Category: অপরাধ

  • সাংবাদিক পরিচয়ে ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:রাজশাহী মহানগরীতে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এক অটোচালকের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া প্রতারণা মামলার আসামি পাভেল ইসলাম মিমুলকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর মতিহার থানার কাজলা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিমুল নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার তালাইমারী বাবর আলী সড়ক এলাকার বাসিন্দা এবং টুলুর ছেলে।

    গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম কবির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাকারিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে কাজলা মোড় এলাকা থেকে মিমুলকে গ্রেফতার করেন।

    ওসি জানান, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ২৫ হাজার টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে ভুক্তভোগী অটোচালক মঞ্জুর বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি মতিহার থানার মামলা নং-১৮ এবং এতে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪০৬ ও ৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মঞ্জুর কাটাখালী থানা এলাকার একটি গ্যারেজে তার মহাজনের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধক রেখে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। পরে গত ২১ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে অটোরিকশাটি ছাড়িয়ে আনার জন্য তিনি তার বন্ধু মিলনের সহায়তা চান। এ সময় মিলনের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া মিমুল নিজেকে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন।

    অভিযোগ অনুযায়ী, মিমুল অটোরিকশাটি ছাড়িয়ে এনে দেওয়ার আশ্বাস দিলে মঞ্জুর তার হাতে নগদ ২৫ হাজার টাকা তুলে দেন। তবে গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষার পরও তিনি অটোরিকশা নিয়ে ফিরে আসেননি। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

    ভুক্তভোগীর দাবি, পরদিন ২২ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে যোগাযোগ করা হলে মিমুল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। এ ঘটনায় মঞ্জুর মতিহার থানায় প্রতারণা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

    দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত মিমুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

  • এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মারধর, এনসিপি নেতা আটক

    ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কাজী শামসুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সমন্বয়ক মো. আশরাফ শেখকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এ সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্তত তিনজন আহত হন।

     

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরুর আগেই আশরাফ শেখ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তার হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি পরীক্ষার সময় তাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে একই কক্ষে পরীক্ষা দেওয়া বিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতিবাদের একপর্যায়ে আশরাফ শেখ নিজেকে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন এবং কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ শুরু করে।

    পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আশরাফ শেখকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া দেয়। পরে তিনি দৌড়ে কেন্দ্রসচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তসহ অন্তত তিনজন আহত হন।

    খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষকদের কক্ষে অবস্থান করা আশরাফ শেখকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত বলেন, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আশরাফ শেখের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে কেন্দ্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে আমি ইটের আঘাতে আহত হই। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে।”

    এ বিষয়ে আশরাফ শেখের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা আশরাফ শেখকে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

  • অষ্টগ্রামে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, নারীসহ কয়েকজন আহত ‎

     

     

    ‎মোঃ আল-আমিন বিশেষ  প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার সোনাই দিঘীর পশ্চিমপাড় এলাকায় ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় নারীসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লায়েছ মিয়া অষ্টগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশী আমির আলী, নজরুল মিয়া, আইজুল মিয়া ও সোকেল মিয়াসহ কয়েকজনের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জুন বুধবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে লায়েছ মিয়ার বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    ‎ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে লায়েছ মিয়া গুরুতর আহত হন। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তার স্ত্রী, মা ও স্বজনদেরও মারধর করা হয়। হামলায় কয়েকজনের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ‎অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা বসতঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আসবাবপত্র নষ্ট করে এবং আলমারিতে রাখা প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

    ‎স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয় বলে জানা গেছে।

    ‎ভুক্তভোগী লায়েছ মিয়া বলেন,

    ‎আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

    ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

    ‎এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    ‎

  • বুড়িচংয়ে মহাসড়কে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর: অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

     

    বুধবার (১০ জুন) বিকেলে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

     

    পুলিশ সুপার জানান, মঙ্গলবার অবৈধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে একদল দুর্বৃত্ত হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ঘটনার পরপরই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

     

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বিল্লাল হোসেন, ইউসুফ মিয়া, হাসান, রিফাত, হাবিব, মফিজ, আক্তার হোসেন, সিফাত, রবিউল, আবু ইউসুফ ইকরাম, জুয়েল, সারোয়ার হোসেন, নুপুর সাহা, সোহাগ মিয়া, বিল্লাহ, সোহেল মিয়া, ইব্রাহিম খলিল, দেলোয়ার হোসেন ও আজিজুল।

     

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

     

    পুলিশ সুপার বলেন, মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    বুধবার (১০ জুন) সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল গোমস্তাপুর থানার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মো. জাইদুল আলী (৪৫)। তিনি বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    অভিযানে তার নিজ দখলীয় টিনের বেড়া ও টিনের চালাযুক্ত তিন কক্ষবিশিষ্ট বসতবাড়ির উত্তরমুখী শয়নকক্ষ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত গাঁজার ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ‎বোরকা পরে অভিযানে পুলিশ, ইয়াবাসহ গ্রেফতার স্বামী-স্ত্রী ‎ ‎

