Category: অপরাধ

  • পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীদের শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকি, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:উপযুক্ত নথিপত্র এবং প্রমাণ থাকার পরও নিজেদের আইনসংগত পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে চরম বর্বরতা ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো নারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি এবং পরবর্তীতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অবিরাম প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে একটি অফিসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলন এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

    অভিযুক্তরা হলেন, মূল হোতা ও হুমকি দাতা হিসেবে চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা হলেন— এনজিওর মালিক মো: কামরুজ্জামান হাসান, তার ভাই মো: শাহাদাত হোসেন, আরিফ এবং মো: আক্তারুল ইসলাম। তাদের সকলের বাড়ি সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের অসহায় নারীরা উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং তাদের ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও মৌখিক অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৪০ লক্ষ পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বিবাদীরা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং এক পর্যায়ে টাকা চাইতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এই হামলায় নারীদের শ্লীলতাহানি ও মারধর করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ রাখতে এবং আইনি পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত খুন ও গুম করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে নারীদের ওপর এমন নির্যাতন এবং পরবর্তীতে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পরও অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে এই প্রভাবশালী চক্রের অব্যাহত হুমকির মুখে ভুক্তভোগী পুরো পরিবারটি চরম আতঙ্কে এবং সাংবাদিক পরিচয় দানকারী শাহাদাত হোসেন নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

    তারা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে অসহায় পরিবারটি অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার জন্য এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    অভিযুক্ত কামরুজ্জামান হাসানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার সাড়া পাওয়া যায় নি।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামূল হোসাইন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখবো, তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে সদর মডেল থানার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের বারোঘরিয়া বাজার সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন মাঠের দক্ষিণ পাশে একটি বটগাছের সামনে ফাঁকা স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস-এর নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো. ওবাইদুল হকের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) পলাশ চন্দ্র চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার শেখটোলা এলাকার মৃত কাউসার আলীর ছেলে মো. এস. এম. মহিউদ্দিন (৩৪) এবং সদর উপজেলার হাট রামচন্দ্রপুর পুরানটোলা এলাকার মো. একরামুল হকের ছেলে মো. এনায়েতুল্লাহ ওরফে সিজার (৩৫)।

    অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
    পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

  • নেত্রকোনায় আলোচিত মাদক কারবারিকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় সমালোচনা

    নেত্রকোনা প্রতিনিধ : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন।

    অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

    তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

    এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে। তাদের ভয়ে আশপাশের ব্যবসায়ীরা মাদক নিয়ে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না বলেও জাতীয় দৈনিকের প্রতিদবেদনে জানা গেছে। তুলাপট্টি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এসব মাদক বিক্রির সময় তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু সুমন মাহমুদ শেখ তাদের জিহবা কেটে ফেলার হুমকি দেন। পরে ভয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকেন।

    এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বকুল বলেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

    একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

    এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে।

     

     

    ১৮/০৬/২০২৬ ইং

  • কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় প্রবাসীর ঘরে সিঁধ কেটে চুরির চেষ্টা, চিৎকার শুনে পালালো চোর 

    নোয়াখালী প্রতিনিধি :কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় এক প্রবাসীর বসতঘরে সিঁধ কেটে চুরির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (১৭ই জুন) গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

    ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসুরহাট পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের হাজী ওয়াজউদ্দিন মিয়াজি বাড়িতে প্রবাসী নজরুল ইসলাম ফয়সালের বসতঘরে গত বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় চোর ঘরের দেওয়ালে সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় প্রবাসী ফয়সালের স্ত্রী টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন জেগে উঠলে চোর ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    ​

    ​স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ফয়সালের স্ত্রীর চিৎকারে তারা জেগে ওঠেন। পরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিঁধ কাটার দৃশ্য দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এলাকায় ইদানীং চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন।

    ​এলাকাবাসী রাতের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত পুলিশি টহল এই ধরণের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হবে। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রবাসীর পরিবারগুলিও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

  • বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার

    বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে আবার বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। পৃথক তিনটি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে মোট ১ হাজার ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৪০ পিস ইয়াবা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং মাদক বিক্রির ৪ হাজার টাকা নগদ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

