Category: সারাদেশ

  • নেত্রকোনায় মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে অনুদান হাতানোর অভিযোগ খালিয়াজুরী প্রেসক্লাব আহবায়কের বিরুদ্ধে


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রেসক্লাবের অনুদানের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং কর্মস্থল নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসায় নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি উঠেছে। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্য ও স্থানীয় সচেতন মহল এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ তিন মাস হলেও মো. হাবিবুল্লাহ প্রায় দুই বছর ধরে আহ্বায়কের দায়িত্ব আঁকড়ে ধরে আছেন। পদে থেকে ক্লাবের সাধারণ সভা কিংবা নির্বাচন দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম, আর্থিক জবাবদিহিতা ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি সদস্যদের।

    প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্যের অভিযোগ, গত দুই বছরে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উৎস থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হলেও এর আয়-ব্যয়ের কোনো পূর্ণাঙ্গ হিসাব সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। তারা অনুদানের অর্থের উৎস, ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান দাবি করেছেন।

    প্রেসক্লাব সদস্য মামুন ইয়ার চৌধুরী বলেন, ‘প্রেসক্লাবের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।’ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. হাবিবুল্লাহ নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত কর্মচারী। পাশাপাশি তিনি ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা থেকে প্রকাশিত একাধিক দৈনিক পত্রিকার খালিয়াজুরী উপজেলা প্রতিনিধি এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা হিসেবে পরিচয় বহন করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি নিয়মিতভাবে মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করেন না।

    উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী হাসান চৌধুরী পিন্টুসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও শিক্ষক তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলেছেন।নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসার সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ সপ্তাহের কয়েকটি কর্মদিবসে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকেন। বিষয়টি সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীমকে অবহিত করা হয়েছিল।

    তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. হাবিবুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় ২১ মাস ধরে প্রেসক্লাবের দায়িত্ব পালন করছি। খুব শিগগিরই সাধারণ সভা আহ্বান করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম হয়নি। সাংবাদিকতা বা প্রেসক্লাব থেকে আমি কোনো আর্থিক সুবিধাও গ্রহণ করি না।’ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুল বারী বলেন, ‘এমপিওভুক্ত কোনো কর্মচারীর সাংবাদিকতা বা সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমার জানা নেই।

    এদিকে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেনি। তবে প্রেসক্লাবের অনুদানের অর্থের হিসাব প্রকাশ, মাদ্রাসায় অনুপস্থিতির অভিযোগ যাচাই এবং প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সদস্যরা ও স্থানীয় সচেতন মহল।

  • দীঘিনালার দুর্গম অবহেলিত এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলেন সেনাবাহিনী


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় বসবাসরত জনগণের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি রিজিয়ন।
    গতকাল বিন্দু কুমার কার্বারী পাড়ায় ১৯০ ফুট গভীর ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করে পানি সরবরাহ উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেপটেন্যাল কর্ণেল মো: আল- আমিল পিএসসি।

    উদ্বোধনী অনুষ্টানে আরো উপস্তিত ছিলেন ৫নং বাবুছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমা, ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুরেশ চাকমাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

    সেনাবাহিনীর সুত্রে জানা গেছে , দূর্গম অবহেলিত পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত পরিবারে লোকজন বছরের পর বছর পানি জলের জন্য দূরবর্তী ঝিরি ও প্রাকৃতিক পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকত। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট চরম আকার ধারণ করায় স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ব্যাহত হতো।

    এ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীঘিনালা জোন প্রয়োজনীয় জরিপ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা উদ্যোগ গ্রহন করে।

    এর ফলে স্থানীয় ১০৫টি পরিবারের ৩৫০জন নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে এবং তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।

  • বিমানবন্দরে রেলওয়ে স্টেশনে বন্ধহচ্ছে না টিকিট রিসেলিং সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব


    মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি:
    ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন-এ যাত্রীসেবার মান উন্নত হলেও টিকিট সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে টিকিট রিসেলিং এবং অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ট্রেনে যাত্রীদের টিকিট চেক করে বৈধ টিকিট সংগ্রহ করে তা ট্রেনের এটেনডেন্টদের কাছে বিক্রি করছেন। পরে সেই টিকিট অন্য যাত্রীদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে তারা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন-এ নির্বিঘ্নে বের হতে পারে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

