
মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় সরকারের কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ২ হাজার ৯৩৯ জন কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তালিকায় বাদ পড়া ও নতুন কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহের জন্য ইউনিয়নের ওয়ার্ডভেদে মাঠপর্যায়ে দুই থেকে তিনজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কাজ করছেন। তারা সরেজমিনে কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজও করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত তিনজনের নাম বাদ পড়েছে। একই সঙ্গে যারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন কিংবা নতুন করে কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে চান, তাদের বিষয়টি পর্যায়ক্রমে যাচাই করে দেখার কার্যক্রম চলছে।
কৃষক কার্ডের তালিকা প্রণয়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে কার্যক্রমটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত কৃষকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার অভিজিৎ সরকার বলেন, “সরকারের কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৯৩৯ জন কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও কৃষকের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”
তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এদিকে কৃষক কার্ডের তালিকা, অন্তর্ভুক্তি কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য সম্পর্কে জানতে হলে অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত কৃষকদের সমন্বয়ে একটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি হবে এবং কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত কৃষকদের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।