Category: অপরাধ

  • ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা: মূলহোতাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, হত্যায় ব্যবহৃত দা ও কোদাল উদ্ধার


    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পরাণগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকায় আলোচিত সোহেল সরকার (২৫) হত্যা মামলার মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা, কোদাল, ভুক্তভোগীর রক্তমাখা পোশাক ও পায়ের স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    রবিবার (২৬ জুলাই) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই সকালে মীরকান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহেল সরকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

    পরবর্তীতে ২২ জুলাই বিকেলে অম্বিকাগঞ্জ মহাবিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন একটি বাগান থেকে গলাকাটা অবস্থায় একটি অর্ধগলিত মাথা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলের পাশের মাটির নিচ থেকে মাথাবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হলে পরিবারের সদস্যরা সেটিকে সোহেল সরকারের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এবং কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে এসআই (নি.) রিপন চন্দ্র সরকার, এএসআই (নি.) সুকান্ত দেবনাথ, এএসআই (নি.) আলী হোসেন এবং এএসআই (নি.) মো. মাহবুব আলম অংশগ্রহণ করেন। তাদের অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সেলিম ওরফে নাপিত সেলিম (৩২), মো. সেলিম (৩০), মো. আব্দুল কাদির ওরফে আলামিন (২৫) এবং লাল চাঁন ওরফে লালু (২৬)। তাদের সবার বাড়ি মীরকান্দাপাড়া গ্রামে।

    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

    তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সোহেল সরকারকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহের মাথা ও দেহ আলাদা করে মাটিচাপা দিয়ে গুম করার চেষ্টা করা হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছ।

  • নোয়াখালীর সেনবাগ থানা পুলিশ ২৪ঘন্টার অভিযানে তিন সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ১১

    নোয়াখালী প্রতিনিধি:
    অ/ভিযানের বিবরণ দিয়ে সেনবাগ থানার ওসি আবদুর রহিম সরকার জানান, গ্রে/ফতারকৃতদের মধ্যে মধ্যে নারী নির্যা/তন মামলার আসামী মো. আরিফুল ইসলাম (২৬) ০১ জন, জিআর গ্রেফ/তারী পরো/য়ানা/ভূক্ত মো. রনি (২২) ০১ জন, সিআর গ্রেফতারী প/রো/য়ানা/ভূ/ক্ত জয়নাল আবেদীন(৫৩) এবং জয়নুল আবেদীন(৬৫) ০২ জন।

    তিনি আরো জানান, মাদ/কদ্র/ব্য নিজ হেফাজতে রাখার অ/পরাধে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ১৫ দিনের সা/জা/প্রাপ্ত মো. রশিদ (২০) এবং ০৬ মাসের সা/জা/প্রাপ্ত মো. মাইন উদ্দিন (৪৫) ০২ জন, মাদ/কদ্র/ব্য ক্রয়-বিক্রয় সন্দেহে ফৌঃকাঃবিঃ ৫৪ ধারা মোতাবেক গোলাম সরোয়ার (৫২), মোঃ নিরব (২২), সাজ্জাদ হোসেন প্র. রবিন(২০) ০৩ জন, ধর্ত/ব্য অ/পরাধ নিবারনমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফৌঃকাঃবিঃ ১৫১ ধারা মোতাবেক মো. মনির হোসেন(১৮), আজিজুল হক সবুজ(২৫) ০২ জনসহ সর্বমোট ১১ জনকে গ্রেফতার করে আজ রবিবার দুপুরে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতে প্রেরন করা হয়।

  • মৌলভীবাজারে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকার


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকার: ধামাচাপার চেষ্টা করে ব্যর্থ পরে শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে সাত বছরের এক শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিকদের তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয় এবং মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কাশিমপুর গ্রামের সুধন দাশের ৭ বছর বয়সী শিশু সন্তান অন্তর দাশকে সকালে স্থানীয় কৈছর মিয়ার ফিশারিতে ডেকে নিয়ে যায় সেখানে কর্মরত শ্রমিক হুমায়ুন (৩৫)। হুমায়ুন একই গ্রামের আছদ্দর মিয়ার ছেলে। ফিশারিতে কাজের একপর্যায়ে নির্জন স্থানে নিয়ে শিশুটিকে নির্মমভাবে ব|লা|ৎ|কা|র করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

