Category: সারাদেশ

  • রাজাপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে ৪ কিলোমিটার কবিরাজবাড়ি খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালোকাঠির রাজাপুরে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কবিরাজবাড়ি খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে সদর এলাকার দক্ষিণ বাজার জালিয়াবাড়ি এলাকা থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

    খান বাড়ি ও সিকদার বাড়ির উদ্যোগে জাকির খানের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন বয়সী অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে তারা কচুরিপানা, আগাছা ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করেন।
    উদ্যোক্তারা জানান, সম্প্রতি খালটি খনন করা হলেও কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যে আবারও ভরাট হয়ে পড়ে। ফলে পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

    অভিযানের নেতৃত্বদানকারী জাকির খান বলেন, তুলাতলা, বাইপাস, টিএন্ডটি, বাজার ও পুরাতন জেলখানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে খালটি প্রবাহিত হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে বাঁধ, দখল এবং কচুরিপানা জমে থাকায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে খালটির গুরুত্ব অনেক। তাই স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, খালের কয়েকটি স্থানে থাকা মাটির বাঁধ পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে, যাতে পানির প্রবাহ নির্বিঘ্ন থাকে।
    স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, খালটি নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখা গেলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং এলাকার পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।

    উদ্যোক্তারা জানান, খাল রক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে প্রতি টিকিটে ৫ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নীরব

    শরিফ,ভৈরব উপজেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রির সময় যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

    অভিযোগ অনুযায়ী‌ টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয়ের সময় অনেক যাত্রীর কাছে ভাংতি টাকা না থাকার অজুহাত দেখিয়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা অতিরিক্ত টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    একাধিক যাত্রী জানান, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভৈরব স্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। টিকিট প্রতি ৫ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করা হলেও অধিকাংশ যাত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন না। ফলে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত আদায় হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    যাত্রীদের অভিযোগ, দ্রুত এ অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সাটুরিয়ার বালিয়াটিতে চাঁদাবাজি-হুমকির অভিযোগ: জিম্মি দশায় ৫ গ্রামের মানুষ

    মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের ভাটারা, ভাঙাবাড়ি, গর্জনা, কড়াইল ও শিমুলিয়া গ্রামের সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক চাঁদাবাজি, জিম্মি ও ভয়ভীতির ঘটনায় এলাকাবাসী দিশেহারা।

    ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে:

    *১. জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ*
    ভাটারা গ্রামের মো. শাহীন আলম, পিতা: মন্টু অভিযোগ করেছেন, তার নিজের বাড়ি মাপার সময় বালিয়াটি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতোয়ার রহমান ঠান্ডু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এবং স্থানীয় মাতবর মোহাম্মদ আলী জোরপূর্বক তাকে জিম্মি করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন।

    *২. ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা*
    একই চক্রের বিরুদ্ধে ভাটারা বাজারের ব্যবসায়ী আকাশ মাহমুদের কাছ থেকে জোরপূর্বক আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

    *৩. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিলে হাত*
    সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ভাঙাবাড়ি ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থান কমিটির তহবিল থেকেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অনেকে প্রতিনিয়ত এই চক্রের কাছ থেকে চাঁদা দাবি ও নানামুখী হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

    *এলাকাবাসীর দাবি:*
    ভয়ভীতির কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এমতাবস্থায় এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। সাধারণ মানুষকে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

  • যশোরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর জমি ও ৩ কন্যাসন্তান কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র শাশা থানায় লিখিত অভিযোগ

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা থানায় সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে জমি জোরপূর্বক লিখে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাকিলা খাতুন (৩০) নামের এক অসহায় নারী।গতকাল ১১ই জুন শার্শা থানায় হাজির হয়ে তিনি এই লিখিত অভিযোগ পেশ করেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতোয়ালী থানার বড় বাজার এলাকার জমির হোসেনের কন্যা সাকিলা খাতুনের সাথে শার্শা থানার শ্যামলাগাছী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলামের (৪৫) বিয়ে হয়েছিল।প্রায় ১৫ বছর সংসার জীবনে তাদের তিনটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে সাকিলা খাতুনকে তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে (তালাক) প্রদান করেন।
    ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন জানান, সংসার করাকালীন সময়ে তার স্বামী তাকে ৩১ শতক জমি লিখে দিয়েছিলেন।

    ডিভোর্সের পর ৩ কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি ওই ৩১ শতক জমির মধ্য থেকে ২১ শতক জমি অন্যত্র বিক্রয় করতে বাধ্য হন। কিন্তু জমি বিক্রির পর থেকেই বিবাদী নাজমুল ইসলাম, তার মা ফরিদা খাতুন (৫৫) এবং পিতা নজরুল ইসলাম (৬৬) বিভিন্নভাবে সাকিলাকে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করে।

    অভিযোগে সাকিলা খাতুন আরও উল্লেখ করেন যে, বিবাদীরা এলাকায় প্রভাবশালী ও মাদক ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে স্থানীয় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না। বর্তমানে বাকি থাকা ১০ শতক জমিও বিবাদীরা যোগসাজশ করে জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।এমতাবস্থায় নিজের নিরাপত্তা এবং ৩ কন্যাসন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিরুপায় হয়ে শার্শা থানায় এই আইনি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।

    অভিযোগপত্রে উল্লিখিত জমির বিবরণ অনুযায়ী, শ্যামলাগাছী মৌজার ২০০২ নং আর.এস দাগে ০৫ শতক এবং ২০১৪ নং দাগে ০৫ শতকসহ সর্বমোট ১০ শতক জমি অবশিষ্ট রয়েছে, যা দখল বা লিখে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন প্রশাসনের নিকট এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

