Category: সারাদেশ

  • সদরপুরে ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার


    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ভুবনেশ্বর নদ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্মশানঘাট সংলগ্ন নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে কৃষ্ণপুর চিতাখোলা শ্মশানের পেছনে ভুবনেশ্বর নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বিষয়টি সদরপুর থানা পুলিশকে জানানো হলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। মরদেহটি মারাত্মকভাবে পচে-গলে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় সেটি পুরুষ নাকি নারীর, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্‌ জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৬-৭ দিন আগে মরদেহটি নদে ফেলা হয়েছে বা ভেসে এসেছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টের ফলাফল হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং বিস্তারিত রহস্য জানা যাবে।

    এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ মরদেহের পরিচয় শনাক্তকরণসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

  • জলবায়ু রক্ষায় কটিয়াদীতে জামায়াতের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আজিজুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদার।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর সাইদুল হক বিএসসি, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হাসান, কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়ল, যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আলী হোসেন রণি কাউসারী, উপজেলা অফিস সেক্রেটারি জামাল উদ্দিন মাস্টার, পৌর আমীর আনিসুজ্জামান রুবেল মাস্টার এবং উপজেলা মানবসম্পদ সেক্রেটারি ওয়াহিদুল হক মাস্টার প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ,পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

    মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হবে বলে আয়োজকরা জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ বৃদ্ধি করবে।

  • বাপুস ঝালকাঠি শাখায় ভোটার তালিকা বিতর্ক, কেন্দ্রীয় কমিটির হস্তক্ষেপ চায় সদস্যরা


    ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) ঝালকাঠি জেলা শাখার আসন্ন ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে ভোটার তালিকা ও আর্থিক হিসাবের অসঙ্গতির অভিযোগে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের দুই সদস্য।

    কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, জেলা শাখার ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপিত সাধারণ সম্পাদকের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৫ অনুযায়ী সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩৮ জন। তবে একই সভায় উপস্থাপিত আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী মাত্র একজন নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং ২৯ জন সদস্যের সদস্যপদ নবায়নের তথ্য দেখানো হয়েছে। এ হিসেবে মোট ৩০ জন সদস্যের কাছ থেকে সদস্য ফি বাবদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা আদায়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়।

    অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে নতুন সদস্য হয়েছেন দুইজন। তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ২০ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হলেও সেই অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব আয়-ব্যয়ের বিবরণীতে প্রতিফলিত হয়নি। এছাড়া লাইব্রেরির মালিকানা পরিবর্তন, সদস্যপদ হস্তান্তর এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংগঠনের তহবিলে অর্থ জমা হলেও তার বিস্তারিত তথ্য বার্ষিক হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়নি।

    লিখিত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সদস্যপদ নবায়নকারী সদস্যের সংখ্যা ৩০ জন হলেও প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ৩৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে ভোটার তালিকার বৈধতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এসব অসঙ্গতি নিরসন ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাপুস ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি ও মেসার্স আদর্শ লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কালাম আজাদ এবং সাধারণ সম্পাদক ও নুরিয়া লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. হাসিবুল ইসলাম নিপুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    এদিকে আবেদনকারীরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির কাছে সদস্যপদ ও আর্থিক হিসাবের নিরপেক্ষ তদন্ত, হালনাগাদ ও বৈধ ভোটার তালিকা প্রকাশ, সদস্যপদ নবায়ন না করা ব্যক্তিদের ভোটাধিকার বাতিল এবং কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও সদস্যপদ হস্তান্তর সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    উল্লেখ্য, আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন ইসলামিয়া লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম এবং ছাত্রবন্ধু লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী আবু জাফর বিশ্বাস।

    তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগকে ঘিরে বাপুসের সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

  • শার্শায় আইনজীবি মিন্টুকে গ্রেফতার থেকে বাঁচালেন গ্রামবাসী


    শার্শা(যশোর) প্রতিনিধি:যশোরের শার্শায় কোন মামলা বা অভিযোগ ছাড়া আইনজীবি মোস্তফা কামাল মিন্টুকে গ্রেফতার চেষ্টা ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে । গ্রামবাসীর বাঁধার মুখে রক্ষা পান তিনি। তবে পুলিশের অভিযোগ একটি মামলার আসামী হওয়ায় তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলকালে তার লোকজন গ্রেফতারে বাঁধা দেয়।

    মোস্তফা কামাল মিন্টু আইনজীবির পাশাপাশি
    শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

