Category: সারাদেশ

  • রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম মেলা শুরু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় আম মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি অতিথিবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ফল ও আমের স্টল পরিদর্শন করেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া, সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ রফিক), দি চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. শহিদুল ইসলামসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান, বুলবুল আহমেদ, আব্দুল হালিম, মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ সুনাইনবিন জামান, মোঃ আনিসুল হক দুলাল প্রমুখ ।

    বক্তব্যে ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী অঞ্চল এবং ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে সুপরিচিত। এখানকার আম দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে আম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা অধিক লাভবান হচ্ছেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, “আম শুধু একটি ফল নয়, এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। আমের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে আরও উন্নয়ন ঘটাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, “চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম শুধু একটি ফল নয়, এটি এ জেলার প্রধান অর্থনৈতিক ফসল। আম চাষ, সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। জেলার অর্থনীতিতে আমের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের চাহিদা রয়েছে। তাই আমকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলের কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের জীবন-জীবিকা সমৃদ্ধ হচ্ছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, “চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম এখন শুধু একটি মৌসুমি ফল নয়, এটি জেলার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ফসল। আমকে কেন্দ্র করে কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে এবং জেলার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।মেলায় জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আমসহ দেশীয় নানা মৌসুমি ফল প্রদর্শন করেন।

    মেলা ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করা এবং ফলভিত্তিক কৃষির প্রসার ঘটানোই এ মেলার মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

  • বুড়িচংয়ে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন; দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ

    বুড়িচং(কুমিল্লা) প্রতিনিধি:সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং কৃষকদের আধুনিক ফল চাষে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় বিভিন্ন জাতের দেশীয় ও বিদেশি ফলের সমাহার ঘটে।

     

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এ ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন।

     

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. তানভীর হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ এখন ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কৃষকের পরিশ্রম এবং কৃষি বিভাগের সহায়তায় দেশে বিভিন্ন ধরনের ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশীয় ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। তাই মানুষের খাদ্যাভ্যাসে দেশীয় ফলের ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং শিশুদের নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।”

     

    তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক খাতে পরিণত করতে কাজ করছে। ফল চাষের মাধ্যমে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারছেন। এ ধরনের মেলা কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ফল চাষ সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি করে।”

     

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আলেক হোসেন এবং উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন। বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, ফল চাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

     

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক ও উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, জাম, আনারস, ড্রাগন ফল, মাল্টা, লেবুসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল প্রদর্শন করেন। রঙ-বেরঙের ফলের সমাহারে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

     

    এ সময় ফল মেলায় অংশগ্রহণকারী কৃষক, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • নেত্রকোনায় আলোচিত মাদক কারবারিকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় সমালোচনা

    নেত্রকোনা প্রতিনিধ : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন।

    অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

    তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

    এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে। তাদের ভয়ে আশপাশের ব্যবসায়ীরা মাদক নিয়ে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না বলেও জাতীয় দৈনিকের প্রতিদবেদনে জানা গেছে। তুলাপট্টি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এসব মাদক বিক্রির সময় তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু সুমন মাহমুদ শেখ তাদের জিহবা কেটে ফেলার হুমকি দেন। পরে ভয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকেন।

    এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বকুল বলেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচিত সুমন মাহমুদ শেখকে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও কীভাবে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ পৌরসভার বড়কাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মাহমুদ শেখ সম্প্রতি একটি সাধারণ পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিট জব্দ করে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার দেওথান গ্রামের আবুবকর ছিদ্দিক এবং সহকারী ম্যানেজার বারহাট্টা উপজেলার সদরপুর গ্রামের সুজাত মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরশহরের তুলাপট্টি এলাকার রিপন হোমিও হলে অভিযান চালিয়ে ১২৮ বোতল রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ বকুল চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযান-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেন, গ্রেপ্তার বকুল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সুমন মাহমুদ শেখ বা মানিক তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও পরে নানা কারণে ধামাচাপা দেওয়া হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদক ব্যবসার অভিযোগে যার নাম বারবার এসেছে, তাকে পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক করায় তরুণদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

    একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাখা উচিত হয়নি।”এ বিষয়ে পাঠাগারের কয়েকজন সদস্যও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল পদে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের রাখা প্রয়োজন।

    এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদক কারবারে যুক্ত থাকার বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সুমন মাহমুদ শেখের ছবি সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরআগে আরও বেশ কয়েকবার এসব মাদক স্থানীয়রা জব্দ করলেও সুমন ও মানিক প্রভাব কাটিয়ে সেসব ছাড়িয়ে নেন বলে জানা গেছে।

     

     

    ১৮/০৬/২০২৬ ইং

  • কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় প্রবাসীর ঘরে সিঁধ কেটে চুরির চেষ্টা, চিৎকার শুনে পালালো চোর 

    নোয়াখালী প্রতিনিধি :কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় এক প্রবাসীর বসতঘরে সিঁধ কেটে চুরির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (১৭ই জুন) গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

    ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসুরহাট পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের হাজী ওয়াজউদ্দিন মিয়াজি বাড়িতে প্রবাসী নজরুল ইসলাম ফয়সালের বসতঘরে গত বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় চোর ঘরের দেওয়ালে সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় প্রবাসী ফয়সালের স্ত্রী টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন জেগে উঠলে চোর ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    ​

    ​স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ফয়সালের স্ত্রীর চিৎকারে তারা জেগে ওঠেন। পরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিঁধ কাটার দৃশ্য দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এলাকায় ইদানীং চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন।

    ​এলাকাবাসী রাতের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নিয়মিত পুলিশি টহল এই ধরণের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হবে। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রবাসীর পরিবারগুলিও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

  • চরজব্বর থানায় নবাগত পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের আকস্মিক পরিদর্শন

    নোয়াখালী প্রতিনিধি:নোয়াখালীর চরজব্বর থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন জেলার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব এন এম নাসিরুদ্দিন।

    গতকাল ১৭ জুন (বুধবার) তিনি থানার সার্বিক পরিস্থিতি ও কার্যক্রমের খোঁজখবর নিতে এই আকস্মিক পরিদর্শনে যান।

    থানায় পৌঁছালে নবাগত পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত জানান চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লুৎফর রহমান। পরে পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

    পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখেন এবং সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম, ডিউটি ব্যবস্থাপনা, মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি ও উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের মতামত ও সমস্যার কথা শোনেন।

    উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে এসপি এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, অপরাধ দমন, মামলার তদন্তের গুণগতমান বৃদ্ধি এবং এলাকা থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে আরও তৎপর হতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

    পরিদর্শন শেষে নবাগত পুলিশ সুপার চরজব্বর থানার অফিশিয়াল পরিদর্শন বইয়ে (ভিজিট বুক) স্বাক্ষর করেন। এ সময় থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কাঁঠালিয়ায় মৎস্য অফিসের অভিযান: বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল জব্দ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় মৎস্য অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল ও ড্রাম জব্দ করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ ও পোনামাছ রক্ষায় উপজেলার বিশখালী নদী ও জলাশয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    বুধবার বিকেলে কাঁঠালিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার বিষখালী নদীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে একটি ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সুমি রানী বল ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসা. নাহিদা আক্তার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

     

    ​অভিযানকালে ঘোষের হাট ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা থেকে মাছের বংশবৃদ্ধি ধ্বংসকারী বেশ কয়েকটি নিষিদ্ধ বেহুন্দি জাল ও ড্রাম জব্দ করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ জাল স্থাপনকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

     

    ​জব্দকৃত বেহুন্দি জালগুলো পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ মাঠে নিয়ে আসা হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সুমি রানী বল এর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার মাধ্যমে জব্দকৃত সমস্ত অবৈধ জাল ওড্রাম আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত জালের আনুমানিক বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা।

     

    ​অভিযান শেষে কাঁঠালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসা. নাহিদা আক্তার বলেন, ​”বেহুন্দি ও কারেন্ট জালের মতো নিষিদ্ধ জালগুলো আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা ও ডিম্বাণু ধ্বংস করে দিচ্ছে। মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কাঁঠালিয়া উপজেলার নদীগুলোকে ক্ষতিকর জালমুক্ত করতে আমাদের এই বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্টের তৎপরতা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

     

    ​মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ করতে স্থানীয় জেলে সমাজ ও সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

  • সদরপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দুই দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (অষ্টম পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    সদরপুর উপজেলা মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় ১৬ জুন (মঙ্গলবার) সকালে। সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় কর্মরত উপজেলা কেন্দ্রের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

    প্রশিক্ষণটি ১৭ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা কৌশল, শিশুর মানসিক বিকাশ, সিফাত পরিচয় ও সূরা মশক, আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা উপকরণের কার্যকর ব্যবহার ও মূল্যায়ন, শিক্ষকদের মর্যাদা, দায়িত্ব ও কর্তব্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাস্টার ট্রেইনার মাওলানা রুহুল আমীন, ফিল্ড অফিসার মো. রাসেল মোল্যা, মাওলানা মহিউদ্দীন খান আজাদী, মুফতি কারী বেলালউদ্দিন, ডা. গোলাম রব্বানী, ডা. রোকাইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং প্রাথমিক শিক্ষা ইনস্ট্রাক্টর অনিতা দত্ত রায়।

    প্রশিক্ষণের সমাপনী সেশন পরিচালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ইয়াছিন মিয়া। তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাস্তব কাজে প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    প্রশিক্ষণার্থী মুফতি মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী বলেন, “মৌলিক প্রশিক্ষণটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। একজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক তার দায়িত্ব আরও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে সক্ষম হন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

    প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা ভবিষ্যতে শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাদানে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • আমতলীতে জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা সেশনে ১,২২০ শিক্ষার্থীর মাঝে খাতা বিতরণ

    আমতলী (বরগুনা)প্রতিনিধি: আমতলীতে জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের আওতাভুক্ত ১,২২০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে খাতা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৩টায় আমতলী উপজেলার লোকজ রিসোর্স সেন্টারে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এনএসএস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মৃদুল সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউর আলম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন পান্না এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিভুদান বিশ্বাস।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এপি আমতলীর কর্মকর্তা, এনএসএস-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করলেই চলবে না, তাদের জীবন দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাতে হবে। জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    প্রধান অতিথি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউর আলম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবনমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খাতা বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনে আরও উৎসাহিত হবে এবং নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে আগ্রহী হবে।”

    অনুষ্ঠানের শেষে জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা সেশনে অংশগ্রহণকারী ১,২২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ  বালুগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার সকালে  ২৬ নং বালুগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন  সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,এর শাহ জামাল হক।  সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, রাস্তা পারাপারে সতর্ক থাকা এবং শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এইসব আলোচনা করেন

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশে স্কুলভিত্তিক সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা কার্যক্রমকে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।এই কথাগুলো উল্লেখ করা হয়

  • আমতলীতে ৪০৮০ শিশুর অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য জন্মদিন উদযাপন

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
    বরগুনার আমতলীতে নিবন্ধিত শিশুদের নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার সকালে আমতলী উপজেলার সোনালী কমিউনিটি সেন্টারে আমতলী এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং এনএসএস-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার নিবন্ধিত ৪ হাজার ৮০ জন কোমলমতি শিশুর জন্য বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি শিশুকে একটি করে মশারি, একটি গোসলের সাবান এবং এক প্যাকেট হুইল ওয়াশিং পাউডার প্রদান করা হয়।

    এনএসএস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মৃদুল দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আমতলী এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিভুদান বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু শাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার ও সিনিয়র সাংবাদিক জাকির হোসেন, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী আবু জিহাদ, চাইল্ড প্রোটেকশন ও এপি স্পন্সরশিপ অফিসার চার্চিল দাস, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার অতিদাস ও প্রতিভা মণ্ডল, ফিল্ড অপারেশন অফিসার মো. জহির, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার জ্যাকলিন টুম্পা মণ্ডল, খোকন দাস ও রাধারাণী মণ্ডলসহ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও এনএসএস-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শিশু ও তাদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিশুদের পরিবেশনায় গান, নৃত্য ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশাল আকৃতির একটি জন্মদিনের কেক কেটে শিশুদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    তাদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে। শিশুদের ওপর অযথা মানসিক চাপ সৃষ্টি না করে তাদের মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।”বক্তারা বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

    সংস্থাটি শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, খাদ্য সহায়তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণে হাঁস বিতরণ, বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষের জন্য বীজ সরবরাহ, শীতকালে কম্বল বিতরণ এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের সার্বিক বিকাশ ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।