Category: অপরাধ

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    1. রিপোর্ট: নিজস্ব প্রতিবেদক

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর ব্রিজে ওঠার আগে বাম পাশে অবস্থিত ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা, মাদক সেবন ও কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, নামমাত্র একটি হোটেল-রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, হোটেলটির মালিক জাহিদ ও ম্যানেজার বাবুর প্রত্যক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্টুরেন্টের আড়ালে ব্যবসা চললেও সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অপরিচিত নারী-পুরুষের যাতায়াত বেড়ে যায় এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।

    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা হোটেলটির ম্যানেজার বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন ও হুমকিমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবু দাবি করেন, “আমরা থানা ম্যানেজ করেই চালাচ্ছি, আপনারা পারলে কিছু করে দেখান।” —এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপত্তি ও অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন,
    “আমার জানামতে এরকম কাজ হয় না। যেহেতু আপনি বলেছেন, আমি এক্ষুনি গাড়ি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাবাসী এখন কেবল বেসামরিক প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলটিতে চলমান সব ধরনের অসামাজিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এ বিষয়ে হোটেল মালিক মালিক জাহিদ এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এই এলাকার সামাজিক পরিবেশ আরও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
    বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি সূত্র জানায়, বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার উত্তর গাজিরচট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল মিয়া (২৮) ও আলিম (৪৮) নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইয়ারপুর এলাকায় আরও একটি অভিযান চালিয়ে মিন্টু মোল্লা (৩০) নামে আরেক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
    ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার সরলপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (২৮),
    গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার ভাদুলিয়া এলাকার মৃত লুৎফর সরদারের ছেলে আলিম (৪৮)
    এবং ফরিদপুর জেলার মধুখালি থানার চর বালিয়াডাঙ্গা এলাকার ওদুদ মোল্লার ছেলে মিন্টু মোল্লা (৩০)।
    তারা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
    ডিবি পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক কারবারি। দীর্ঘদিন ধরে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে আশুলিয়া ও আশপাশের এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল।
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দীর্ঘদিন ধরে মাদকের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী এ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
    বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার বাইপাইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
    নোয়াখালী জেলার সদর থানার সূর্য নারায়ণপুর এলাকার ফারুকের ছেলে রুবেল ইসলাম রাশেদ (২০),
    শেরপুর জেলার সদর থানার আন্দারিয়া কামারপাড়া এলাকার মৃত মান্নান মিয়ার ছেলে সোহাগ আহম্মেদ রাব্বি (২০)
    এবং নোয়াখালী জেলার সদর থানার দামোধরপুর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে নুর আলম (২৫)।
    ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক কারবারি বলে স্বীকার করেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আশুলিয়াসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল।
    এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
    এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ডিবি পুলিশের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বাইপাইল এলাকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
    এই এলাকায় কিছুদিন ধরেই মাদকের দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যার পর অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বাড়ছিল। ডিবির এই অভিযান আমাদের জন্য স্বস্তির।
    স্থানীয় এক অভিভাবক জানান,
    মাদক কারবারিদের কারণে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকা অনেকটাই নিরাপদ হবে।
    আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
    আমরা চাই, শুধু গ্রেপ্তার নয়—মাদকের মূল উৎস ও সিন্ডিকেটকেও আইনের আওতায় আনা হোক।
    পুলিশের বক্তব্য
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন,
    মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন,
    আশুলিয়াসহ শিল্পাঞ্চলগুলোকে মাদকমুক্ত রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

  • আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

    আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া ও আশপাশের এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রাতেই আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আকতারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জামগড়া এলাকায় মাদক সেবন ও অবৈধ কারবার চলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এরই প্রেক্ষিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৪ জন মাদকসেবী ও কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। সাজা ঘোষণার পর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে দণ্ডপ্রাপ্তদের ঢাকার সংশ্লিষ্ট কারাগারে পাঠানো হয়।
    এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আকতার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • সাভারে ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    সাভারে ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি

    ঢাকার সাভারে অভিযান চালিয়ে ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম।
    তিনি জানান, এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন সিআরপি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ঢাকা জেলার ধামরাই থানার কুরুঙ্গী এলাকার ফজল মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া, সাভার থানার চাপাইন এলাকার আঃ রহিমের ছেলে আসলাম (৩৮), সাভার থানার সিআরপি এলাকার নাছির খান বিহারীর ছেলে সুজন খান বিহারী (৩৭) এবং মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার গাউদ্দা এলাকার মো. বাবুলের ছেলে শাহীন (২১)। শাহীন বর্তমানে সাভারের সিআরপি এলাকায় বসবাস করছিলেন।
    ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে—তারা মূলত সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিল।
    এছাড়া গ্রেপ্তার আসামিদের পিসিপিআর (পুলিশ ক্রাইম প্রোফাইল রিপোর্ট) পর্যালোচনায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানান ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা।
    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

