Category: অপরাধ

  • নেত্রকোনায় ঘুষ বানিজ্যে চ্যাম্পিয়ন সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস দেখার কেউ নেই

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ বানিজ্যে জেলার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন একটি বিশেষ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।এই ঘুষ বানিজ্য চলে সাহতা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের নেতৃত্বে এক শ্রেণীর দালালের মাধ্যমে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা (তহসিলদার) শাহানা আক্তার টাকা ছাড়া কোনো কাজই করেন না। ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো সেবার বিনিময়ে তিনি দালালদের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের হাজার হাজার টাকা। এই অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কিছুদিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও পত্রিকার মাল্টিমিডিয়ায় দেখা গিয়েছে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এলাকার সচেতন মহলের ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদ।

     

    সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তুলা সহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিক ভাবে এক শ্রেণীর দালালের মাধ্যমে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে।এই অফিসে চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ে কোনো কাজ আদায় করা যায় না বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার পরও বিভিন্ন ভাবে হয়রারি করছে এমনটাই অভিযোগে উঠেছে।

     

    এ বিষয়ে সাহতা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব ও সাবেক ইউপি সদস্য জুবায়ের হুসেন খান রতন বলেন, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তার একজন ঘুষখোর ব্যক্তি, তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। তার ঘুষ বানিজ্যের বিষয় নিয়ে আমি দরবার শালিস পর্যন্ত করেছি। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি এমন ঘুষখোর কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করছি।

     

    অন্যদিকে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের বিষয়ে সাহতা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আলমগীর হোসেন ঝুটন বলেন, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের মতো একরকম ঘুষখোর কর্মকর্তা দেখতে চাই এই ভূমি অফিসে। তিনি একজন বড় মাপের ঘুষখোর কর্মকর্তা, সে টাকা ছাড়া অন্য কিছুই বুঝে না। তিনি দালালের মাধ্যমে পুরো ইউনিয়নটিকে লুটে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ সহজ সরল তারা কিছুই বুঝে না, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তার তার দালালের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে হারিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। আমি এই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের ঘুষ বানিজ্যের বিষয় নিয়ে দরবার শালিস পর্যন্ত করেছি। তিনি এই অফিসে কিছু দালাল পুষে রাখে। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের এই ইউনিয়নের আহবায়ক হিসেবে এই ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদ জানাই।

     

    সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে মাঠ পর্যায়ে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার সহ যারা এখানে-কর্মচারী রয়েছে তারা বিভিন্ন অনিয়ম,ঘুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে জমির কাজে সেবা নিতে আসা ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।এই ভূমি অফিসে আসা এক গ্রাহক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, এই অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার ভূমি অফিসে কাজে আসা গ্রাহকদের কাজ সম্পাদনের বিষয়ে টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে চুক্তি করেন।

     

    এই ইউনিয়নের সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, এখানে আসা সেবা প্রাপ্তির ৯০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে আজ না-কাল সময়ক্ষেপন করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্খিত সেবা। ভূক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি অফিসের ঘুষ দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া কোনো কাজেই হয় না। নামজারির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মোটা অংকের টাকা আদায় করে এই অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেয়ার কথা বলে। ভুক্তভোগীদের দাবী এই ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরি, সেবাগ্রহীতারা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সহযোগিতা কামনা করেন। এই ঘুষ বানিজ্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার বলেন, আমার অফিসে কোনো অনিয়ম হয় না, আমার বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে।এবং কেন তার এই ঘুষ বানিজ্য নিয়ে নিউজ করা হয়েছে, এই প্রতিনিধিকে তিনি হুমকি প্রদান করেন, তিনি বলেন তুমি পত্রিকায় লিখে আমার কিছুই করতে পারবে না। এবং তিনি এই প্রতিনিধিকে আরও বলেন, তোমরা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করে কি করবে, তিনি আরও বলেন, আমাকে হয়তো এখান থেকে অন্য জায়গায় বদলি করে দিবে কতৃপক্ষ, এছাড়া আমার আর কিছুই হবে না।

     

     

    ০৭/০৬/২০২৬ ইং

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১ জন গ্রেপ্তার উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদ


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল এবং বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। অভিযানে মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা ও চোলাই মদ।

    শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত পর্যন্ত জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবাবগঞ্জ সদর সার্কেল) মো. ইয়াসির আরাফাত, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. একরামুল হোসাইনসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

    পুলিশ জানায়, অভিযানে ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী, ১০ জন মাদকসেবী, সিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত ১ জন, ওয়ারেন্টভুক্ত ৩ জন এবং নিয়মিত মামলার ১ জন আসামিসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    এদিকে, পৃথক অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে একজনকে ২১ দিন এবং অপরজনকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

    অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয় ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০০ গ্রাম গাঁজা এবং ২০ লিটার চোলাই মদ।

    পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • চরভদ্রাসনে টিউবওয়েল দেওয়ার নামে প্রতারণা জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান


    চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা:ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় টিউবওয়েল দেওয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, চরভদ্রাসন কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, একটি প্রতারক চক্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার এবং তার দপ্তরের পরিচয় ব্যবহার করে টিউবওয়েল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে।

    তিনি বলেন, প্রতারকরা সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে আমার এবং দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, টিউবওয়েল প্রদান বা সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়ার নামে কেউ অর্থ দাবি করলে তা বিশ্বাস না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করতে এবং সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে টিউবওয়েল বরাদ্দ দেন না।

    এদিকে, প্রতারণার এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর জনগণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রতারকদের বিষয়ে তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।

  • বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক


    (শার্শা)যশোর প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য এবং অবৈধ চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।

    শুক্রবার ( ০৫ জুন ২০২৬) দিনব্যাপী বিজিবির বিশেষ টহলদল, মাসিলা ও বেনাপোল বিওপি, বেনাপোল আইসিপি এবং আমড়াখালী চেকপোষ্টের সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ৭৮ বোতল WINCEREX COUGH SYRUP, ১৫১টি শাড়ী, ০১টি থ্রী-পিস, ৩টি কম্বল, ১০১ প্যাকেট ফুসকা, ১০ কেজি কিসমিস, ৩ কেজি জিরা, ৯৬টি ইনজেকশন, ১৩২টি খাদ্য সামগ্রী, ১৩ প্যাকেট সন পাপড়ী, ১১৯৫টি বিভিন্ন প্রকার চকলেট, ১৫৯১টি ভারতীয় কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে।

    আটককৃত মালামালের মূল্য ৩১,৭৪,৯৬০/-(একত্রিশ লক্ষ চুয়াত্তর হাজার নয়শত ষাট) টাকা।

    যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, দীর্ঘদিন যাবত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামালসহ পাচার চক্র আটকের নিমিত্তে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হচ্ছে।

    সীমান্তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান কার্যক্রম সবসময়ই অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

  • ​চাঁনশিকারী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩ চোরাকারবারি ও ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারী সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক বিরোধী এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে ৩ জন মাদক চোরাকারবারিকে আটক করার পাশাপাশি ফেন্সিডিলের বিকল্প ১২৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ, ৩টি মোবাইল ফোন এবং ১টি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪,২৪,৬০০/- (চার লক্ষ চব্বিশ হাজার ছয়শত) টাকা।

    ​বিজিবি সূত্র জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ০৫ জুন ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১:০০ ঘটিকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধীনস্থ চাঁনশিকারী বিওপি’র হাবিলদার মোঃ কাজী ইব্রাহীম এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ১৯৮/২-এস হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোলাহাট ইউনিয়নের শিকারী গ্রামে চোরাকারবারিদের ঘেরাও করে মালামালসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
    ​আটককৃত আসামিরা হলেন:

    ​১. মোঃ মাহাবুবুর রহমান (১৯), পিতা- মোঃ রানাউল, গ্রাম- আলালপুর।
    ২. মোঃ জাহিদুল ইসলাম (১৯), পিতা- মোঃ সেতাউল, গ্রাম- আলালপুর।
    ৩. মোঃ সাগর হোসেন (১৬), পিতা- মোঃ দুলাল, গ্রাম- হাউসপুর।
    ​আটককৃত সকলের ডাকঘর- ফুটানি বাজার, থানা- ভোলাহাট, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
    ​
    ​আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালান আইনে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত নেশাজাতীয় সিরাপ, মোবাইল এবং ইজিবাইকসহ আসামিদের ভোলাহাট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।​সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবি’র এমন কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

  • কুমিল্লা বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত দুই নারী গ্রেপ্তার


    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার এবং নেয়ামুল কবিরের স্ত্রী শেফালী বেগম।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্রপুর পূর্বপাড়া এলাকায় একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযোগ এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তদন্তে যায় দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

    পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

    পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসি লুৎফুর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৯৯৯-এর কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বিজয়নগরে ২০ কেজি গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার


    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. বাবু মিয়া নামের এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোররাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত বাবু মিয়া কাশিনগর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সন্দেহভাজন হিসেবে বাবু মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে মোট ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে পুলিশ।

    বিজয়নগর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত বাবু মিয়া মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও বিজয়নগর থানায় আরও একটি মাদক মামলা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

  • নওগাঁয় পত্নীতলা উপজেলায় জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে নির্মম মারধর হাসপাতালে ভর্তি