  • বুড়িচংয়ে শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনার মেলা অনুষ্ঠিত

    বুড়িচংয়ে শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনার মেলা অনুষ্ঠিত

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধা, বিজ্ঞানচর্চা, উদ্যোক্তা মনোভাব ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারার বিকাশের লক্ষ্যে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Programme” শীর্ষক মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকালে বুড়িচং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে Educational Excellence Support Scheme (EESS)-ACDP-এর উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাবলিহা আনবার, বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী আলিফ আহমেদ অক্ষর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির বাবুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ কাউছার সবুজ, সদস্য সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, বিআরডিবির চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কবির আহমেদ, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, বাকশীমূল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সফিকুল ইসলাম, পীরযাত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজহারুল ইসলাম এবং বুড়িচং কালী নারায়ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার উম্মে সালমা।

    পরে প্রধান অতিথি মেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্থাপিত স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং তাদের উপস্থাপনা মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন।

    শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, গবেষণামূলক চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী কাজের প্রশংসা করে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, গবেষণা ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি নতুন নতুন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

  • রাজাপুরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাজাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজাপুর-কাঁঠালিয়া আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি। সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, উদ্ভাবনী ধারণা ও স্টার্টআপ উদ্যোগ উপস্থাপন করেন। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতার প্রতিফলন ঘটে।

    বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এডুকেশনাল এগ্রিমেন্ট সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
    এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সরকারি কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

    অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।

  • জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬: সদরপুর সরকারি কলেজের ড. মো. জিয়াউর রহমান শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক (কলেজ) নির্বাচিত

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে সদরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক (কলেজ) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওনের সভাপতিত্বে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী মজুমদার, সমাজসেবা কর্মকর্তা কাজী শামীম, কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল বাশার চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুতজ্জামান বদু, সদস্যসচিব তারিকুল ইসলাম কবির মোল্যাসহ বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুধীজন।

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠদের সম্মাননা প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় সদরপুর সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক (কলেজ) হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    এ অর্জনে সদরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদ ও সহকর্মীরা তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তার এই সাফল্য কলেজের জন্য গৌরবের বলে উল্লেখ করেন।

    নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে ড. মো. জিয়াউর রহমান বলেন,আমাকে যোগ্য মনে করে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আমার তথ্য প্রেরণ করায় অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়, শিক্ষক পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    একই সঙ্গে আমাকে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক (কলেজ) হিসেবে নির্বাচিত করায় উপজেলা প্রশাসনের প্রতিও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    তার এ স্বীকৃতিতে সদরপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও ড. মো. জিয়াউর রহমান শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে প্রতিষ্ঠান ও এলাকার সুনাম আরও সমুন্নত রাখবেন।

  • ​নারী শিক্ষায় নতুন বার্তা: স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ার আশ্বাস পপর্যটনমন্ত্রী

    ​সাটুরিয়া প্রতিনিধি:দেশে নারীদের উচ্চশিক্ষা আরও সহজলভ্য করতে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার প্রস্তাব বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেছেন, নতুন বাজেটে নারী শিক্ষা সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    ​শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত ‘এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)’ এবং ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ কর্মসূচির উদ্বোধন।
    ​বাজেট ও উদ্ভাবন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন:
    ​”এবারের বাজেট জনগণের কল্যাণ ও দেশের টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষা খাতে যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে, তা শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।”
    ​শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি কেবল প্রদর্শনীতে সীমাবদ্ধ না থেকে, উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোর বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান। একই সাথে, নারী শিক্ষার এই অগ্রযাত্রাকে সফল করতে শিক্ষকদের আরও যত্নশীল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার অনুরোধ করেন।
    ​পুরস্কার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ
    ​আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে:
    ​১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
    ​বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
    ​নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ সারওয়ার আলম এবং ফকির জাকির হোসেন।
    ​উল্লেখ্য, দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাটুরিয়া উপজেলার ১৭টি উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

  • প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিল জামায়াতে ইসলামী 

    যাত্রাবাড়ি, ঢাকা প্রতিনিধি: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে গনবিরোধী আখ্যা দিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাজেট পেশ করা হলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে নতুন অর্থবছরের এই বাজেটকে ‘গণবিরোধী ও গণনিপীড়ক’ বলে আখ্যা দেন দলটির নেতাকর্মীরা।

    বিক্ষোভ মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেন।

  • বিপ্লবী পরিষদে অঙ্গীভূত হলো এনজিএসের ৩০০ সংগঠক

    যাত্রাবাড়ি, ঢাকা প্রতিনিধি: নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ-এনআরসির সঙ্গে তরুণদের সংগঠন নেক্সট জেনারেশন সোসাইটি-এনজিএস অঙ্গীভূত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সংগঠনটির তিনশত সংগঠক এনআরসিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যোগদান অনুষ্ঠানে অঙ্গীভূত হওয়ার এ ঘোষণা দেন এনজিএসের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ, যুগ্ম মুখ্য-সংগঠক হাফেজ আলিফ হোসাইন ও সংগঠক কাওসার আহমেদ।

    এ সময় এনআরসির আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান ও সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ তাদের মিষ্ট মুখ করে বরণ করে নেন।

    যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, এনআরসির সিনিয়র সদস্য যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামসুদ্দিন, সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম ও গালীব ইহসান, বিপ্লাবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং এনজিএসের ঢাকা মিরপুর জোনের নেতা ⁠মাহাদী ও রাকিব।