  • ডিবির অভিযানে সাভারে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য আটক

    ডিবির অভিযানে সাভারে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য আটক

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

    ঢাকার সাভারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ধারালো অস্ত্রসহ ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের পাকিজা মোড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
    সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার পুতাজিয়া এলাকার মোঃ আনিস শেখের ছেলে রাজিব (৩০),
    গোপালগঞ্জ সদর থানার কংশুর এলাকার মৃত মান্নান মিয়ার ছেলে রবিউল মিয়া (৩৫),
    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার বনগাঁও এলাকার মোঃ জালাল মিয়ার ছেলে পাভেল (২৮),
    মানিকগঞ্জ সদর থানার নারী খুলি এলাকার ঈমান বেপারীর ছেলে আবুল বাশার (৩৬) এবং
    গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার জাপর এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মনির হোসেন (২৮)।
    ডিবি পুলিশের তথ্যমতে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রটি মূলত সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়া এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
    এছাড়া গ্রেপ্তার আসামিদের পিসিপিআর (Police Criminal Profile Record) পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাজিব, আবুল বাশার ও মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় বিচারাধীন রয়েছে।
    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে গোয়েন্দা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: দাউদকান্দির সাবেক চেয়ারম্যান সুমনকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: দাউদকান্দির সাবেক চেয়ারম্যান সুমনকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: দাউদকান্দির সাবেক চেয়ারম্যান সুমনকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

    দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ৪ ও ৫ আগস্ট সংঘটিত সহিংস ঘটনায় মো. রিফাত হোসেন ও মো. বাবুকে গুলি করে হত্যাসহ একাধিক নিরস্ত্র আন্দোলনকারীকে আহত করার অভিযোগে মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

    এর আগে দাউদকান্দি মডেল থানায় দায়ের করা দুটি পৃথক মামলায় গত ৬ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় ট্রাইব্যুনালের এ আদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ওসমান হাদীর ওপর হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    ওসমান হাদীর ওপর হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    শরীফ ওসমান হাদীর উপর নৃশংস হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর উপর নৃশংস হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানাযায়, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদ তার ফেসবুকে শরীফ ওসমান হাদীর ওপর কথিত টার্গেট কিলিংয়ের নামে বর্বরোচিত হামলার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। তারপ্রেক্ষিতে
    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামপুর থানা গেইটের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।

    মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদ কে দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    বিক্ষোভে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী কণ্ঠস্বর দমনে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

    পরে ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাে: আব্দুল কাইয়ুম গাজী এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন এবং ওসমান গনি হাদীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যদানকারী
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদকে দ্রুতসময়ে গ্রেফতারের আশ্বাস দেন।

  • সাভারে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    সাভারে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন : (ঢাকা) প্রতিনিধি

    ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জালাল উদ্দিন।

    এর আগে সোমবার রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকায় ডিবি পুলিশের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তুতিকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

    ইসমাইল (২৭), পিতা সুলতান শেখ, পারকুলা, কালুখালি, রাজবাড়ী। বর্তমানে আশুলিয়ার ইসলামনগর এলাকায় বসবাস করতেন।

    মোঃ শরীফ (৩৮), পিতা মৃত আব্দুল কুদ্দুস, গেরুয়া, আশুলিয়া।

    অভিযান পরিচালনাকারী ডিবি পুলিশ জানায়, আটককৃতদের হেফাজত থেকে মোট ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

    ওসি মোঃ জালাল উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

     

  • আধিপত্যের দ্বন্দ্বে আশুলিয়ায় গোলাগুলি, বিদেশী পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ৪

    আধিপত্যের দ্বন্দ্বে আশুলিয়ায় গোলাগুলি, বিদেশী পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ৪

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গোলাগুলির ঘটনায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশী পিস্তলসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল ও কাইচাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

    আব্দুল মান্নান পাটোয়ারী (২৪), চাঁদপুর জেলার কচুড়া থানার সেঙ্গুয়া এলাকার বাসিন্দা

    মনোয়ার হোসেন টিটু (২৮), মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার সাটিনওদা এলাকার বাসিন্দা

    আল আমিন স্বপন (৩০), আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা

    জুলহাস মিয়া (৩০), একই এলাকার বাসিন্দা

    তাদের মধ্যে মান্নান পাটোয়ারী আশুলিয়ার কুড়গাঁও এলাকায় এবং মনোয়ার হোসেন টিটু বাইপাইল এসএ পরিবহনের পাশের এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।

    ডিবি পুলিশ জানায়, গোলাগুলির ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে তথ্য–উপাত্ত সংগ্রহ করে রাতেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়। পরে মান্নান পাটোয়ারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাইচাবাড়ী নবারটেক এলাকার করিম সাহেবের বড়ই বাগান থেকে ম্যাগাজিনসহ সিলভার রঙের একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

    এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত মনোয়ার হোসেন টিটু আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলেও জানায় ডিবি পুলিশ।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ জালাল উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।