    ঘটনাটি জানাজানি হলে একশ্রেণির প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে। ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এক গনমাধ্যমকর্মী। সেখানে তাঁকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়তে হলেও তিনি পিছু হটেননি। সারাদিনের প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাত প্রায় ৮টার দিকে তিনি নিজ উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

    বর্তমানে শিশু অন্তর দাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তলার সার্জারি-২ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছেন।

    এ বিষয়ে জানতে রবিবার দুপুরে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা চলমান রয়েছে তবে এ বিষয়ে পরিবার থেকে এখনও কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে।

    এ ঘটনায় পুরো রাজনগর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীর পরিবার অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্ত হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

  • রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টায় বৃদ্ধ গ্রেপ্তার ‎


    ‎রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    ‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া কোদালা ইউনিয়নে ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে আব্দুল হাকিম (৫৩) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    ‎
    ‎গ্রেপ্তার হাকিম কোদালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড জঙ্গল কোদালা মাছুফ্যার ঘোনা, লট-৫ ইসলাম মাঝির বাড়ীর বাসিন্দা।
    ‎
    ‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ২টায় বাদীর নাতিনকে ঘরে রেখে পাশের বাড়ীতে গেলে আসামী এই সুযোগে বসত ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে একগ্লাস পানি আনতে বলে। ভিকটিম পানি আনার পর হাত ধরে ফেলে এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করে।
    ‎
    ‎এতে অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
    ‎
    ‎জানা যায়, বাদী লোকজনের বাড়ীতে গৃহপরিচারিকার কাজকর্ম ও মাঝে মধ্যে ভিক্ষাবৃত্তি করে কোন রকম জীবিকা নির্বাহ করে। ভিকটিম মেয়ের ঘরের নাতিন হয়। ভিকটিমের পিতা মানসিক রোগী হওয়ায় গত ৫ বছর পূর্বে অন্যত্র চলে যায়। তার আর কোন খোঁজখবর নেয়। ভিকটিমের মা ১ বছর পূর্বে দ্বিতীয় বিবাহ করে স্বামীর চট্টগ্রাম শহরে থাকে এবং লোকজনের বাড়ীতে কাজকর্ম করে। ভিকটিম তাহার নানির কাছে থাকে। আসামী মোঃ আব্দুল হাকিম (৫৩) বাদীর ছোট বোন জামাই।
    ‎
    এবিষয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমদ জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হওয়ার পর বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা রুজু করা হলে আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী যথাযথ নিয়মে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    ‎
    ‎

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ১৫৭ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৫৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।​আজ ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভোরে এই অভিযান পরিচালিত হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ৫৩ বিজিবির অধীনস্থ ওয়াহেদপুর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বিশরশিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৫৭ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬২,৮০০/- (বাষট্টি হাজার আটশত) টাকা। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে।
    ​
    সীমান্তে অপরাধ ও মাদক চোরাচালান দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ৫৩ বিজিবি। চলতি জুলাই মাসে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে ১ জন আসামিসহ মোট ৬০৫ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল নেশাজাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করেছে ৫৩ বিজিবি। জব্দকৃত এসব মাদক ও অন্যান্য সামগ্রীর সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৪,০২,৬০০/- (চার লক্ষ দুই হাজার ছয়শত) টাকা।
    ​
    এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, পুশ-ইন প্রতিরোধ করাসহ যেকোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিহত করতে এবং বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে বিজিবির এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • বরিশালের উজিরপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ০১ নং সাতলা ইউনিয়নের উত্তর সাতলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ২৪ গ্রাম গাঁজাসহ এক অভিযুক্ত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছেন উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার উত্তর সাতলা গ্রামের মৃত মোঃ আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ কাওছার হোসেন এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার মাদক কার্যক্রমে এলাকার যুবসমাজের একটি অংশ নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছিল, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উজিরপুর মডেল থানার এসআই মোঃ তারেক আজিজের নেতৃত্বে এএসআই অন্তর আহমেদ, এএসআই আব্দুল আলী সহ পুলিশের একটি দল উত্তর সাতলা বাটাই বাড়ির সামনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সন্দেহভাজন কাওছার হোসেন এর দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ২৪ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করা হয়।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