    যদিও নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের টিকিট চেক করার এখতিয়ার নেই, অতীতে টিকিট চেকার (টিসি) সংকটের কারণে তারা এ কাজে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে পর্যাপ্ত টিসি থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ রয়েছে, তাদের একটি অংশও নানা অনিয়মে জড়িত।

    যাত্রীদের অভিযোগ, অনলাইন টিকিট দেখালে অনেক সময় টিসিরা ক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাবি করেন। তা দেখাতে না পারলে জরিমানার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হয়। বিশেষ করে বিদেশগামী যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি শিশুদের জন্য অতিরিক্ত টিকিটের অজুহাতেও টাকা নেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে টিকিট ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাদের গেট পার করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবার টিকিট না কেটেই অর্থ নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর ঢাকা বিভাগের ডিভিশনাল কমার্শিয়াল অফিসার মো. মহব্বতজান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর কিছু টিসিকে বদলি করা হয়েছে। তবে হেড টিসি মো. মনির দাবি করেন, টিকিট রিসেলিংয়ে টিসিরা নয়, বরং নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) সদস্যরা জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ভুয়া বা ফটোকপি টিকিট ধরা পড়লে জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়মের আড়ালে বৈধ যাত্রীদেরও হয়রানি করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, টিকিটবিহীন যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে পরে কয়েকজনকে একত্র করে একটি টিকিট করা হয়—এমন ব্যাখ্যা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    ভুক্তভোগী যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • বুড়িচংয়ে সোমবার ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর ৫০তম বার্ষিক ওরস মাহফিল


    বুড়িচং কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর পশ্চিমপাড়ায় শায়িত হযরত শাহসূফী ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর স্মরণে ৫০তম বার্ষিক ওরস মাহফিল আগামী সোমবার (২২ জুন) অনুষ্ঠিত হবে।

    আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদ মাঠে, মাজার শরীফ সংলগ্ন স্থানে বাদ আসর থেকে মহাসমারোহে এ ওরস মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

    মাহফিলে প্রধান আলোচক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আশেকে রাসুল হযরত মাওলানা মো. আবু তাহের বখশী সুন্নী আল কাদরী, আলোড়ন সৃষ্টিকারী তরুণ বক্তা হাফেজ কারী মাওলানা মুহিবুর রহমান আশেকী (শাসন কদমতলা গাউছিয়া করিমিয়া দরবার শরীফ, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার), বিশিষ্ট খাদেম হযরত মো. আতাউর রহমান (শাহপুর দরবার শরীফ, কুমিল্লা), কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির দপ্তর সম্পাদক আলহাজ শাহ মো. ইউনুছ গাফফারী বখশী, মাওলানা পীরজাদা শেখ সাদী আবদুল্লাহ সাদকপুরী (গদ্দিনিশীন, নজরুলিয়া দরবার শরীফ, বুড়িচং), তরুণ বক্তা হাফেজ কারী মাওলানা বশির আহমদ ফারুকী, মাওলানা মুফতি মো. মজিবুল বাশার, খতিব আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদ এবং হাফেজ মো. ইকরাম উদ্দিন, ইমাম, আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদ।

    আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদের সভাপতি হাজী মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং মাজার ও খানকা শরীফের পরিচালক গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হবে।

    আয়োজকরা জানান, ওরস মাহফিলে স্থানীয় পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। একই সঙ্গে দল-মত নির্বিশেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মাহফিলে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে।

    মাহফিল উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান মাজার ও খানকা শরীফের পরিচালক গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির।

  • কটিয়াদীতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মর্তুজা আল কামালকে গণসংবর্ধনা


    কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার কৃতি সন্তান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মর্তুজা আল কামাল (মুস্তাক)-কে গণসংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা যুবদল।

    আজ বিকেল ৫টায় কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    এসময় অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, ছাত্র ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট ওমর জাকির ভুইয়া বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কটিয়াদী থানা বিএনপি এবং সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা বার-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মর্তুজা আল কামাল।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদল দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবে।”

    তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের নেতাকর্মীদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার সংগ্রামে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সক্রিয় থাকবে।”

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা অ্যাডভোকেট মর্তুজা আল কামালের রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। পাশাপাশি আইন পেশায় সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন।

    উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়ির সন্তান অ্যাডভোকেট মো. মর্তুজা আল কামাল বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক নম্বর আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ-৬ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও কটিয়াদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ইলিয়াস আলী, সাবেক ছাত্রদল নেতা মাহবুবুর রহমান শিকদার রাজীব, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুর রহমান সাইফুল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান ভুইয়া উজ্জ্বল, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া, কটিয়াদী সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহীন রিয়াজ, আচমিতা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন রুবেল, চান্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহন ভুইয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, যুবনেতা জাহিদুজ্জামান নাঈম, মুমুরদিয়া ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবু হানিফ, লোহাজুড়ি ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কটিয়াদী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আজিজুর রহমান জনিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    অনুষ্ঠান শেষে নেতাকর্মীরা অ্যাডভোকেট মর্তুজা আল কামালকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করেন এবং তাঁর রাজনৈতিক ও পেশাগত সাফল্যের ধারাবাহিকতা কামনা করেন।

  • খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দীর্ঘ দেড় ঘন্টা অবরোধ করে রাখে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার গচ্ছাবিল এলাকায় গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন কাজে ১১ আনসার ব্যাটালিয়নের বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দীর্ঘ দেড় ঘন্টা অবরোধ করে রাখে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। ফলে রাস্তার দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, চরম ভোগান্তিতে পড়েন খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামগামী যাত্রীরা।

    রবিবার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গচ্ছাবিল আনসার সদর দপ্তর সংলগ্ন সড়কে এই অবরোধ করে এলাকাবাসী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গচ্ছাবিল আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন গচ্ছাবিল গুচ্ছগ্রামের একটি প্রাচীন কাঁচা গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হলে তাতে বাধা দেয় পাশ্ববর্তী ১১ আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। তাদের দাবি, সড়কটি আনসার ক্যাম্পের সীমানার আওতাভুক্ত। পক্ষান্তরে, স্থানীয়দের দাবি এটি তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এবং এই উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হলে পুরো গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

    উন্নয়ন কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন গচ্ছাবিল গুচ্ছগ্রামের শত শত বাসিন্দা। নারী-পুরুষ শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে স্থানীয় জনতা বিকাল থেকেই খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে অবস্থান নেন। তারা আনসার ব্যাটালিয়নের এই উন্নয়নবিরোধী ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন এবং অবিলম্বে রাস্তার উন্নয়ন কাজ চালু করার দাবি জানান।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ ও জনপ্রতিনিধি বলেন, আমাদের ট্যাক্সের টাকায় সরকার রাস্তা করে দিচ্ছে, সেখানে আনসার বাহিনী কেন বাধা দেবে এই রাস্তা আমাদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। এটা বন্ধ হলে আমাদের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং রোগীদের যাতায়াত একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।

    প্রধান সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ১১ আনসার ব্যাটালিয়ন পরিচালক (সিও) দেওয়ান মাতলুবুর রহমান, মানিকছড়ি সেনা ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মুহতাসিম আলভী রাইম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মীর হোসেনসহ স্থানী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি নিয়ে আনসার ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে বসে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নিলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

  • বিশ্ব বাবা দিবসে ‘সেরা বাবা সম্মাননা-২০২৬’ ও ‘স্টার অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান।


    ঢাকা প্রতিনিধি:বিশ্বের সকল বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় উদযাপিত হলো বিশ্ব বাবা দিবস। এ উপলক্ষে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও মাদক বিরোধী সংগঠন ‘বাংলার বীর ফাউন্ডেশন’ এবং অরাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা ফোরাম’-এর যৌথ আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    আজ রবিবার (২১ জুন, ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলা মোটরে অবস্থিত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সফল ও অনুকরণীয় বাবাদের সম্মান জানাতে ‘সেরা বাবা সম্মাননা-২০২৬’ এবং ‘স্টার অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

    উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব (অব:), বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যকার ও প্রযোজক ড. শেখ মহঃ রেজাউল ইসলাম। স্মার্ট উদ্যোক্তা ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদিকা মাহফুজা শিউলি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:এস এম আমান উল্লাহ (বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক), মাকসুদেল হোসেন খান মাকসুদ (নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন এবং সভাপতি, সমীকরণ আদর্শ সাংস্কৃতিক সংগঠন), অধ্যাপক রোকেয়া বেগম (শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী),ওবায়দা বেগম (স্বত্বাধিকারী, শখ থেকে শপ) অনুষ্ঠানটির মূল পরিকল্পনায় ছিলেন বাংলার বীর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা।

