ার পৃথিমপাশার নবাব বাড়িকে দেশের বুকে সম্প্রীতির এক অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ১৫৭ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৫৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।​আজ ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভোরে এই অভিযান পরিচালিত হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ৫৩ বিজিবির অধীনস্থ ওয়াহেদপুর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বিশরশিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৫৭ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬২,৮০০/- (বাষট্টি হাজার আটশত) টাকা। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে।
    ​
    সীমান্তে অপরাধ ও মাদক চোরাচালান দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ৫৩ বিজিবি। চলতি জুলাই মাসে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে ১ জন আসামিসহ মোট ৬০৫ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল নেশাজাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করেছে ৫৩ বিজিবি। জব্দকৃত এসব মাদক ও অন্যান্য সামগ্রীর সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৪,০২,৬০০/- (চার লক্ষ দুই হাজার ছয়শত) টাকা।
    ​
    এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, পুশ-ইন প্রতিরোধ করাসহ যেকোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিহত করতে এবং বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বিজিবির এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • বরিশালের উজিরপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ০১ নং সাতলা ইউনিয়নের উত্তর সাতলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ২৪ গ্রাম গাঁজাসহ এক অভিযুক্ত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছেন উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার উত্তর সাতলা গ্রামের মৃত মোঃ আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ কাওছার হোসেন এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার মাদক কার্যক্রমে এলাকার যুবসমাজের একটি অংশ নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছিল, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উজিরপুর মডেল থানার এসআই মোঃ তারেক আজিজের নেতৃত্বে এএসআই অন্তর আহমেদ, এএসআই আব্দুল আলী সহ পুলিশের একটি দল উত্তর সাতলা বাটাই বাড়ির সামনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সন্দেহভাজন কাওছার হোসেন এর দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ২৪ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করা হয়।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

    স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, উত্তর সাতলাসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। পুলিশের এই সফল অভিযানে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা মাদক নির্মূলে পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে জড়িত অন্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের চলমান অভিযান আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভূকশীমইল ইউনিয়নের অনামিকা রায় (১৮) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার (২৪শে জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় তাকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত অনামিকা রায় উপজেলার ভূকশীমইল ইউনিয়নের মৃনাল কান্তি রায়ের কন্যা।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই অনামিকা রায়ের মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

    এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

  • কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    ​কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    আগামী ১৬ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ​সভায় কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি ও মেয়র পদপ্রার্থী মো. আশরাফুল হক দাদন সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো.আরিফুর রহমান কাঞ্চন।

    ​এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, ​মো.সাজেদুর রহমান সজল সরকার (সাধারণ সম্পাদক, কটিয়াদী পৌর বিএনপি ও মেয়র পদপ্রার্থী) ​মো.গোলাম ফারুক চাষী (সাবেক আহ্বায়ক,পৌর বিএনপি ও মেয়র পদপ্রার্থী) ​সৈয়দ সামসুল আরেফিন তারা (সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপি ও মেয়র পদপ্রার্থী) ​মোছা.জাহানারা এমদাদ (মেয়র পদপ্রার্থী)।

    ​এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.শাহজাহান সিরাজী ও মীর মোশাররফ হোসেন মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.ফারুক পাটোয়ারী, কটিয়াদী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম রতন ও মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক লস্কর, সাবেক কমিশনার আলী হোসেন এবং পৌর নেতা শাহজাহান লস্করসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    ​সভাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাবু মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কমিশনার পদপ্রার্থী এইচ. এম. নাছির উদ্দিন।
    ​
    বক্তারা বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কটিয়াদী সফরকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে তৃণমূলের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একটি বিশাল জনসমাগম নিশ্চিত করা এবং সার্বিক সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদারে প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের সমন্বিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তারা।

    ​প্রস্তুতি সভায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

  • কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ৬ গরুচোরসহ দুই গরু উদ্ধার

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া ২টি গরু এবং গরু বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, গত ২২ জুলাই দিবাগত রাতে কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের সায়দ মিয়া (৪৩) ও আশিক মিয়া (৩৯)-এর গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কুলাউড়া থানা পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করে।
    ‎
    শুক্রবার (‎২৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলার বড়চেগ এলাকা থেকে গরুচোর সন্দেহে মো. ছাতিম আলী (৪৬), মো. পাবেল মিয়া (৩৫) ও মো. জাবেদ আলী (২৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শমশেরনগর রেলস্টেশন এলাকা থেকে মো. কামরুল ইসলাম ওরফে কেন্নাইকে (৩০) আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কুলাউড়া উপজেলার থলের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজনগর উপজেলার চাউরুলি এলাকার মো. জসিম আলী (৩৬) ও মো. হানিফ মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
    ‎
    ‎গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ উপজেলার বড়চেগ এলাকায় পাবেল মিয়ার বাড়ি থেকে চুরি হওয়া দুটি গরু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গরু দুটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়াও গরু ক্রয়-বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকাও জব্দ করা হয়েছে।
    ‎
    ‎পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় গরু চুরি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
    ‎
    ‎মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান প্রক্রিয়ায়

  • বান্দরবানে বন্যার্ত ৫০টির বেশি পরিবারের পাশে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও বন্ধন ব্লাড ডোনেশন ফাউন্ডেশন

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবান জেলার অসংখ্য পরিবার যখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় মানবতার সেবায় এগিয়ে আসে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং বন্ধন ব্লাড ডোনেশন ফাউন্ডেশন। দুই সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে বন্যাকবলিত এলাকার ৫০টিরও বেশি অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রী সফলভাবে বিতরণ করা হয়েছে।
    ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে বন্যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া এবং জীবন-জীবিকার সংকটে থাকা পরিবারগুলো এই সহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন। অনেকেই জানান, এমন দুর্যোগের সময় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এই মানবিক উদ্যোগ তাদের নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে।
    স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল দুর্গম এলাকায় গিয়ে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেয় এবং প্রকৃত অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়। পুরো কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও মানবিক দায়বদ্ধতা ছিল প্রশংসনীয়। প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে তারা নিরলসভাবে কাজ করে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানব।

  • জুলাই বিপ্লব স্মরণে ‘জ্বলজ্বলে জুলাই’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত


    ঢাকা প্রতিনিধি:
    ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি ও আহতদের ত্যাগ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘জ্বলজ্বলে জুলাই’।

    বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’-এর আয়োজনে আজ ২৪ জুলাই, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠানটি হয়।
    ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজীবন’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারগুলোর সদস্যরা উপস্থিত থেকে তাঁদের স্বজনদের স্মৃতিচারণ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনে গ আহত ব্যক্তিরা জুলাইয়ের রক্তঝরা দিনগুলোর সাহসী ও নির্মম অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা তাঁদের বক্তব্য শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

    স্মৃতিচারণের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পরিবেশন করা হয়। দেশের বরেণ্য ও জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে অংশ নেন। পরিবেশনার মধ্যে ছিল বিপ্লবী ও দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রতিবাদী নাচ, মাইম (মূকাভিনয়), জাদু প্রদর্শনী এবং কাওয়ালি ইত্যাদি।

    বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগ্রত রাখতেই এই আয়োজন। অনুষ্ঠানটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ সবান্ধব উপস্থিত থেকে আয়োজনটি উপভোগ করেন