Category: সারাদেশ

  • রায়গঞ্জে কাজী ফার্মস এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় কাজী ফার্মস এর উদ্যোগে ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪২৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন।

    বুধবার (১৭ জুন) সকালে ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০৯ জন, ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০৬ জন, প্রতাপ দীঘি কওমী মাদ্রাসায় ৫৫ জন এবং ক্ষিরতলা কিন্ডারগার্টেনে ১৫৩ মোটা ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪২৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শঙ্কর সরকার প্লান্ট ইন চার্জ কাজী ফার্মস লিঃ ক্ষিরতলা শাখা।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হানিফ মিয়া সিনিয়র অফিসার কাজী ফার্মস লিঃ ক্ষিরতলা শাখা, শেখ নজরুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, নিপেন্দ্র নাথ মাহাতো ইউ পি সদস্য ৭নং ওয়ার্ড ধামাইনগর ইউনিয়ন, মোঃ কাজী মুদ্দীন কাজী সাবেক সভাপতি ধামাইনগর ইউনিয়ন বিএনপি, গণমাধ্যম কর্মী মোঃ জাকি উল্লাহ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।

    শিক্ষাসামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিভাবকরাও কাজী ফার্মসের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অভিভাবকরা বলেন, “আমাদের এলাকার অনেক পরিবারই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে কষ্ট হয় তাই এ সহায়তা আমাদের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং তারা আরও উৎসাহ পাবে।

    ‎শিক্ষা সামগ্রী বিতরণকালে শঙ্কর সরকার প্লান্ট ইন চার্জ বলেন, কাজী ফার্মস লিঃ সব সময় সামাজিক ও মানবিক কাজে অঙ্গীকারবদ্ধ। এলাকার পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

  • উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অনন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত বলেন কবীর ভূঁঞা

    ব্যুরো চিফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া: একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে বদলে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গ্রামীণ জনপদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে জেলায় এখন চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আজ এক নতুন রূপ ধারণ করছে।

    একটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সত্যকে ধারণ করেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার বিশেষ উদ্যোগে এবং আন্তরিক হস্তক্ষেপে জেলায় বিভিন্ন মেগা ও মাঝারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে এগিয়ে চলছে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামীণ ও সংযোগ সড়ককে আধুনিক সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনা হবে। কোনো এলাকা যেন মূল উন্নয়ন ধারা থেকে পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করাই এই মহাপরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য। রাস্তাঘাটের এই আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব গতি সঞ্চারিত হবে।

    আমাদের লক্ষ্য কেবল রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়; আমাদের মূল লক্ষ্য একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তোলা—যে জেলাকে নিয়ে আমরা দেশ ও বিদেশের বুকে গর্ব করতে পারব এবং যার গর্বিত অংশীদার হতে পারব আমরা সবাই।

    উন্নয়নের এই বিশাল ও মহৎ উদ্যোগ কোনো একক প্রচেষ্টায় পুরোপুরি সফল হওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সকল ভেদাভেদ ভুলে জেলার সামগ্রিক স্বার্থে সবাইকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। একটি সমৃদ্ধ জেলা গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, সমর্থন এবং সম্মিলিত কাজের কোনো বিকল্প নেই।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে একটি আদর্শ ও আধুনিক মডেল জেলায় রূপান্তর করার স্বপ্ন এখন আর শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। চলমান এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে হলে সুশীল সমাজ, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা এবং স্থানীয় তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।

    আসুন, ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারবে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে একটি স্বনির্ভর ও উন্নত জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপহার দিতে আজই হোক আমাদের নতুন শপথ।

  • পবিত্র আশুরা কুল কায়েনাতের মহাশোক দিবস

    বিশেষ প্রতিনিধি: বজ্রকঠিন প্রত্যয়ে অবিচল থেকে অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, শোষিত ও নিপীড়িত মানবতার মুক্তি ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে জান্নাতের যুবকদের সর্দার ইমাম হোসাইন এবং তাঁর প্রিয় আহলে বাইত ও বিশ্বস্ত সঙ্গীগণ যে মহান আত্মত্যাগের কালজয়ী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, সেই অবিনাশী চেতনার স্মারক হয়ে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে পবিত্র মহররম—মহাশোকের মাস।

     

    এই শোকাবহ মহররমের চিরন্তন হোসাইনি আদর্শ ও আত্মত্যাগের শিক্ষা প্রতিটি মানবহৃদয়ে জাগ্রত হোক—এই প্রার্থনা নিয়ে শোকসন্তপ্ত হৃদয়ে আপনাদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক শোকবার্তা।

     

    আশুরার শোক ও মাতমের প্রকৃত তাৎপর্য হলো ন্যায় ও সত্যের পথে অটল থাকা, জালিমের জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা এবং কারবালার শহীদদের পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা। তাদের আত্মত্যাগ মানবজাতিকে যুগে যুগে সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

     

    আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে কারবালার মহান শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবকল্যাণের পথে চলার তাওফিক দান করুন।

    শোক নিবেদনে,

     

    সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু

    হাবেলি বাড়ী

    অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ।

  • মোহনগঞ্জে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল কদ্দুস শাওনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। গত সোমবার (১৫ জুন) মোহনগঞ্জ পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে স্থানীয় শতাধিক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনা মূল্যে পান।