    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমাইড় ইউনিয়নের নান্দাশ গ্রামে গভীর রাতে একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। গতকাল বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাতে এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহতরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে নান্দাশ গ্রামের বাসিন্দা আফজাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্ত তাদের বাড়ির জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আফজাল হোসেনের স্ত্রী ও মেয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মা-মেয়েকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে।
    এ সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকার ও আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ঘরের ভেতর থেকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
    এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পূর্ব শত্রুতা নাকি চুরির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ অভিযোগ,পিপিআর-২০২৫ এর প্রতিযোগিতামূলক নীতিকে পাশ কাটিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
    দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত হাঁস-মুরগির খামার, গরু ও ছাগল উন্নয়ন কেন্দ্রে চলতি বছরের পশুখাদ্য সরবরাহের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে এসব দরপত্রকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে।
    একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ১৭ বছর ধরে প্রাণিসম্পদ খাতের পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিবর্তন হলেও সেই ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ এখনো বহাল রয়েছে বলে দাবি তাদের।
    অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস-এর সাবেক এপিএস হিল্টন কুমার সাহার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এ সিন্ডিকেটে রয়েছেন সাভারের ঠিকাদার হাফিজুর রহমান ও ঢাকার মিরপুর এলাকার বিমল কুমার। অভিযোগকারীরা জানান, হিল্টন কুমার সাহা প্রতিবছর একাই প্রায় ২৫ থেকে ২৬ জেলার পশুখাদ্য সরবরাহ কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন। একইভাবে গত ১৭ বছর ধরে হাফিজুর রহমান বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) সাভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। অন্যদিকে বিমল কুমারও একই কায়দায় নিয়মিত সরকারি কাজ পেয়ে আসছেন।
    সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেট ব্যবস্থার কারণে একদিকে সরকারি ক্রয়ে কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে নিম্নমানের পশুখাদ্য সরবরাহের ফলে প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ছে।
    অভিযোগকারীরা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত বছর বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ‘ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়’ আওয়ামী আমলের মতোই নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট সদস্যরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছর কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার নারায়ণগঞ্জ-এর পশুখাদ্য সরবরাহ দরপত্রে মোট চাহিদাকে দুইটি লটে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি লট ছোট হওয়ায় সেখানে তুলনামূলক প্রতিযোগিতার সুযোগ থাকলেও বড় লটটিতে এমন বাস্তব অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কার্যত হিল্টন কুমার সাহা ছাড়া অন্য কোনো ঠিকাদার অংশ নিতে না পারেন।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে একাধারে এই খামারের কাজ পেয়ে আসছেন হিল্টন কুমার এবং চলতি বছরও তিনিই কাজ পাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার জয়পুরহাট, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাবনা, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বগুড়া, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার রংপুর, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার সিরাজগঞ্জ, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বরিশাল এবং মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাহাড়তলী-এর দরপত্র নিয়েও।
    অভিযোগ রয়েছে, এসব দরপত্রে পশুখাদ্যের বিভিন্ন আইটেমের যে স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কেবলমাত্র আরিফস্ বাংলাদেশ নামের একটি কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ফলে যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই কোম্পানির চুক্তি রয়েছে, তারাই কেবল টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে।
    সংশ্লিষ্টদের দাবি, “আরিফস্ বাংলাদেশ” শুধুমাত্র হিল্টন কুমারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকেই পণ্য সরবরাহ করে। এ কারণে হিল্টনের নিয়ন্ত্রণাধীন এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, অঙ্কিতা এন্টারপ্রাইজ, এফ এম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও লুৎফা এন্ড সন্স নামের চারটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে দরপত্রে অংশ নেওয়া হচ্ছে।
    অভিযোগকারীরা বলেন, গোপন সমঝোতার কারণে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান “আরিফস্ বাংলাদেশ”-এর পণ্য সংগ্রহ করতে পারে না। ফলে কার্যত প্রতিযোগিতাহীন পরিবেশে এসব কাজ হাতিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেটটি। আর এতে সহযোগিতা করছেন এখনো বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহাল থাকা আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ কর্মকর্তারা।
    এদিকে গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সাভার, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার বরিশাল, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সিলেট, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার ফরিদপুর, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার রাজশাহী এবং ছাগল উন্নয়ন খামার বরিশাল, ছাগল উন্নয়ন খামার ফরিদপুর ও ছাগল উন্নয়ন খামার রাজশাহী-এর পশুখাদ্য সরবরাহ টেন্ডার নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব টেন্ডারেও এমন স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। আর ওইস…

  • আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    রিয়া মনি : স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ায় বাড়িতে ঢুকে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক গৃহবধূ।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শগ্রাম সি-ব্লকের বাসিন্দা শাহানা হাসান (৩৫) গত ১৮ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার রড, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে এগিয়ে আসা তার মেয়ে বেলি পারভীনকেও মারধর করা হয়। এতে মা-মেয়ে উভয়েই আহত হন।

    অভিযুক্তরা হলেন,রয়মন মোস্তফা, ফারহান,রমজান কাইলা,শাকিল ও চোর শাকিল, মতিউর রহমান কসাই মতি,রাশেদ, মেহেদী ও মো. নুর ইসলাম সহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন। অভিযুক্ত সবাই আউকপাড়া আদর্শগ্রামের বাসিন্দা।

    এছাড়া অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী গৃহবধূর গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন (মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং ঘরে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    হামলার সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয় বলে অভিযোগে বলা হয়।

    পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।