    স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, উত্তর সাতলাসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। পুলিশের এই সফল অভিযানে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা মাদক নির্মূলে পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে জড়িত অন্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের চলমান অভিযান আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ৬ গরুচোরসহ দুই গরু উদ্ধার

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া ২টি গরু এবং গরু বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, গত ২২ জুলাই দিবাগত রাতে কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের সায়দ মিয়া (৪৩) ও আশিক মিয়া (৩৯)-এর গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কুলাউড়া থানা পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করে।
    ‎
    শুক্রবার (‎২৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলার বড়চেগ এলাকা থেকে গরুচোর সন্দেহে মো. ছাতিম আলী (৪৬), মো. পাবেল মিয়া (৩৫) ও মো. জাবেদ আলী (২৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শমশেরনগর রেলস্টেশন এলাকা থেকে মো. কামরুল ইসলাম ওরফে কেন্নাইকে (৩০) আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কুলাউড়া উপজেলার থলের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজনগর উপজেলার চাউরুলি এলাকার মো. জসিম আলী (৩৬) ও মো. হানিফ মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
    ‎
    ‎গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ উপজেলার বড়চেগ এলাকায় পাবেল মিয়ার বাড়ি থেকে চুরি হওয়া দুটি গরু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গরু দুটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়াও গরু ক্রয়-বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকাও জব্দ করা হয়েছে।
    ‎
    ‎পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় গরু চুরি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
    ‎
    ‎মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান প্রক্রিয়ায়

  • শিবগঞ্জে ১ কেজি হেরোইন ও ৯০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ১ কেজি হেরোইন ও ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মো. রসুল মিয়া (৪২)। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের আজমতপুর হুদমাপাড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দিন ও সালেহা বেগমের ছেলে। পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের দিকনির্দেশনায় ২১ জুলাই থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ২৩ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করে। পরে ২৪ জুলাই রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে আজমতপুর হুদমাপাড়া এলাকায় রসুল মিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১ কেজি হেরোইন এবং ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

    এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-৪৯, জিআর নং-২৫৩/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, জেলার মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • লোহাগাড়ায় পুলিশের চার অভিযানে ৬৩ হাজার ৬৮ পিস ইয়াবা জব্দ, দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৬


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া অংশে পরিচালিত পুলিশের পৃথক চারটি অভিযানে মোট ৬৩ হাজার ৬৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একটি দম্পতি, বিলাসবহুল টয়োটা জিপের চালকসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে একটি বিলাসবহুল টয়োটা জিপের বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বার তল্লাশি করে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পৃথক দুটি অভিযানে একটি মোটরসাইকেলের গিয়ার বক্সের ভেতর এবং এক মাদক পাচারকারীর পেটের ভেতর লুকিয়ে রাখা ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানে ব্যবহৃত একটি টয়োটা জিপ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার রোধে নিয়মিত তল্লাশি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অভিযোগের পর উধাও সাব-রেজিস্ট্রার শাহিন আলম

    যশোর প্রতিনিধি:
    যশোরের শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেজিস্ট্রি, রাজস্ব ফাঁকি এবং দলিল নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাব-রেজিস্ট্রার মো. শাহিন আলমকে গত ২১ জুন ২০২৬-এর পর থেকে জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এতে তার বর্তমান অবস্থান, চলমান তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

    এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেজিস্ট্রি, রাজস্ব ফাঁকি এবং দলিল নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগের পর নিবন্ধন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় মো. শাহিন আলমকে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির পর থেকে শাহিন আলমকে শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আর দেখা যায়নি। তিনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত, ছুটিতে রয়েছেন কি না অথবা অন্য কোনো প্রশাসনিক দায়িত্বে যোগ দিয়েছেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
    এদিকে অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতিও জনসমক্ষে প্রকাশ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এসব আলোচনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়, নিবন্ধন অধিদপ্তর এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা জানার চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এ ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি, অভিযুক্ত কর্মকর্তার প্রশাসনিক অবস্থান এবং অভিযোগের বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান দ্রুত প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে গুজবের অবসানের পাশাপাশি প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

    তবে শাহিন আলমের অনুপস্থিতির কারণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত, নাকি এটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ—এ বিষয়ে কোনো প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

    তথ্যসূত্র: রূপালী বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রতিবেদন, স্থানীয় সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য।

    দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা হুবহু ও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।