    মোঃ আল-আমিন বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৭ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
    ‎
    ‎আটককৃতরা হলেন পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের শেখেরহাটি এলাকার বাসিন্দা রাহিম ভুইয়া (৪০) এবং তার স্ত্রী রিমা বেগম টুক্কি (৩৬)।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ধরতে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে অভিযান পরিচালনা করে।
    ‎
    ‎অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মবেশ ধারণ করেন। কেউ বোরকা পরে নারী সেজে এবং কেউ অটোরিকশা চালকের বেশে অভিযানে অংশ নেন। পরিকল্পিত এই অভিযানে পুলিশ দ্রুত ওই দম্পতির বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
    ‎
    ‎তল্লাশিকালে তাদের কাছ থেকে ১৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই রাহিম ভুইয়া ও রিমা বেগম টুক্কিকে আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশের দাবি, আটক দুজনই এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
    ‎
    ‎এদিকে পুলিশের এই ব্যতিক্রমী ও সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এমন কার্যকর উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎মোঃ আল-আমিন অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি:
    ‎
    ‎কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৭ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
    ‎
    ‎আটককৃতরা হলেন পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের শেখেরহাটি এলাকার বাসিন্দা রাহিম ভুইয়া (৪০) এবং তার স্ত্রী রিমা বেগম টুক্কি (৩৬)।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ধরতে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে অভিযান পরিচালনা করে।
    ‎
    ‎অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মবেশ ধারণ করেন। কেউ বোরকা পরে নারী সেজে এবং কেউ অটোরিকশা চালকের বেশে অভিযানে অংশ নেন। পরিকল্পিত এই অভিযানে পুলিশ দ্রুত ওই দম্পতির বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
    ‎
    ‎তল্লাশিকালে তাদের কাছ থেকে ১৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই রাহিম ভুইয়া ও রিমা বেগম টুক্কিকে আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশের দাবি, আটক দুজনই এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
    ‎
    ‎এদিকে পুলিশের এই ব্যতিক্রমী ও সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এমন কার্যকর উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
    ‎

  • ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ধনিয়া-রসুলপুর এলাকার ফুলকুঁড়ি স্কুল গলির ভিতরে রাজউক অনুমোদন ও ইমারত বিধিমালা উপেক্ষা করে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় গড়ে ওঠা এসব ভবনে কোনো ধরনের সেটব্যাক, খালি জায়গা কিংবা নির্মাণ বিধিমালা মানা হচ্ছে না।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার কুতুবখালী-ধনিয়া ৫৩৬ নম্বর এলাকায় আরিফুর রহমান নামের এক ব্যক্তি দুটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। সরু গলির ভেতরে নির্মিত এসব ভবনের কারণে আশপাশের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “ভবন দুটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই নিয়মকানুন উপেক্ষা করা হচ্ছে। গলির ভেতরে এত বড় ভবন নির্মাণের কারণে আলো-বাতাসের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।”

    এদিকে, অভিযোগ রয়েছে রাজউকের জোন–৭ এর ইমারত পরিদর্শক মোঃ শিহাব উদ্দিনের ‘ছত্রছায়া’ বা নীরব সহযোগিতায় এসব নির্মাণকাজ চলছে। তবে এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এক স্থানীয় বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, “পরিদর্শকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে এটি যাচাই করা যায়নি।” অন্যদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ—বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে অবৈধ নির্মাণ কার্যক্রম দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

    এ বিষয়ে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মিত নির্মাণ বন্ধ করা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সরকারি পুকুরের মাটি তুলে বিক্রি জানতে গেলে সাংবাদিককে হুমকি 

    জামালপুর প্রতিনিধ : জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানাধীন চর নাংলা আদর্শ গ্রামের দক্ষিন পাড়ের ৩৭ টি পরিবারকে অনেক দিন আগে সরকার কর্তৃক বাসস্থান ও একটি পুকুর খনন করা হয়েছিল।

    যেটা কিনা ৩৭ টি পরিবারের মাছ চাষ করে খাওয়া এবং গোসল করার জন্য। ৩৭ টি ঘরের বাসিন্দারা শুরু থেকে সবাই মিলে পুকুরে মাছ চাষ করে চলেছে এবং সময় মত সেই মাছ সকলে বন্টন করে নিয়েছে । এ যাবত ভালই চলছিল। কিন্তু গত ৫ জুন ৩৭ ঘরের কিছু লোক সকাল ৮ টা থেকে বিকাল পর্যন্ত পুকুরের মাটি কাটে এবং তা অন্য এক জায়গায় নিয়ে ফেলছে ।