    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অনেকেই এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সেবা নিতে আসা উপকারভোগীরা জানান, বর্তমান সময়ে চিকিৎসা ব্যয় ও ওষুধের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণের এ উদ্যোগ তাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

    কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল কদ্দুস শাওন জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

  • বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কথিত কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার বুড়িচং সদর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন জগতপুর (জাবক্সি ভূঁইয়া বাড়ি) এলাকার আব্দুল হান্নান ভূঁইয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২৩) এবং একই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে মো. ফয়সাল (২০)।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামি হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বুড়িচং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

    বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের মহড়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, উপজেলায় কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বিশ্বনাথে ৩ সাংবাদিক সংগঠনের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাব ও বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের এক যৌথ সভা পৌর শহরের একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভায় তিন সংগঠন যৌথভাবে সাংবাদিকতার মৌলিক বিষয়ে যথাক্রমে অপসাংবাদিকতা দূর করা, সাংবাদিকদের হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালনসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. আর টুনু তালুকদার, বিশ^নাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক মশিউর রহমান, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন।

    বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিক আলী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য আব্দুস সালাম মুন্না, সমুজ আহমদ সায়মন, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, জাহান মিয়া, মাজহারুল ইসলাম সাব্বির, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য আফজল মিয়া, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য কামরুল হাসান, হাবিবুর রহমান, আব্দুল্লাহ।

  • মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারে বুড়িচংয়ে হাইওয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভা

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কুমিল্লার ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    সোমবার (১৬ জুন) নিমসার কলেজে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান।

     

    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আমির হোসেন বাদল।

     

    মতবিনিময় সভায় মহাসড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যাত্রী ও চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

     

    বক্তারা বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী, পরিবহন মালিক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

     

    সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কীর্তিমান চাকমা। বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

     

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন, বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এবং দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়া।

     

    এছাড়া বক্তব্য দেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সভাপতি ইয়ার আহমেদ, মোকাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম এবং নিমসার বাজার কমিটির ইজারাদার মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

     

    সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

     

    আয়োজকরা জানান, মহাসড়কে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • সদরপুরে কিশোর নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের এক কিশোর বাড়ি থেকে বাইসাইকেল নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

     

    নিখোঁজ কিশোরের নাম সামিউল মল্লিক। তিনি মিরাজুল মল্লিকের ছেলে। তাদের বাড়ি সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুর ডাকঘরের আওতাধীন নয়াকান্দি গ্রামে।

     

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর সামিউল একটি বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

     

    সামিউলের সন্ধান পেলে বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

     

    পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে দিয়ে সামিউলকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়ে

  • মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের চর নাংলা বাঁধসংলগ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংরক্ষিত পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক প্রভাবশালী নেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন ও বিক্রি করছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এ অবৈধ বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুরে একাধিক শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

    ড্রেজারের মাধ্যমে পাইপলাইন টেনে উত্তোলিত বালু সরাসরি বিভিন্ন নির্মাণাধীন স্থাপনা, বসতভিটার ভরাট কাজ এবং পুকুরে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনটি পৃথক পয়েন্টে দিন-রাত অবিরাম বালু পরিবহন চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি, রাস্তা এবং আশপাশের কৃষিজমি মারাত্মক ভাঙন ও ধসের ঝুঁকিতে পড়বে।

    সরকারি পুকুর থেকে বালু বা মাটি কাটার কোনো বিধান না থাকলেও সিন্ডিকেটটি পুকুরটিকে অস্বাভাবিক গভীর করে বালু উত্তোলন করছে। ড্রেজার মালিক আব্দুর রহিম সবুজ (৩৮) সাংবাদিকদের জানান, প্রতি এক হাজার ঘনফুট বালু ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। জানা গেছে, চর নাংলা আদর্শগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৭টি পরিবারের মধ্যে পুকুরটি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে কয়েকজন উপকারভোগী জানান, মাছ চাষের জন্য পুকুরে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় তারা বালু উত্তোলন করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহে এ পুকুর থেকে কোটি টাকারও বেশি বালু বিক্রি করা হয়েছে। পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের এই লাভজনক ব্যবসার কারণেই প্রশাসন কার্যত নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।

    সাংবাদিকরা একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ১১ জুন সরেজমিন তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও বলেন, “আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের কোনো অনুমতি নেই। অভিযোগ পেয়েছি।

    দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বক্তব্য দেওয়ার কয়েক দিন পরও বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে থাকায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পরিসরে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্ভব নয়। তারা অবিলম্বে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ, জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • রায়গঞ্জে সাজু ফাউন্ডেশনের ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে সাজু পল্লী উন্নয়ন ও মানবিক ফাউন্ডেশন।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের ঐতিহাসিক জয়সাগর দীঘির পাড় এলাকায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সমাজসেবক মো. সাজু আহমেদের উদ্যোগে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম ধাপের কার্যক্রম এদিন সম্পন্ন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মণ্ডল। এ সময় সোনাখাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল মোন্নাফ সরকারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণ বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

    কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক এবং পরিবেশপ্রেমী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানের শেষে জয়সাগর দীঘি পাড় এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।