    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন স্মার্ট উদ্যোক্তা ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদিকা সালমা সুলতানা এবং খ্যাতিমান তরুণ আবৃত্তি শিল্পী সৌখিন আজিজ।সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল গুণী ব্যক্তিত্বদের মাঝে ‘সেরা বাবা সম্মাননা’ প্রদান।
    ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ শেষে ক্ষুদে নৃত্যশিল্পীরা চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। উক্ত আয়োজনে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে সন্তানের জীবনে বাবার অপরিসীম ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করে পৃথিবীর সকল বাবাদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়।

  • দীঘিনালা সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চারা বিতরণ


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীঘিনালা সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চারা বিতরণ করা হয়েছে।

    রবিবার (২১ জুন) নিউজিল্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণের মাঝে ১হাজার ৬শত ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

    এ সময় দিঘীনালা জোনের অধিনায়ক লেপটেন্যাল কর্ণেল আল আমিন বলেন, একটি সবুজ ও পাহাড়ের বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ু দূষণ কমানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে।

    কর্মসূচিতে স্থানীয় বাবুছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা, ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

    অংশগ্রহণকারীরা দীঘিনালা সেনা জোনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • রায়গঞ্জের সলঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে আটক ১


    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা:
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার মালতিনগর ফকিরপাড়া জিন্নাত আলী আকন্দের বাড়িতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে এসে আটক হয়েছেন ১ জন।

    ২১ জুন রবিবার সকাল ৯ টায় রাসেল নামের এক যুবক জিন্নাত আলীর নামে মামলা আছে বলে সমাধান করার জন্য ১ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করে। এতে বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হলে তাকে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে যুবক সাথে থাকা ভ্যানচালকের জবানবন্দিতে চাঁদাবাজির ঘটনা সত্যতা পায়।

    জিন্নাত আলী জানান, সকালে খাবার খাচ্ছি তখন ভ্যান যোগে একটি ছেলে এসে বলে আপনার নামে মামলা আছে আমি ডিবি পুলিশ। এতে আমাদের সন্দেহ হয় পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে দেখাতে না পারায় জনতার সহযোগিতায় তাকে বেঁধে রাখি। রাসেল সলঙ্গা ইউনিয়নের সাতটিকরি বট তলা গ্রামের মোঃ মছের আলীর ছেলে।

    ভুয়া ডিবি রাসেল বলেন, সাতটিরি গ্রামের মেহেদী আমাকে ৫০০ টাকা দিয়ে মালতি নগর জিন্নাতের বাড়ি ডিবি পরিচয় দিয়ে হুমকি দেওয়ার জন্য পাঠায়। অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল হোসেন বলেন,য়ভুয়া ডিবি পরিচয় দিলে জনতা তাকে আটক করে। ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই আকন্দ জানান, মালতিনগর গ্রাম থেকে এক যুবককে পুলিশ আটকের ঘটনা জানতে পেরেছি। সলঙ্গা থানার এস আই আনোয়ারুল ইসলাম ও কনস্টেবল ফারুক কামাল জানান, ডিবি পরিচয়দানকারী যুবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম আলী মুঠোফোনে জানান,আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

  • রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আইয়ুব বাঘাইছড়িতে র‍্যাবের হাতে আটক।


    বাঘাইছড়ি,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত অস্ত্রধারীদের ‘মাস্টারমাইন্ড’ মো: আইয়ুবকে আটক করেছে র‍্যাব-৭।

    ২১ শে জুন, (শনিবার) সকাল ৬টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুরছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক হওয়া আইয়ুব চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকার আব্দুল মোনাফের ছেলে।

    র‍্যাব সূত্র জানায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র‍্যাব-৭ এর একটি টিম দুরছড়িতে অভিযান চালায়। এসময় স্থানীয় শাহআলমের বাড়িতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় আইয়ুবকে আটক করা হয়। তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে যাচ্ছে র‍্যাব।

    বাঘাইছড়ি থানার ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার অভিযান ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    উল্লেখ্য, পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবদল নেতা মাসুদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আইয়ুবকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।