    প্রথম অভিযানে গত ১৫ জুন ২০২৬ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বিরামপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদপুর (মুন্সিপাড়া) এলাকায় বিরামপুর ইন্টারন্যাশনাল মহিলা মাদ্রাসার সামনে থেকে মো. আসমান আলী (৫২)-কে ১ হাজার ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।একই দিন বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারিয়া সরেন (৫০)-কে ১০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া, ১৬ জুন রাত ১টা ৫৫ মিনিটে বিরামপুরের পাবনা হোটেলের পেছনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. তাজমল হোসেন (৪৬), মোছা. লাইলী বেগম (৩৭) ও মো. সবুজ (২৩)-কে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা, ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, পৃথক তিনটি ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোসাঃ বেবি (৪৮) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার নিমগাছী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোসাঃ বেবি ওই এলাকার বাসিন্দা।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আসামির নিজ দখলীয় সেমিপাকা চার কক্ষবিশিষ্ট বসতবাড়ির পশ্চিমমুখী শয়নকক্ষের দক্ষিণ পাশে রাখা একটি আলনার সঙ্গে ঝুলানো শপিং ব্যাগ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে ছিল নীল রঙের পলিথিন ও কাগজে মোড়ানো ১৩০টি ছোট-বড় গাঁজার পুড়িয়া। এসব গাঁজার মোট ওজন ৪০০ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ হাজার টাকা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।

    তিনি আরও বলেন, “মাদক নির্মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। মাদক কারবার ও মাদকের অপব্যবহার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

    ডিএনসির এ অভিযানে স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১৮০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১৮০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১৮০ গ্রাম হেরোইনসহ টিয়া (৩০) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৫। র‍্যাব-৫, সিপিসি-১ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে একটি আভিযানিক দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিল।

    এ সময় নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাঠানপাড়া এলাকার একটি সেতুর ওপর এক ব্যক্তি মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। সংবাদের সত্যতা যাচাই করতে র‍্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের ডান পকেট থেকে একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

    ব্যাগের ভেতরে থাকা দুটি পলিথিন প্যাকেট থেকে মোট ১৮০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত টিয়া সদর উপজেলার কৃষ্ণগোবিন্দপুর পাঠানপাড়া এলাকার মৃত বাবলুর রহমানের ছেলে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। র‍্যাব আরও জানায়, উদ্ধারকৃত হেরোইন জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক নির্মূল এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

  • উজিরপুরে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান, ৩ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ নারী আটক

    উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা ও দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে মাহমুদা বেগম (৩৮) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত কথিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নজরুল বেপারীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরাও জব্দ করা হয়, যা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী মাহমুদা বেগমকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া আলামতের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পলাতক নজরুলকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্র রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মাহমুদা বেগমকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

    অভিযানের সময় ওটরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকের বিস্তার পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কেশবকাটি এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে মাঝে মধ্যেই মাদক ব্যবসার অভিযোগ শোনা যায়। তাঁদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

  • বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাং লিডার ছাব্বির আটক

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কথিত কিশোর গ্যাং ‘বিকেজি (BKG)’-এর লিডার মো. ছাব্বির (২৬)কে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাকশীমুল ইউনিয়নের বাকশীমুল মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ছাব্বির ওই এলাকার আবদুল মজিদের ছেলে।

    বুড়িচং থানার এসআই মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে। পুলিশ জানায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলার ৭ নম্বর আসামি তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, “বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার পলাতক আসামি ছাব্বিরকে আজ সকালে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

    পুলিশ জানায়, আটক ছাব্বিরকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বিরামপুরে পুলিশের চিরুনি অভিযানে ৫৩৩ পিস ট্যাপেন্টাডল জব্দ, তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার

    বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান চিরুনি অভিযানে আবারও বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। পৃথক দুটি অভিযানে মোট ৫৩৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার এবং তিনজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে উপজেলার কচুয়া-মির্জাপুর শালবাগান বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ মোস্তাক (৫১) ও মোঃ মতিয়ার রহমান (৩৫)-কে আটক করা হয়।
    এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।একই দিনে উপজেলার দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামে পৃথক অভিযানে মোঃ রুহুল কবির (৩৩)-কে ৩৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। উপজেলার কোথাও মাদক কারবারের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    পুলিশের ধারাবাহিক এ অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।