    বৃহস্পতিবার(০৪ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে শার্শার শ্যামলাগাছি গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    আইনজীবি মিন্টু জানান, গত ২৯ মে শার্শার শ্যামলাগাছি গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে মামুন হাসান জুয়েলসহ কয়েকজনকে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবেশি কয়েকজন মারধোর করেন। এঘটনায় ঐ দিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি দায়ের হয়। তবে জিডিতে আমার নাম উল্লেখ না থাকলেও ৪ জুন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও শার্শা থানা পুলিশ আমাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আশ,পাশের লোক ছুটে আসলে জনরসে পড়ে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। এসময় তিনি শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত হন। তিনি জুয়েলের মারধরের সাথে কোন ভাবে জড়িত ছিলেন না। সামনে উপজেলা নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী এছাড়া আইনজীবি পেশার কারনে অনেকেই শত্রু হয়ে পড়েছে। যেসব কারনে প্রতিপক্ষরা আমাকে বিতর্কে ফেলতে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানি করছে। কোন অভিযুক্ত না হয়েও কোন ধরনের গ্রেফতারী পরওয়ানা ছাড়ায় শত্রুপক্ষের মদদে পুলিশ ধরতে এসেছিল। এছাড়া তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখেছেন শার্শা থানায় তার নামে কোন মামলা দায়ের হয়নি।
    বিষয়টি জেলা বিএনপি নেতাদের অবগত করা হয়েছে।

    জুয়েলের প্রতিবেশি এমএম কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, মামুন হাসান জুয়েল বিগত সরকারের সময়ে প্রভাব বিস্তার করে গ্রামের অনেককে মারধোর,লাঞ্চিত ও মিথ্যা মামলায় সহযোগীতার হাত রয়েছে। সে ঈদ ছুটিতে বাসলে ঐসব মানুষের সাথে তর্কে জড়িয়ে এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ মানুষেরা তাকে মারধোর করে

    এদিকে মামুন হাসান জুয়েলের স্বজন কনেদাহ গ্রামের আব্দুল বারিক জানান, বালি ব্যবসা নিয়ে এই মারধোরের ঘটনা ঘটেছে। ঐ ঘটনায় তিনিও আহত হয়েছেন। তবে জিডিতে তিনি আইনজীবি মিন্টুর নাম উল্লেখ করেননি।

    যশোর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, মারধোরের অভিযোগের ঘটনায় ইতিমধ্যে একটা তদন্ত কমিটি করে সত্যতা যাচাইয়ে কাজ চলছে। যে কোন অপরাধ মুলক কাজের বিরুদ্ধে আমাদের দল এখন জিরো টলারেন্স ভুমিকায়। যদি এখানে কারো বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমান মেলে তবে দল তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক পদক্ষেপ গ্রহন করবে।

    এসব বিষয়ে যশোরের নাভরণ সার্কেল এএসপি আরিফ হোসেন জানান, মারধোরের শিকার মামুন হাসান জুয়েল একজন পুলিশ সদস্য। ছুটিতে সে বাড়িতে আসলে পূর্ব শত্রুতায় তাকে ও তার স্বজনদের মারধোর করে কয়েকজন। এঘটনায় মোস্তফা কামাল মিন্টু প্রধান আসামী। তাকে গ্রেফতার করতে গেলে তার লোকজন বাঁধা দেয়।

  • কটিয়াদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাশুড়ি-বউয়ের করুণ মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া


    কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    ​কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর এক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

    আজ শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের উখড়াশাল গ্রামে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    ​নিহতরা হলেন—উখড়াশাল গ্রামের প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার মা মোছা. মেহেরা খাতুন (৫০) এবং তার স্ত্রী খালেদা আক্তার (৩২)।

    ​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে শাশুড়ি মেহেরা খাতুন ও বউ খালেদা আক্তার বাড়ির গোয়ালঘরে কাজ করতে যান। সেখানে কাজ করার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা বিদ্যুতায়িত হন এবং গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

    ​বাড়ির অন্য সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ভাগলপুর) নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    ​একই পরিবারের দুই প্রিয়জনের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় স্তব্ধতা নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে উখড়াশাল গ্রামের বাতাস। স্থানীয় প্রতিবেশীদের মাঝেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

    কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পোগলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার নামে অনলাইন সহ ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ


    নেত্রকোনা জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য, দিনের পর দিন হয়রানি ও বাড়তি টাকা আদায়। ভূমি অফিস নিয়ে সেবাগ্রহীতা ও সাধারন মানুষের এমন ধারনা পাল্টে দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ৩নং পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান। তিনি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নবাসীকে রিতিমতো ভূমি সংক্রান্ত সেবা দিয়ে অবাক করে দিয়েছেন। কিন্তু একদল কুচকরি মহল তার কাছ থেকে সুবিধা না পেয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করে আসছে তিনি এখানে যোগদান করার পর থেকেই।

    অন্যদিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, আমি এই ইউনিয়নের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এবং যতদিন আমি এই ইউনিয়নের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছি ততদিন সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাআল্লাহ। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান বলেন, গত ১৭ ই মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে (Dhaka Mail) নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ, একাধিকবার বদলি, তবুও থামেনি ভূমি কর্মকর্তা,নতুন কর্মস্থলেও ঘুষ গ্রহণ“ এমন শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয় এবং (MD Uzzal Talukder ) নামক একটি ফেসবুক একাউন্ট হতে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। Dhaka mail অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ ও Md Uzzal Talukder নামক একটি ফেসবুক একাউন্ট হতে ভিডিও প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    প্রতিবেদক অন্যের প্ররোচনায় এবং ভুল তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং Md Uzzal Talukder নামে যে ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রচারিত হয়েছে আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি ও আমার পরিবারের জীবন চলার জন্য যতটুকু অর্থ ও সম্পদ প্রয়োজন,সেটুকু সৎ পথে কষ্ট ও পরিশ্রম করে উপার্জন করেছি। প্রতিবেদকসহ উল্লেখিত Dhaka mail অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক যে সংবাদটি প্রকাশ করেছে,সেখানে বলা হয়েছে একাধিকবার বদলি তবুও থামেনি ভূমি কর্মকর্তা, নতুন কর্মস্থলেও ঘুষ গ্রহণ এবং Md Uzzal Talukder নামে যে ফেসবুক একাউন্ট থেকে ভিডিও প্রকাশিত হয়। যেগুলো সম্পুর্ণ মিথ্যা।

    বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহ সকল সরকারি দপ্তরে অনলাইনের মাধ্যমে সরকারি নিয়ম মেনেই কেবল কাজ করা হয়। তাই এখানে ঘুষ গ্রহণ করার কোনো সুযোগ নাই। সেখানে কাজে অনিয়ম বা ঘুষ গ্রহণ করার কোনো প্রকার সুযোগ নেই। এমন উদ্ভট ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশে আমার নিজের এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তাই আমি উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মিথ্যা, ভিত্তিহীন এই সংবাদের এবং ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিও`র তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    এদিকে পোগলা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের ভূমি অফিসে এসে আমার জমি আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে নামজারি করেছি। অতিরিক্ত কোনো টাকা খরচ হয়নি আমি শুধু সরকারি ফি জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, এই ভূমি অফিসের বর্তমান ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেন খানের সেবায় আমি খুবই খুশি। তিনি সকলকে সরাসরি পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নেওয়ার আহবান জানান। তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি এই ইউনিয়নের বাসিন্দা হিসেবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    সম্প্রতি সরেজমিনে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, গেইটে প্রবেশ করে একটু সামনে এগুতেই চোখে পড়বে পুরো অফিসের ফ্লু চার্ট। এর পাশেই সাঁটানো সিটিজেন চার্টার। এতে জমির নামজারি করতে খরচ, খতিয়ান তোলার খরচ, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে করণীয়,কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে। এসব তথ্য লেখা রয়েছে। এদিকে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান জানান,আমার পুরো অফিস দালাল মুক্ত করা হয়েছে।

    অফিসের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যেও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘যার কাজ তাকেই সরাসরি আমার অফিসে আসতে উৎসাহ দিচ্ছি। অন্য কারো হাত দিয়ে আসা মানেই সেখানে দালাল ঢুকে পড়া। ফলে এখন সেবা গ্রহীতারা সরাসরি আমার অফিসে আসতে পারছেন।তিনি আরো বলেন, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মিকাইল ইসলাম স্যারের সার্বিক সহযোগীতায় ও কলমাকন্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শামছুজ্জামান আসিফ স্যারের দিকনির্দেশনায় আমার অফিসকে একটি মডেল ইউনিয়ন ভূমি অফিস হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করছি, তাই আমি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইউনিয়নের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সহযোগীতা কামনা করছি।

  • রায়গঞ্জে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে সিনিয়র স্টাফ ও নার্সের সংবাদ সম্মেলন