    সুত্রে জানা যায় ১০ লক্ষ মাটি ৮ লক্ষ টাকায় এই পুকুর থেকে উত্তোলন করে বিক্রি করে হচ্ছে । তাই পুকুর থেকে মাটি কাটা শুরু করেছে । বিষয়টি জানতে পেরে দৈনিক আজকের প্রভাত পত্রিকার মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি মো: হাবিবুর রহমান হাবিব সরেজমিনে যায় এবং মাটি উত্তোলনের দৃশ্য দেখতে পায় ।

    তখন সাংবাদিক হাবিব উপস্থিত লোকজন থেকে জানতে চায় কেন এই মাটা কাটা হচ্ছে এবং কোন অনুমতি আছে কিনা । কিভাবে এই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। তখন উপস্থিত লোকজন কেউ কেউ বলে অনুমতি আছে আবার কেউ বলে কিসের অনুমতি। তখন হাবিব বুঝে নেয় বিষয়টি এবং উপস্থিত সবাইকে বলে এটা আপনারা ঠিক করতেছেন না।

    কেন আপনারা রাষ্ট্রের সম্পদ এই পকুরের মাটি বেআইনী ভাবে কেটে বিক্রি করতেছেন। তখন কিছু লোক আমাকে নানা উল্টা পাল্টা কথা বলে এবং এক পর্যায়ে হুমকি ধামকি দিতে থাকে । হাবিব কিসের সাংবাদিক কোথাকার সাংবাদিক দেখে নেয়ারও হুমকি ধামকি দেয়। তাদেরও অনেক সাংবাদিক পরিচিত আছে তারা তো কেউ এই ব্যপারে মাথা ঘামাচ্ছে না ।

    হাবিবকে এভাবে দমাতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে হাবিব স্থান ত্যাগ করে। এরপর গাত ৮ জুন হাবিব যখন বাজার করতে বান্দের মাথার বাজারে যায়। তখন হঠাৎ করে ৭/৮জন এসে হাবিবকে জিজ্ঞেস করে তুমি কিসের সাংবাদিক ভাই আর কেন আমাদের কাজে ঝামেলা পাকাচ্ছ । তুমি নাকি মাটি কাটতে হলে তোমাকে টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছ ।

    টাকাতো তুমি পাইবা চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হবে তোমার বিরুদ্ধে । তাদের সাথে ২ জন সাংবাদিকও ছিল । হাবিব বার বার শুধু একটি কথাই বলে মাটি কাটার জন্য তো অবশ্যই অনুমতি লাগবে। তাছাড়া এই মাটি আবার বিক্রি করা হচ্ছে। এটাতো অন্যায় অপরাধ । জানা যায় এই কর্মকাণ্ডের প্রধান নাটের গুরু হচ্ছে ১) আফাজ্জল ২) হানি ৩) বাবুল ৪) জুলহাস ৫) মিন্টু । এ ছাড়া আরো অনেকে রয়েছে ওদের সাথে জড়িত ।

    সাংবাদিক হাবিব উক্ত এলাকাতে বসবাস করে বিধায় জান ও মালের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। উক্ত বিষয়ে মাদারগঞ্জের এসি ল্যন্ড সহ টিএনও সাহেবের দ্রুত হস্তক্ষেপ আাশা করছেন চর নাংলা আদর্শ গ্রামবাসী।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্তৃক পরিচালিত একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ (বিশ) পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।​আজ ০৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকেল ৪:০০টা থেকে ৪:৩০টা পর্যন্ত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকায় এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়। ডিএনসি-র বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)-কে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২০ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    ​ প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা।​ বিকেল ০৪:০০ থেকে ০৪:৩০ ঘটিকা, ০৭ জুন ২০২৬।

    ​মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)।২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত হাসান তারেক ওরফে পাতান একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে পূর্বেরও একাধিক মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলায় মাদকের বিস্তার রোধ, যুবসমাজকে রক্ষা এবং মাদক কারবারিদের সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চলমান এই বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার ও গতিশীলভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের কার পার্কিংয়ে অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

     

    স্টাফ রিপোর্টার:
    ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের কার পার্কিং ও ফুটপাত এলাকায় অবৈধ দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, পার্কিং ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে অস্থায়ী দোকান, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অনুমতি নিতে হয় এবং প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। তাদের দাবি, দিনের তুলনায় সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
    কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন আদায়কৃত অর্থ মধ্যরাতে ভাগ-বণ্টন করা হয় এবং এর পরিমাণ লক্ষাধিক টাকায় পৌঁছায়।

    অভিযোগে বিমানবন্দর রেলওয়ে ফারির ইনচার্জ হারুনুর রশিদ, নিরাপত্তা বিভাগের একজন কমান্ডার শহিদুল্লাহ, সিআই শাখার সালাউদ্দিন এবং হাবিলদার জিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।