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা:
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স মোছাঃ সুলতানা রাজিয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘ধর্ষণের আলামত নষ্ট’ সংক্রান্ত অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১০ টার দিকে ভুইয়াগাঁতী মমজান সুপার মার্কেটে রিপোটার্স ইউনিটির কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স সুলতানা রাজিয়া তিনি বলেন, উপজেলার পূর্ব লক্ষ্মীখোলা গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। বিশেষ করে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে পরিচিত মোঃ ফয়সাল বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের আলামত নষ্ট করার অভিযোগ এনেছেন, যা তিনি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন ,ঘটনার দিন সকাল ৯টা ৫৩ মিনিটে আমি যথাযথভাবে হাজিরা নিশ্চিত করে কর্মস্থলে যোগদান করি এবং নিয়মিত দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার জানা মতে, ওই দিন কথিত ধর্ষণের শিকার শিশুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়নি। এমনকি কোনো চিকিৎসকের শরণাপন্নও হয়নি। ফলে আলামত নষ্ট করার প্রশ্নই ওঠে না। সংবেদনশীল ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

    এতে আমার ব্যক্তি ও পেশাগত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, রায়গঞ্জ-সলঙ্গা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি আইয়ুব আলী মন্ডল, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী।

  • কর্মস্থলে ফেরার টান নজিপুর ঢাকা বাস স্ট্যান্ডে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

    পত্নীতলা নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে আবারও কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা এসব মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায়। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে ঢাকা অভিমুখে রওনা হওয়া যাত্রীদের তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে এই বাস টার্মিনালে।

    শেষ হলো ছুটির দিন, বাড়ছে ব্যস্ততা
    দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো ঈদের ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে জীবিকার তাগিদে আবারও ব্যস্ত শহরে ফিরে যেতে হচ্ছে চাকুরিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষদের। আজ বৃহস্পতিবার হওয়ায় অনেকেই আগামী সপ্তাহের প্রথম দিন থেকেই পূর্ণ উদ্যমে কাজে যোগ দিতে আগেভাগেই রওনা হয়েছেন।

    “পরিবারের সাথে ঈদ কাটানোর আনন্দই আলাদা। ছুটি শেষ, তাই বাধ্য হয়েই আবার কর্মব্যস্ত ঢাকায় ফিরতে হচ্ছে। বাসের টিকিট পেতে কিছুটা বেগ পেতে হলেও সময়মতো পৌঁছানোই এখন মূল লক্ষ্য।”
    — নজিপুর বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষমাণ এক যাত্রী।
    বাস কাউন্টারগুলোতে উপচে পড়া ভিড়
    সরেজমিনে নজিপুর ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঢাকামুখী বিভিন্ন দূরপাল্লার পরিবহন কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ব্যাগ, লাগেজ হাতে নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন নারী ও শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ। যাত্রীদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কাউন্টারের বুকিং সহকারী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

    নজিপুরের স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক ও কাউন্টার ম্যানেজারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিকেল গড়াতেই যাত্রীদের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তবে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে অতিরিক্ত বাসের (স্পেশাল ট্রিপ) ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  • ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত


    ঝালকাঠি প্রতিনিধি
    ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সচেতনতামূলক সভা।

    “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (৪ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

    ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. সিয়াম আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

    বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • অষ্টগ্রামে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রহমতের বৃষ্টি স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ‎


    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎দীর্ঘ কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় নেমেছে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হলে স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে। বৃষ্টির পরপরই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে।
    ‎
    ‎স্থানীয়দের মতে, গত ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃষ্টিপাতের পর আর কোনো উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়নি। এরপর থেকেই প্রচণ্ড রোদ, তাপদাহ এবং ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। শিশু, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ এবং বিশেষ করে বয়স্করা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন।
    ‎
    ‎দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির দেখা না মেলায় কৃষকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। অনেকেই আল্লাহর দরবারে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করছিলেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বৃষ্টি নামলে মানুষের মুখে ফিরে আসে হাসি।
    ‎
    ‎বৃষ্টিতে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেককে বৃষ্টিতে ভিজে আনন্দ করতে দেখা যায়। অন্যদিকে বয়স্করাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করেছেন। এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তিনি আমাদের ওপর রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন। এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।
    ‎
    ‎স্থানীয়দের আশা, এই বৃষ্টির ফলে আবহাওয়া কিছুটা সহনীয় হবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।
    ‎